• ই-পেপার

পেরুতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ১৪

মধ্যপ্রাচ্যে ‘নতুন যুদ্ধ’, জড়াতে পারে পাকিস্তানও

অনলাইন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে ‘নতুন যুদ্ধ’, জড়াতে পারে পাকিস্তানও
রয়টার্স ছবি

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে এবার নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। চার বছরের যুদ্ধবিরতির পর সৌদি আরবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইয়েমেনের শক্তিশালী সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন হুথি। ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে সৌদি সীমান্তে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতি ইসলামাবাদকে আঞ্চলিক সংঘাতে জড়ানো এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের ভূমিকাকে আরো জটিল করে তুলতে পারে। এ ছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির কারণেও পরমাণু অস্ত্রধারী এই দেশটি কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

সৌদিতে হামলা মানেই পাকিস্তানের ওপর হামলা

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সোমবার। এ দিন সৌদি আরবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইয়েমেনের শক্তিশালী সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন হুথিরা। তাদের দাবি, সৌদি বাহিনী হুথি-নিয়ন্ত্রিত একটি বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে।

এতে চার বছরের যুদ্ধবিরতির পর দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়। কারণ গত বছর সৌদি আরবের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে ইসলামাবাদ। সেই চুক্তির ফলে সৌদি আরবে বর্তমানে হাজারো পাকিস্তানি সেনা এবং একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমাদের শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্ব ইরানকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে জানিয়ে দিয়েছে যে, সৌদি আরবের ওপর হামলা মানে পাকিস্তানের ওপর হামলা। এটি আমাদের স্পষ্ট রেড লাইন।’

সংঘাতে জড়ানোর শঙ্কা পাকিস্তানের

তবে উত্তেজনা এত আকস্মিকভাবে বেড়ে যাবে, তা ইসলামাবাদ প্রত্যাশা করেনি বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানি নিরাপত্তা বিশ্লেষক মুহাম্মদ আমির রানা।

দুই পাকিস্তানি কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী রয়টার্স বলছে, ইয়েমেন সীমান্তের কাছে সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনারা মোতায়েন থাকায় হুথিদের হামলা অব্যাহত থাকলে তারা সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এছাড়া, লোহিত সাগরে উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। পাকিস্তানের জ্বালানি আমদানির জন্য এই নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অবসরপ্রাপ্ত পাকিস্তানি জেনারেল গুলাম মুস্তাফা বলেন, ‘আপাতত পাকিস্তান সব পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে। তবে হুথিরা যদি সৌদি আরবের আরো গভীরে হামলা সম্প্রসারণ করে, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।’

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভাজনেও উদ্বেগ

দুই পাকিস্তানি সরকারি কর্মকর্তার মতে, ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মধ্যে মতপার্থক্য গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইসলামাবাদ।

তাদের দাবি, দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের অবস্থানের সঙ্গে আইআরজিসির অবস্থানের পার্থক্য ক্রমেই বাড়ছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মুহাম্মদ আলী বলেন, ‘ইরানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে এবং ইসলামাবাদ তা উপলব্ধি করছে।’

স্থগিত ইরানি প্রতিনিধিদলের সফর

সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে ইরানের একটি প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদ সফর কয়েকদিন পিছিয়ে যায় বলে জানায় পাকিস্তানি কর্মকর্তারা।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা নিয়েও আলোচনার জন্য ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গত বুধবার পাকিস্তানে পৌঁছায়। 

সংযমের আহ্বান পাকিস্তানের

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেন, ইসলামাবাদ সব পক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘টেকসই সম্পৃক্ততা, সংলাপ ও কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই।’

কঠিন ভারসাম্যের মুখে ইসলামাবাদ

একদিকে পাকিস্তান সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদার, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখতে চায়।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনায় পাকিস্তানের জ্বালানি সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে। জ্বালানি সংকট এড়াতে দেশটির সরকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগেভাগে বন্ধসহ জরুরি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানায় বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার পেছনে শুধু কূটনৈতিক প্রভাব বাড়ানোর লক্ষ্য নয়, বরং জ্বালানি সরবরাহের পথ স্বাভাবিক রাখাও বড় উদ্দেশ্য। 

এ বিষয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হতাশা রয়েছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা মধ্যস্থতার উদ্যোগ থেকে সরে আসছি। এতে আমরা অনেক বিনিয়োগ করেছি এবং এটি সচল রাখার স্বার্থ আমাদের রয়েছে।’

তবে আরেকজন পাকিস্তানি সূত্র রয়টার্সকে বলেন, ‘যুদ্ধের অবসান সবার স্বার্থে। কিন্তু সৌদি আরব যদি আমাদের সহায়তা চায়, তাহলে আমরা অবশ্যই তাদের পাশে দাঁড়াব—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’

উগান্ডায় স্কুল বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১

অনলাইন ডেস্ক
উগান্ডায় স্কুল বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১
ছবি : এক্স থেকে নেওয়া।

পূর্ব উগান্ডায় শিক্ষাসফরে যাওয়া শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিশুদের নিয়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর একটি এটি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাপচোরওয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসের কর্মীসহ আরো কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এরপর চেকওয়াটিট হিল সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই সড়কে এর আগেও একাধিক মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতদের মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী এবং স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক তাদেও সেকাডে রয়েছেন। পুলিশ জানায়, চালক বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে সেটি রাস্তা থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের একটি বড় পাথরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি এনডেজ্জের কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের বহন করছিল। তারা শিক্ষাসফর শেষে বাড়ি ফিরছিল।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তারা পর্যটন এলাকা সিপি জলপ্রপাত পরিদর্শন করে ফিরছিল। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেন এবং আহত শিশুদের হাসপাতালে পাঠান। প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রকাশ করা ভিডিওতে বাসটিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে।

ট্র্যাফিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উগান্ডায় প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত গতি, ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না করা যানবাহন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটিতে একাধিক বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে স্কুল পরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ শিক্ষার্থীবাহী বাস দুর্ঘটনা সেই উদ্বেগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইরানি হামলায় কুয়েতের পানি বিশুদ্ধকরণ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি হামলায় কুয়েতের পানি বিশুদ্ধকরণ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বশেষ হামলায় কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার ফলে স্থাপনাটিতে আগুন লাগে এবং এর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনার পরপরই দমকল বাহিনী দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমানে কারিগরি দল ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিটগুলো মেরামত এবং পুনরায় চালু করার কাজ করছে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে। একই সঙ্গে দেশের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনায় কুয়েত সরকার নাগরিক ও বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ভারতে স্কুলবাসে ট্রেনের ধাক্কা : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে স্কুলবাসে ট্রেনের ধাক্কা : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫
ছবি : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

মুর্শিদাবাদে যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে স্কুলভ্যানের সংঘর্ষে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে তিনজন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার খবর দেওয়া হয়েছিল।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরে মৃত্যু হয়েছে আরো দুই শিক্ষার্থীর। তাদের নাম, ইসানূর রহমান (৫) ও তামান্না পারভিন (৭)। এ ঘটনায় আরো পাঁচ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থানা এলাকার কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যবর্তী একটি লেভেল ক্রসিংয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের কারণ খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একটি ট্রেন চলে যাওয়ার পর রেলক্রসিংয়ের গেট খুলে দেওয়া হয়। এ সময় স্কুল ভ্যানটি লাইন পার হতে গেলে নিমতিতা-কাটোয়াগামী আরেকটি যাত্রীবাহী ট্রেন এসে ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ভ্যানটির দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ রেললাইনের ওপর ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনার পর কর্ণসুবর্ণ রেলক্রসিংয়ে গেটম্যানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রেল কর্তৃপক্ষ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা গেটম্যান ও একজন সুপারভাইজারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

এক রেল কর্মকর্তা জানান, কাটোয়া থেকে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দূরে কর্ণসুবর্ণ স্টেশনের কাছে স্কুলশিক্ষার্থী বহনকারী একটি ভ্যান রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি লোকাল ট্রেন সেটিকে ধাক্কা দেয়।

ঘটনার পর ঊর্ধ্বতন পুলিশ ও রেল কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গেটম্যানের অবহেলার অভিযোগসহ দুর্ঘটনার কারণ জানতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য গেটম্যানের অবহেলাকেই দায়ী করেছেন।