• ই-পেপার

ভারতে স্কুলবাসে ট্রেনের ধাক্কা : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

উগান্ডায় স্কুল বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১

অনলাইন ডেস্ক
উগান্ডায় স্কুল বাস দুর্ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১
ছবি : এক্স থেকে নেওয়া।

পূর্ব উগান্ডায় শিক্ষাসফরে যাওয়া শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিশুদের নিয়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর একটি এটি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাপচোরওয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসের কর্মীসহ আরো কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এরপর চেকওয়াটিট হিল সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই সড়কে এর আগেও একাধিক মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতদের মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী এবং স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক তাদেও সেকাডে রয়েছেন। পুলিশ জানায়, চালক বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে সেটি রাস্তা থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের একটি বড় পাথরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি এনডেজ্জের কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের বহন করছিল। তারা শিক্ষাসফর শেষে বাড়ি ফিরছিল।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তারা পর্যটন এলাকা সিপি জলপ্রপাত পরিদর্শন করে ফিরছিল। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেন এবং আহত শিশুদের হাসপাতালে পাঠান। প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রকাশ করা ভিডিওতে বাসটিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে।

ট্র্যাফিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উগান্ডায় প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত গতি, ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না করা যানবাহন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটিতে একাধিক বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে স্কুল পরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ শিক্ষার্থীবাহী বাস দুর্ঘটনা সেই উদ্বেগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইরানি হামলায় কুয়েতের পানি বিশুদ্ধকরণ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি হামলায় কুয়েতের পানি বিশুদ্ধকরণ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বশেষ হামলায় কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার ফলে স্থাপনাটিতে আগুন লাগে এবং এর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনার পরপরই দমকল বাহিনী দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমানে কারিগরি দল ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিটগুলো মেরামত এবং পুনরায় চালু করার কাজ করছে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে। একই সঙ্গে দেশের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনায় কুয়েত সরকার নাগরিক ও বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে সাংবাদিক জড়িত!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে সাংবাদিক জড়িত!

বিজয় থালাপাতির নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন সরকারকে হটাতে ষড়যন্ত্রের ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মাসের শেষ দিকে এ ষড়যন্ত্র ফাঁস হওয়ার পর তদন্তে নামে চেন্নাই পুলিশের একটি বিশেষ তদন্ত দল।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজন সিনিয়র টেলিভিশন সাংবাদিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তে তামিলনাড়ুর আগের ক্ষসতাসীন দল ডিএমকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সাবেক মন্ত্রী ও ডিএমকে নেতা সেন্থিল বালাজি ও তার ভাই অশোক বালাজিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে চেন্নাই পুলিশ।

সিনেসার নায়ক থেকে জননায়ক বনে যাওয়া জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থালাপাতি বিজয় নামে পরিচিত, গত ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরের মাসেই তার সরকারকে উৎখাত করতে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ও ইউটিউবার তিরুনাভুক্কারাসুকে সামনে রেখে বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র সাজানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য ও তাদের বিভিন্ন ডিভাইসের ফরেনসিক করে পুলিশ জানতে পেরেছে এ ষড়যন্ত্রের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্রজেক্ট মেঘালয়া’। ষড়যন্ত্রের মূল প্লট ছিল অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিজয়ের দল টিভিকের অন্তত ১৫ জন বিধায়ককে কিনে ফেলা। ফ্লোর ক্রসিঙের আইনী জটিলতা এড়াতে সরাসরি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা না এনে প্রথমে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। এরপর ১৫ জন বিধায়ক একসঙ্গে পদত্যাগ করলে বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতো।

গত নিবাচনে ১০৮টি আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় টিভিকে। তবে ২৩৪ আসনের বিধান সভায় সরকার গঠনের জন্য দরকার ছিল ১১৮টি আসন। কয়েকটি ছোট দলের সমর্থনে বিজয় তালিনাড়ুর ইতিহাসে প্রথমবারের মত জোট সরকার গঠন করেন।

জুন মাসের শেষ সপ্তাহে উথানগারাই কেন্দ্রের টিভিকে বিধায়ক এন ইলাইয়ারাজা-র সাথে তিরুনাভুক্কারাসু যোগাযোগ করেন। তিনি একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের বড় নেতাদের নাম করে ইলাইয়ারাজাকে বিধানসভায় দলীয় হুইপের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোট দেওয়ার প্রস্তাব দেন। বিনিময়ে তাকে ৩৫ কোটি রুপি দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। বিধায়ক ইলাইয়ারাজা সরাসরি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে, ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে এবং তার পরিবারকে খুনের হুমকি দিতে শুরু করে। হুমকিতে ভয় না পেয়ে বিধায়ক ইলাইয়ারাজা গত ২৯ জুন চেন্নাই পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এরপরই ফাঁস হয় ‘প্রজেক্ট মেঘালয়া’র খবর।

পুলিশ মূল অভিযুক্ত তিরুনাভুক্কারাসুসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের ফোন, চ্যাট রেকর্ড এবং ডিজিটাল ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষায় পুলিশ দেখতে পায় মূল অভিযুক্ত তিরুনাভুক্কারাসুর সাথে পুথিয়া থালাইমুরাই চ্যানেলের সিনিয়র সাংবাদিক বিজয়নের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার পুলিশ বিজয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং তার ফোনটি জব্দ করেছে। তবে চেন্নাই প্রেসক্লাব পুলিশের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে এটিকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দমন করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। ক্লাবটি জানিয়েছে যে, ১৫ জুলাই গভীর রাত পর্যন্ত বিজয়নেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সঠিক প্রক্রিয়া ছাড়াই তার ফোন জব্দ করা হয় এবং পর দিন আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। তবে পুলিশ জোর দিয়ে বলেছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিজয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী ও ডিএমকে নেতা সেন্থিল বালাজি ও তার ভাই অশোক বালাজির সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত মিলছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশ। সেন্থিল বালাজির সাথে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বৈরিতা পুরোনো। গতবছর সেপ্টেম্বরে কারুরে বিজয়েরে এক নির্বাচনী জনসভায় পদদলিত হয়ে ৪১ জন মারা যান। সে ঘটনার জন্য বিজয় ডিএমকে এবং সেন্থিলকে দায়ী করেছিলেন। সেন্থিল কারুর এলাকার প্রভাবশালী বিধায়ক। তবে ডিএমকে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের সাথে তাদেরর জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পুর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে।

সেতুর ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে টোল দেবে না কানাডা

অনলাইন ডেস্ক
সেতুর ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে টোল দেবে না কানাডা
ছবি: রয়টার্স

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, অন্টারিওর উইন্ডসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েটকে যুক্ত করা নতুন গর্ডি হাও সেতু থেকে আদায় হওয়া টোলের অর্থ শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগ করবে না কানাডা। তিনি জানান, সেতু নির্মাণে কানাডার করা পুরো বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পাওয়ার পরই টোল আয়ের ভাগাভাগি শুরু হবে। 

প্রায় ৪৭০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুর উদ্বোধন ঘিরে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ছে। একই সময়ে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি কানাডার দাবানল মোকাবিলার পদ্ধতি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজনীতিবিদ সমালোচনা করছেন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ২৭ জুলাই উদ্বোধনের জন্য নির্ধারিত গর্ডি হাও সেতু চালু নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য 'অনেক ভালো একটি চুক্তি' নিশ্চিত করেছেন। এরপর কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেন, আগে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র এই সেতু থেকে কোনো আয় পেত না, এখন দেশটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পাবে। এ নিয়ে কানাডার বিরোধী রাজনীতিবিদরা প্রধানমন্ত্রী কার্নির সমালোচনা করেন। তাদের অভিযোগ, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত সুবিধা দিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি বলেন, মিশিগানের সঙ্গে করা মূল চুক্তিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

কার্নি বলেন, ২০১২ সালের চুক্তি অনুযায়ী, সেতুর নির্মাণ খরচ পুরোপুরি বহন করেছে কানাডা। তাই বিনিয়োগের অর্থ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত টোল থেকে আসা পুরো আয় পাওয়ার অধিকার কানাডার রয়েছে। তিনি বলেন, 'সব ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত টোলের আয় ভাগাভাগি হবে না।' কার্নি জানান, সেতুর পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং তুষার পরিষ্কারের খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রথম ১৫ বছর কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র নিট আয় ভাগ করবে। তিনি বলেন, 'এসব খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রথম কয়েক বছরে নিট আয় খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।'তার মতে, যখন আয় ভাগাভাগি শুরু হবে, তখন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অংশের অর্থও আবার অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগ করা হবে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া নতুন সমঝোতার বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানেন—এমন দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, গত সপ্তাহে একটি সমঝোতা হয়েছে। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, টোল থেকে পাওয়া লাভের ৫০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র পাবে। সূত্রগুলো আরো জানায়, বর্তমান টোলের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব এলে যুক্তরাষ্ট্র তা আটকে দেওয়ার ক্ষমতা পাবে।

এদিকে কানাডার উত্তর অন্টারিওতে চলমান দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিশিগানের রিপাবলিকান নেতারা প্রধানমন্ত্রী কার্নির সমালোচনা করেছেন। মিশিগানের প্রতিনিধি  জ্যাক বার্গম্যান, জন জেমস, লিসা ম্যাকক্লেইন এবং জন মূলেনার অভিযোগ করেন, বন ব্যবস্থাপনা, আগুন ছড়ানোর ঝুঁকি কমানো এবং পরিকল্পিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা হয়নি। তারা আরো অভিযোগ করেন, অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনার বিরুদ্ধেও যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দাবানল নিয়ে সমালোচনার জবাবে কার্নি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখা উচিত। তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন বড় কারণ। কার্নি বলেন, 'জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা দরকার। এই দায়িত্ব সবার। সত্যিই সবার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে।'

কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক অধ্যাপক ফেন হ্যাম্পসন মনে করেন, গর্ডি হাও সেতুর চুক্তি কানাডার জন্য একটি সাফল্য। তিনি বলেন, যখন টোল আয় ভাগাভাগির পর্যায় আসবে, তখন ভাগ করার মতো খুব বেশি অর্থ নাও থাকতে পারে। কারণ এর আগেই কানাডা নিজের বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিতে পারবে। হ্যাম্পসনের মতে, ট্রাম্প যদি মনে করেন তিনি কানাডাকে ছাড় দিতে বাধ্য করেছেন, সেটিও কানাডার জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। তিনি বলেন, ট্রাম্পকে মনে করতে দেওয়াই ভালো যে তিনি জিতেছেন। না হলে তিনি প্রতিশোধমূলক অবস্থান নিতে পারেন।' তবে কানাডার বিরোধী কনজারভেটিভ দলের সংসদ সদস্য শুভালয় মজুমদার এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন। গত সপ্তাহে সরকারকে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি চুক্তিটিকে 'ভয়াবহ চুক্তি' বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কানাডার জনগণের পুরো চুক্তি দেখার অধিকার রয়েছে। পাশাপাশি সেতু নির্মাণের খরচ, আর্থিক হিসাব এবং যুক্তরাষ্ট্রকে কী কী সুবিধা দেওয়া হয়েছে—সেসব বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা উচিত।