• ই-পেপার

এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানাল বোর্ড

জুলাই শহীদ স্মরণে জাককানইবি প্রশাসনের নেই কোনো আয়োজন

জাককানইবি প্রতিনিধি
জুলাই শহীদ স্মরণে জাককানইবি প্রশাসনের নেই কোনো আয়োজন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচি পালন করা হলেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিঙ্ক (ইউটিএল) উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। প্রশাসনের কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী স্মরণসভা, সমাবেশ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জাককানইবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি বা কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়নি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ওই আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মানুষ নিহত হন। তাদের স্মরণে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমামুল হোসেন বলেন, আজকের নতুন বাংলাদেশের পেছনে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগের ইতিহাস রয়েছে। যারা জীবন দিয়ে এই পরিবর্তনের ভিত্তি গড়েছেন, তাদের স্মরণ করা আমাদের দায়িত্ব। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের সম্মান জানিয়ে অন্তত একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির আয়োজন প্রত্যাশিত ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত আহাদ বলেন, যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার স্থান নয়; এটি ইতিহাস, মূল্যবোধ ও জাতীয় চেতনা ধারণ ও লালনেরও কেন্দ্র। শহীদদের স্মরণ করা কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়; এটি মানবিকতা, কৃতজ্ঞতা এবং ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রকাশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, গত বছর সরকার ১৬ জুলাই থেকে মাসব্যাপী জুলাই উদযাপন ও স্মরণে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরাও তখন কর্মসূচি পালন করেছি। এ বছরও সরকার যদি কোনো নির্দেশনা দেয়, আমরা সেটি বাস্তবায়ন করব।

তিনি আরো বলেন, তারপরও জুলাই নিয়ে আমরা কাজ করছি। ‘জুলাই স্কয়ার’ দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। আমি নিজে সেখানে পরিদর্শন করেছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে, ঘাস কাটা হচ্ছে এবং ভাঙা টাইলস মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এর উন্নয়নে নতুন নকশাও আহ্বান করা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না—এমনটি বলা ঠিক হবে না।

ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহারের মৃত্যুতে সাদা দলের শোক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহারের মৃত্যুতে সাদা দলের শোক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার মারা গেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী ও দুই পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুমার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের পক্ষে সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এক শোকবার্তায় এই শোক জ্ঞাপন করেন।

শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শিক্ষা ও গবেষণায় এই অধ্যাপকের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার আর নেই
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি  ।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, অধ্যাপক নাজমুন নাহারের মরদেহ আজ শনিবার দুপুর ১২টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে নেওয়া হবে। পরে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। 

‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সফলে ঢাবিতে ছাত্রদলের প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সফলে ঢাবিতে ছাত্রদলের প্রচারণা
তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচির প্রচারণায় ঢাবিতে প্ল্যাকার্ড সাঁটাচ্ছে ছাত্রদল।

‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচিকে সফল করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মধুর ক্যান্টিন সংলগ্ন আইবিএ ভবনের সামনের দেয়ালে কর্মসূচি-সংক্রান্ত প্রচারণামূলক প্ল্যাকার্ড সাঁটানো হয়। এ প্রচারণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের প্রায় ৬০-৭০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা আগামী কর্মসূচিকে সফল করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মসূচি শেষে মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের তারুণ্য। এই তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নকে বিকশিত করার মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সেই লক্ষ্যেই একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এ কর্মসূচিকে আন্তরিকভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর বিশ্বাস—রাজনীতির পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। আমরা সেই বার্তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যে জাতি তারুণ্যের স্বপ্নকে মূল্যায়ন করে, সেই জাতিই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেয়। তাই তরুণদের কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সব সময় ইতিবাচক, সৃজনশীল ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের পাশে থাকবে।’

নেতাকর্মীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে, যাতে অধিকসংখ্যক তরুণ এ উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে ও সম্পৃক্ত হতে পারেন।