• ই-পেপার

যে মেসেজ থেকে প্রেমের শুরু হয়েছিল প্রিয়াঙ্কা-নিকের

বন্যার্তদের সহায়তায় মঞ্চে উঠছেন রুনা লায়লা

বিনোদন প্রতিবেদক
বন্যার্তদের সহায়তায় মঞ্চে উঠছেন রুনা লায়লা
সংগৃহীত ছবি

দেশের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবার সংগীতের মাধ্যমে মানবিক উদ্যোগে হাজির হচ্ছেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। বন্যার্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে আয়োজিত একটি বিশেষ একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে তাঁর দীর্ঘ শিল্পজীবন ও দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননাও প্রদান করা হবে।

‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’—এই চেতনা ধারণ করে কয়েক দশক ধরে সংগীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে আসছেন রুনা লায়লা। তাঁর কণ্ঠে প্রেম, মানবিকতা, দেশাত্মবোধ ও সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেই শিল্পযাত্রার স্বীকৃতি দিতেই আগামী ২৪ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে এই বিশেষ অনুষ্ঠান।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সহায়তা তহবিল গঠন। অনুষ্ঠানের টিকিট বিক্রির পুরো অর্থই বন্যার্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বন্যার্তদের জন্য আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। আগ্রহীরা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ ভবনের নিচতলায় অবস্থিত হিসাব শাখা থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিভাগের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

বিশেষ এই একক সংগীতানুষ্ঠানে রুনা লায়লা তাঁর জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান পরিবেশন করবেন। 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সংগীতপ্রেমীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বন্যার্তদের জন্য উল্লেখযোগ্য সহায়তা তহবিল গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

‘একদিন তোমাদের বিচ্ছেদ হবে!’, কেন সোনাক্ষীকে এমন কথা বলেছিলেন সালমান?

বিনোদন ডেস্ক
‘একদিন তোমাদের বিচ্ছেদ হবে!’, কেন সোনাক্ষীকে এমন কথা বলেছিলেন সালমান?
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে ঘিরে নানা গল্প-গুজবের শেষ নেই। তবে ঘনিষ্ঠজনদের সম্পর্ক বুঝে ফেলার ক্ষেত্রে তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার কথা নতুন করে সামনে আনলেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ও তাঁর স্বামী জাহির ইকবাল। 

তাঁদের দাবি, প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার অনেক আগেই সব বুঝে গিয়েছিলেন সালমান।

সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঞ্চালনায় ‘ডাবল ডেট’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে নিজেদের প্রেমের শুরুর দিনের নানা অজানা স্মৃতি ভাগ করে নেন সোনাক্ষী ও জাহির। 

সেখানেই জানান, সালমান খানের একটি পার্টিতে তাঁদের প্রথম পরিচয়। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তবে সেই সম্পর্ক গোপন রাখতে চাইলেও সালমানের নজর এড়াতে পারেননি তাঁরা।

জাহির জানান, তাঁরা নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি বুঝে ফেলেছিলেন সালমান। দুজনের আচরণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া দেখেই তিনি বিষয়টি আঁচ করেছিলেন।

সোনাক্ষীও সেই সময়ের একটি মজার ঘটনার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সালমান যখন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করতেন, তখন দুজনেই বিষয়টি অস্বীকার করতেন। বারবার বলতেন, ‘না না, এমন কিছুই নেই।’

কিন্তু তাঁদের সেই লুকোচুরি বেশিদিন টেকেনি। একসময় মজা করে সালমান বলেছিলেন, ‘একদিন তোমাদের ব্রেকআপ হবে, তখন দুজনেই কাঁদবে। আমি তোমাদের দুজনকেই ভালোবাসি, তাই তখন কারও পক্ষ নিতে পারব না।’

এই মন্তব্য শুনে দুজনই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানান সোনাক্ষী। পরে এক ট্রেকিং ভ্রমণে সালমান সরাসরি জাহিরকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘সব দেখা যাচ্ছে, সব বুঝতে পারছি।’ এরপর আর সম্পর্ক গোপন রাখার সুযোগ ছিল না তাঁদের।

প্রায় সাত বছর প্রেমের সম্পর্ক আড়ালে রাখার পর ২০২৪ সালের জুনে মুম্বাইয়ে আইনি বিয়ের মাধ্যমে নতুন অধ্যায় শুরু করেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। এর আগে তাঁরা ‘ডাবল এক্সএল’ সিনেমায়ও একসঙ্গে কাজ করেছিলেন।

তবে সালমানের সেই মজার ভবিষ্যদ্বাণী শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়নি। বিচ্ছেদের বদলে তাঁদের সম্পর্ক পরিণতি পেয়েছে বিয়েতে। বর্তমানে সুখী দাম্পত্য জীবনই কাটাচ্ছেন এই বলিউড তারকা দম্পতি।

শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় মুখ খুললেন তানজিন তিশা

বিনোদন প্রতিবেদক
শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় মুখ খুললেন তানজিন তিশা
সংগৃহীত ছবি

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বললেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। 

এত দিন নীরব থাকলেও এবার তিনি জানালেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এত দিন কোনো মন্তব্য করেননি। একই সঙ্গে অভিযোগকে ইঙ্গিতপূর্ণ বলে উল্লেখ করে জানান, আইনিভাবেই পুরো বিষয়টির মোকাবেলা করবেন।

গত ১২ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অনলাইনভিত্তিক ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তানজিন তিশা। পরে তিনি আর যোগাযোগ করেননি বলে অভিযোগ করেন পেজটির প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। 

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়।

May be an image of one or more people and people smiling

বৃহস্পতিবার একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন তিশা। তিনি বলেন, ‘আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে ১২-১৪ বছর কাজ করছি। ভালো-মন্দ মিলিয়ে কাজ করছি। আমার কাজের জায়গাটা কিন্তু আমি ধরে রেখেছি।’

পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে কবে আইনি নোটিশ জারি হয়েছিল? এরপর নিজেই বলেন, ‘আমি যেদিন আমার সিনেমার শুটিং শুরু করি, তার ঠিক দ্বিতীয় দিনেই লিগ্যাল নোটিশ পাই। তার পাঁচ দিন না ছয় দিনের মাথায় আমার নামে মামলা হয়ে যায়। আমরা একটা কথা বলি না, কেউ যখন ওপরে উঠতে চায়, পেছনে কিছু মানুষ থাকে যারা ওপরে উঠতে পারবে না, পেছন থেকে টেনে ধরে। আমারও ঠিক একই অনুভূতি হয়েছে।’

No photo description available.

অভিযোগ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিশা বলেন, ‘আমি ১৪ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি একটা অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ি মেরে দেওয়ার জন্য? ২৭ হাজার টাকা মেরে দেওয়ার জন্য এত কষ্ট করে নিজেকে একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছি? এক ইন্ডাস্ট্রিতে একটা মেয়ের বা যেকোনো পুরুষতান্ত্রিক সমাজে কাজ করা কি আপনাদের কাছে খুব সহজ মনে হয়? অনেক সহজ কিছু না।’

তিনি আরো জানান, বিষয়টি নিয়ে তাঁর অনেক কিছু বলার থাকলেও আপাতত আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই নীরব রয়েছেন। পুরো বিষয়টি তিনি আইনিভাবেই মোকাবেলা করবেন।

এদিকে, অভিনয়ের পাশাপাশি বড় পর্দায়ও অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন তানজিন তিশা। তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সোলজার’ শিগগিরই মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

ভেঙে গেল অভিনেত্রী ঊর্মিলার ১৫ বছরের সংসার

বিনোদন ডেস্ক
ভেঙে গেল অভিনেত্রী ঊর্মিলার ১৫ বছরের সংসার
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যজীবনের ইতি টানলেন মারাঠি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি আদীনাথ কোথারে ও ঊর্মিলা কানেটকর। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে তারা পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানাতে সবার প্রতি অনুরোধ করেছেন।

যৌথ বিবৃতিতে আদীনাথ ও ঊর্মিলা বলেন, অনেক ভাবনাচিন্তার পর তারা বন্ধুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনকভাবে নিজেদের পথ আলাদা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তাদের দাম্পত্যের ইতি ঘটলেও মেয়ে জিজাহই তাদের জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে থাকবে।

তারা লিখেছেন, ‘আমাদের দাম্পত্যের পথচলা শেষ হলেও মেয়ে জিজাহর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা অটুট। আমরা দুজনই যৌথভাবে তার লালন-পালন করব, যাতে সে ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও সমর্থনের পরিবেশে বড় হতে পারে।’

বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, একসঙ্গে কাটানো দীর্ঘ সময়ের স্মৃতি ও সম্পর্কের প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম এবং ভক্তদের কাছ থেকে এতদিন যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন, ভবিষ্যতেও সেটি অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

বিবৃতির শেষে তারা বলেন, ‘আমাদের বন্ধু, সংবাদমাধ্যম এবং সবার কাছে অনুরোধ, এই সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। এ বিষয়টি নিয়ে এটিই আমাদের একমাত্র বক্তব্য। এরপর আর কোনো মন্তব্য করব না। আপনাদের উষ্ণতা ও বোঝাপড়ার জন্য ধন্যবাদ।’

গত কয়েক মাস ধরেই আদীনাথ ও ঊর্মিলার দাম্পত্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ২০২৫ সালের শেষ দিকে বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে তাদের আলাদা থাকার খবর প্রকাশিত হলেও তখন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি কেউই।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ঊর্মিলা জানিয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘বিষাক্ত’ আলোচনায় তিনি গুরুত্ব দেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, অনলাইনে প্রচারিত সব তথ্য বিশ্বাস করা উচিত নয়।

২০০৬ সালে ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় প্রথম পরিচয় হয় আদীনাথ কোথারে ও ঊর্মিলা কানেটকরের। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন আদীনাথের বাবা মহেশ কোথারে। ওই সিনেমার মাধ্যমেই অভিনয়ে অভিষেক হয় ঊর্মিলার। দীর্ঘ প্রেমের পর ২০১১ সালে বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। ২০১৮ সালে তাদের কন্যাসন্তান জিজাহর জন্ম হয়।

অভিনয়জীবনে ঊর্মিলা ‘দুনিয়াদারি’, ‘মালা আই ভ্হায়চি!’ ও ‘তি সধ্যা কায় কারতে’সহ একাধিক জনপ্রিয় মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পাশাপাশি হিন্দি ও তেলেগু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। অন্যদিকে আদীনাথ কোথারে অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক—তিন ভূমিকাতেই মারাঠি চলচ্চিত্রে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।

বর্তমানে আদীনাথের হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি আলোচিত প্রকল্প। পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ‘রামায়ণ’ সিনেমায় তিনি ভারত চরিত্রে অভিনয় করছেন। এ ছাড়া হানসাল মেহতার ‘গান্ধী টকস’ সিনেমাতেও দেখা যাবে তাকে।