• ই-পেপার

শারীরিক প্রতিবন্ধী তুহিনের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

মাদারীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সাহিত্য পাঠচক্র

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, মাদারীপুর
মাদারীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সাহিত্য পাঠচক্র

তরুণদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, সাহিত্যচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে মাদারীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাণবন্ত সাহিত্য বিষয়ক পাঠচক্র। বইয়ের গুরুত্ব, পাঠাভ্যাসের প্রয়োজনীয়তা এবং মুক্তচিন্তার বিকাশ নিয়ে আলোচনা, সাহিত্য পাঠ ও মতবিনিময়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুরের এম. এম. হাফিজ মেমোরিয়াল পাবলিক লাইব্রেরিতে আয়োজিত এই পাঠচক্রে শিক্ষার্থী, সাহিত্যপ্রেমী তরুণ, লেখক, কবি ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা অংশ নেন।

জানা গেছে, পাঠচক্রে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচিত বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম পাঠ ও উপস্থাপনের পাশাপাশি সেগুলোর ভাব, ভাষা, সাহিত্যমান এবং সমাজ-বাস্তবতার নানা দিক নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। পাঠচক্রে বইপাঠের গুরুত্ব ও সাহিত্যচর্চার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, যুক্তিনির্ভর আলোচনা এবং বইকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত, শিক্ষণীয়।

কবি ও সাহিত্য বিশারদ মিলন সব্যসাচী বলেন, একটি ভালো বই কেবল জ্ঞানের দুয়ারই উন্মোচন করে না, মানুষের মনন, রুচি ও মানবিক বোধকেও সমৃদ্ধ করে। তরুণদের বইমুখী করতে বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

শিক্ষক ও সাহিত্য গবেষক মাসুদ সুমন বলেন, বই শুধু জ্ঞানের ভাণ্ডার নয়, এটি মানুষের চিন্তা, মনন ও মূল্যবোধ গঠনের অন্যতম মাধ্যম। বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনকে একযোগে কাজ করতে হবে। এ ধরনের সুন্দর ও সময়োপযোগী আয়োজনের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

বসুন্ধরা শুভসংঘ মাদারীপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের জাহিদ বলেন, একটি ভালো বই একজন মানুষের জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে। বই উপহার ও পাঠচক্রের মতো উদ্যোগ তরুণদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে এবং সাহিত্যপ্রেমী হিসেবে বিকশিত হতে উৎসাহিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। তাই বইপাঠকে জনপ্রিয় করতে নিয়মিত এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও সাংবাদিক সুবল বিশ্বাস বলেন, বই মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু। একটি পাঠকসমাজই পারে একটি আলোকিত ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। তরুণদের মধ্যে মুক্তচিন্তা, যুক্তিবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরিতে পাঠচক্র অত্যন্ত কার্যকর উদ্যোগ।নিয়মিত এমন আয়োজন তরুণদের ইতিবাচক চিন্তা, জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন–বসুন্ধরা শুভসংঘ মাদারীপুর শাখার উপদেষ্টা ও কবি- ইতিহাস গবেষক সাংবাদিক সুবল বিশ্বাস, শিক্ষক ও সাহিত্য গবেষক মাসুদ সুমন, কবি ও সাহিত্য বিশারদ মিলন সব্যসাচী, শিক্ষক ও বাচিক শিল্পী শাহ আবুল খায়ের, শিক্ষক ও নাট্যকর্মী মো. মাহবুব  আলম, সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের জাহিদ, সহসভাপতি রাহাত তালুকদার, সদস্য দিদার মোল্লাসহ সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী, সাহিত্যপ্রেমী তরুণ, লেখক, কবি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা।

আলীকদমে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু

আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি
আলীকদমে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু
সংগৃহীত ছবি

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় পিছিয়ে পড়া নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলীকদম উপজেলা শাখার উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

‎শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১ ঘটিকার সময় আলীকদম উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ প্রশিক্ষণে পার্বত্য অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নারীসহ ২০ জন অসচ্ছল নারী অংশগ্রহণ করেছেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ কর্তৃক আলীকদম উপজেলায় সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ আলীকদম উপজেলা কমিটির সভাপতি এসএম জিয়াউদ্দিন জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান রানার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম।

‎বিশেষ অতিথি ছিলেন লামা উপজেলার বসুন্ধরা শুভসংঘ কমিটির উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠ লামা-আলীকদম প্রতিনিধি মো. তানফিজুর রহমান, লামা কমিটির উপদেষ্টা ও দ্যা ডেইলি সান পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. সাহাব উদ্দিন,বসুন্ধরা শুভ সংঘ আলীকদম উপজেলা কমিটির উপদেষ্টা নুরুছাফা ভূইয়া বাবু,আলীকদম উপজেলা বসুন্ধরা শুভসংঘ কমিটির উপদেষ্টা ও দৈনিক কালের কন্ঠ মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাসহ বসুন্ধরা শুভসংঘ সদস্য মো.আয়াউতুল্লাহ, মো.আরাফাত ইসলামসহ ২০-৩০ জন উপস্থিত ছিলেন।

‎সভায় বক্তারা বলেন, এই প্রশিক্ষণ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর প্রশিক্ষণার্থীরা স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে নিজ পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

‎সেলাই প্রশিক্ষণের সুযোগ পাওয়া জান্নাতুল মাওয়া তিশা, উপাইনু মার্মা ও শ্যামলী তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘আমরা যদি প্রশিক্ষণ শেষে একটি একটি করে সেলাই মেশিন পেলে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে নিজের এবং পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

নান্দাইলে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
নান্দাইলে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে ২০ জন বিধবা, অসচ্ছল, দরিদ্র নারী ও শিক্ষার্থী অংশ নেন। সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তিন মাসব্যাপী চলবে। দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. হাতেম আলী হুমায়ুন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে নান্দাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রশিক্ষণার্থী ও বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। 

কালের কণ্ঠের ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি আলম ফরাজীর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল খালেক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত। 

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহা, নান্দাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল, সমাজসেবক আতাউর রহমান বাচ্চু, শিক্ষক একে রমিজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সাংবাদিক ফরিদ মিয়াসহ অনেকেই।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া এক অসচ্লছ নারী বলেন, অসুস্থ স্বামীসহ সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পেলে কাজ করে সংসারের খরচ চালাতে পারব। 

তিনি বলেন, অনেক কষ্টে জীবন পার করছি। এমন অবস্থায় এই প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে শিখে একটি সেলাই মেশিন পেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব। জীবন চালাতে হয়তো আর কষ্ট করতে হবে না।

ভাবনা রানী বর্মন শর্শী নামে সেলাই প্রশিক্ষণার্থী একজন জানান, বছর দু’য়েক আগে তার বাবা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর থেকে পুরো পরিবারে নেমে আসে অন্ধকার। মা স্থানীয় একটি জীবন বীমায় সামান্য বেতনে কাজ করেন। মা সেলাইয়ের কাজ জানলেও একটি মেশিনের অভাবে কাজ করতে পারছিলেন না। এখন বসুন্ধরা শুভসংঘ এই সুযোগ করে দিয়েছে। আশা করছি, ভালোভাবে শিখে সেলাই মেশিনটা পাবো।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরিদ্র নারী ও শিক্ষার্থীদের সচ্ছলতায় ফিরিয়ে আনতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশেষ অতিথি বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহা বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে, অসচ্ছল নারীদের সচ্ছলতায় আনতে এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে কাজ করে যাচ্ছে। সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন প্রদান কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে একটি বড় সহায়ক।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত বলেন, তিনি একজন নারী হয়ে বুঝতে পারেন নারীদের হাতে টাকা না থাকলে তারা বড়ই অসহায়। নিজে কিছু না করতে পারলে বর্তমান সমাজে পরিবার ছাড়াও অনেকেই তুচ্ছ তাচ্ছিছল্য করে। বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অসহায় ও অসচ্ছল নারীরা উদ্যোক্তা তৈরি হবেন। বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘকে দেখে আসছি তারা এর আগেও নান্দাইলে বেশ কয়েকবার প্রশিক্ষণ দিয়ে অসচ্ছল নারীদের সেলাই মেশিন দিয়েছে। খবর আছে ওই নারীরা এখন সাবলম্বী হয়েছেন। অনেকেই সেলাই কাজ করে তাদের সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন। আশা করি, আগামীতেও বসুন্ধরা শুভসংঘ এই ধারা অব্যাহত রাখবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বসুন্ধরা শুভসংঘ গোবিপ্রবি শাখার

সুজন দাস, গোপালগঞ্জ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বসুন্ধরা শুভসংঘ গোবিপ্রবি শাখার
ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বসুন্ধরা শুভসংঘ। গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) শাখার উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে লাইব্রেরি ভবনের সামনে থেকে অভিযান শুরু হয়। এতে বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রায় অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অভিযানের শুরুতেই স্বেচ্ছাসেবীরা লাইব্রেরি ভবনের চারপাশ, গ্যারেজ এলাকা, সড়কের পাশ এবং ঝোপঝাড় পরিষ্কার করেন। বেলচা, কাঁচি ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগাছা পরিষ্কার করা হয় এবং সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন মালি স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে কাজ করেন।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ক্যাম্পাস থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের পানির বোতল, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সেগুলো পলিথিনে ভরে নির্ধারিত বর্জ্য সংগ্রহস্থলে ফেলা হয়।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউমার্কেট এলাকায় দোকানদার, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। এ সময় সবাইকে নির্ধারিত স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, খোলা স্থানে পানি জমতে না দেওয়া, ডাস্টবিন ব্যবহার এবং নিয়মিত আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সাব্বির বলেন, ‘এই ক্যাম্পাস আমাদের সবার। তাই এটিকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শুধু এক দিনের কর্মসূচি নয়, আমরা প্রতি মাসে অন্তত একবার ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় কাজ করে যাবে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ক্যাম্পাসসংলগ্ন প্রতিটি দোকানে বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে একটি করে ময়লার ঝুড়ি প্রদান করেছি। সেগুলো যেন যথাযথভাবে ব্যবহার হয়, সে বিষয়েও নিয়মিত তদারকি করছি। আমাদের লক্ষ্য গোবিপ্রবিকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণই পারে একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে।’

কর্মসূচিতে অংশ নেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গোবিপ্রবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল ইসলাম ও রায়হানুল রিফাত, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, প্রচার সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাজু মোল্লা, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শোভন সরকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সুদীপ্ত পাল, কার্যকরী সদস্য শুভ রায়, আবির মাহমুদ, তূর্য রহমান, ফাহাদ আমিন, অমিত কীর্তনীয়া, রাসেল চৌধুরী, সোহান আহমেদ, হৃদয় আহসান, নুর আলম চৌধুরী, নাউন সেখসহ সংগঠনের আরো অনেক স্বেচ্ছাসেবী।