• ই-পেপার

শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় মুখ খুললেন তানজিন তিশা

ভেঙে গেল অভিনেত্রী ঊর্মিলার ১৫ বছরের সংসার

বিনোদন ডেস্ক
ভেঙে গেল অভিনেত্রী ঊর্মিলার ১৫ বছরের সংসার
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যজীবনের ইতি টানলেন মারাঠি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি আদীনাথ কোথারে ও ঊর্মিলা কানেটকর। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে তারা পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানাতে সবার প্রতি অনুরোধ করেছেন।

যৌথ বিবৃতিতে আদীনাথ ও ঊর্মিলা বলেন, অনেক ভাবনাচিন্তার পর তারা বন্ধুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনকভাবে নিজেদের পথ আলাদা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তাদের দাম্পত্যের ইতি ঘটলেও মেয়ে জিজাহই তাদের জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে থাকবে।

তারা লিখেছেন, ‘আমাদের দাম্পত্যের পথচলা শেষ হলেও মেয়ে জিজাহর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা অটুট। আমরা দুজনই যৌথভাবে তার লালন-পালন করব, যাতে সে ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও সমর্থনের পরিবেশে বড় হতে পারে।’

বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, একসঙ্গে কাটানো দীর্ঘ সময়ের স্মৃতি ও সম্পর্কের প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম এবং ভক্তদের কাছ থেকে এতদিন যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন, ভবিষ্যতেও সেটি অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

বিবৃতির শেষে তারা বলেন, ‘আমাদের বন্ধু, সংবাদমাধ্যম এবং সবার কাছে অনুরোধ, এই সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। এ বিষয়টি নিয়ে এটিই আমাদের একমাত্র বক্তব্য। এরপর আর কোনো মন্তব্য করব না। আপনাদের উষ্ণতা ও বোঝাপড়ার জন্য ধন্যবাদ।’

গত কয়েক মাস ধরেই আদীনাথ ও ঊর্মিলার দাম্পত্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ২০২৫ সালের শেষ দিকে বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে তাদের আলাদা থাকার খবর প্রকাশিত হলেও তখন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি কেউই।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ঊর্মিলা জানিয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘বিষাক্ত’ আলোচনায় তিনি গুরুত্ব দেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, অনলাইনে প্রচারিত সব তথ্য বিশ্বাস করা উচিত নয়।

২০০৬ সালে ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় প্রথম পরিচয় হয় আদীনাথ কোথারে ও ঊর্মিলা কানেটকরের। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন আদীনাথের বাবা মহেশ কোথারে। ওই সিনেমার মাধ্যমেই অভিনয়ে অভিষেক হয় ঊর্মিলার। দীর্ঘ প্রেমের পর ২০১১ সালে বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। ২০১৮ সালে তাদের কন্যাসন্তান জিজাহর জন্ম হয়।

অভিনয়জীবনে ঊর্মিলা ‘দুনিয়াদারি’, ‘মালা আই ভ্হায়চি!’ ও ‘তি সধ্যা কায় কারতে’সহ একাধিক জনপ্রিয় মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পাশাপাশি হিন্দি ও তেলেগু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। অন্যদিকে আদীনাথ কোথারে অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক—তিন ভূমিকাতেই মারাঠি চলচ্চিত্রে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।

বর্তমানে আদীনাথের হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি আলোচিত প্রকল্প। পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ‘রামায়ণ’ সিনেমায় তিনি ভারত চরিত্রে অভিনয় করছেন। এ ছাড়া হানসাল মেহতার ‘গান্ধী টকস’ সিনেমাতেও দেখা যাবে তাকে।

দেশে মুক্তি পেল ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’

বিনোদন প্রতিবেদক
দেশে মুক্তি পেল ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’
সংগৃহীত ছবি

হলিউডের খ্যাতিমান নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন সিনেমা মানেই বিশ্বজুড়ে সিনেমাপ্রেমীদের বাড়তি উন্মাদনা। ব্যতিক্রমী গল্প বলার ধরণ, দুর্দান্ত নির্মাণশৈলী এবং প্রযুক্তির অভিনব ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি বরাবরই দর্শকদের জন্য তৈরি করেছেন ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা। 

সেই ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেল তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’। সুখবর হলো, আন্তর্জাতিক মুক্তির দিন ১৭ জুলাই (শুক্রবার) থেকেই বাংলাদেশের দর্শকরাও স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি উপভোগ করতে পারবেন।

প্রায় তিন হাজার বছর আগে রচিত গ্রিক কবি হোমারের অমর মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে এই উচ্চাভিলাষী চলচ্চিত্র। কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গ্রিক বীর ওডিসিউস। ট্রোজান যুদ্ধে দীর্ঘ এক দশক কাটানোর পর নিজের রাজ্য ইথাকায় ফেরার পথে শুরু হয় তাঁর আরেক যুদ্ধ—ভাগ্য, প্রকৃতি এবং অতিপ্রাকৃত শক্তির বিরুদ্ধে টিকে থাকার যুদ্ধ। ভয়ংকর সমুদ্রযাত্রা, অচেনা দ্বীপ, পৌরাণিক প্রাণী, দেব-দেবীর অভিশাপ এবং অসংখ্য প্রতিকূলতা অতিক্রম করে প্রায় ২০ বছর পর ঘরে ফেরার সংগ্রামই এই মহাকাব্যের মূল উপজীব্য।

সিনেমাটিতে ওডিসিউস চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। তাঁর ছেলে টেলিমাকাসের ভূমিকায় রয়েছেন টম হল্যান্ড এবং স্ত্রী পেনেলোপের চরিত্রে দেখা যাবে অ্যান হ্যাথাওয়েকে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রবার্ট প্যাটিনসন, জেন্ডায়া, শার্লিজ থেরন, মিয়া গোথ, বেনি সাফডি ও জন বার্নথালসহ একঝাঁক তারকা।

‘দ্য ডার্ক নাইট’ ট্রিলজি, ‘ইনসেপশন’, ‘ইন্টারস্টেলার’ ও ‘ওপেনহাইমার’-এর মতো আলোচিত সিনেমার নির্মাতা নোলান এবারও নির্মাণের পরিসরে নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছেন। বিশাল বাজেটের এই চলচ্চিত্রের শুটিং হয়েছে মরক্কো, গ্রিস, ইতালি ও আইসল্যান্ডসহ একাধিক দেশে। যুদ্ধের দৃশ্য, বিশাল সেট নির্মাণ এবং অ্যাকশন সিকোয়েন্স বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলতে মাসের পর মাস পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নিজের নতুন সিনেমা নিয়ে নোলান বলেন, ‘প্রতিটি ছবিরই নিজস্ব চ্যালেঞ্জ থাকে। কিন্তু এই ছবিতে যেন প্রতিটি ধাপেই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘দ্য ওডিসি’-ই তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে কঠিন এবং সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রজেক্ট। 

তাঁর মতে, গ্রিক কবি হোমারের অমর মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’-কে সিনেমায় রূপ দেওয়া সহজ ছিল না। বরং তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ছবি নির্মাণ করতে গিয়ে।

টেলিমাকাস চরিত্রে অভিনয় করা টম হল্যান্ডও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, ‘মনে হচ্ছিল আমি যেন কোনও সিনেমার সেটে নয়, ইতিহাসের এক অধ্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি।’

অন্যদিকে, ওডিসিউস চরিত্রে অভিনয় করা ম্যাট ডেমন জানান, এত বড় পরিসরের আয়োজন তিনি হলিউডে খুব কমই দেখেছেন। ট্রয়ের পতনের একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, চারদিকে আগুনে জ্বলছে বাড়িঘর, হাজারো এক্সট্রা শিল্পী যুদ্ধ করছে, আগুনের মধ্য দিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন অভিনেতারা। পরে সিনেমাটোগ্রাফার তাঁকে মনে করিয়ে দেন, এত বিশাল আয়োজন আসলে পুরো সিনেমার একটি ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্যের জন্যই নির্মাণ করা হয়েছিল।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও ‘দ্য ওডিসি’ নোলানের ক্যারিয়ারে নতুন এক মাইলফলক। এটি তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা সম্পূর্ণভাবে আইম্যাক্স ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। 

নোলানের লক্ষ্য ছিল দর্শকদের সবচেয়ে বাস্তব ও নিমগ্ন সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়া। সব মিলিয়ে নির্মাণের পরিসর, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তারকাবহুল অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতিতে ‘দ্য ওডিসি’ যে চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র হতে যাচ্ছে, তা বলাই যায়।

সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট ‘সেলিনা জেটলি’র

অনলাইন ডেস্ক
সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট ‘সেলিনা জেটলি’র
সংগৃহীত ছবি

বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। পুরনো একটি ভিডিও শেয়ার করে নিজের কষ্ট, মানসিক আঘাত ও সুস্থ হয়ে ওঠার সংগ্রামের কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ভিডিওতে ছেলেদের সঙ্গে সময় কাটানোর পুরনো মুহূর্ত দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে সেলিনা লেখেন, ‘ভাঙা টুকরোগুলোও যে আরো ভেঙে যেতে পারে, তা নিজের হৃদয় দেখার আগে বুঝিনি। আমার তিন ছেলেকে মিস করছি। তাদের আবার জীবনে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেলিনা বলেন, ‘মানুষ তাকে শক্ত মনে করলেও কষ্ট ও মানসিক আঘাত তাকে শক্ত করেনি। বরং বারবার ভেঙে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বলে, মানসিক আঘাত তোমাকে শক্ত করেছে। কিন্তু এটা সত্য নয়। মানসিক আঘাত আমাকে গড়ে তোলেনি, বরং ভেঙে দিয়েছে।

যখনই মনে হয় তিনি নিজেকে সামলে নিয়েছেন, তখনই পুরোনো ক্ষত আবার জেগে ওঠে। স্মৃতি ফিরে আসে এবং হৃদয়ে নতুন করে কষ্ট হয়।’

এমন পরিস্থিতিতে তিনি কিছুটা নিজেকে গুটিয়ে নেন। নিজের কষ্ট থেকে পালানোর জন্য নয়, বরং তা সামলে বেঁচে থাকার জন্যই এমন করেন বলে জানান অভিনেত্রী।

সেলিনা বলেন, ‘মানসিক আঘাত তার জীবনের কিছু অংশ ও নিজের পরিচয়ের কিছুটা কেড়ে নিয়েছে। তবে মানুষ তার মধ্যে যে শক্তি দেখে, তা কষ্ট থেকে আসেনি। বরং প্রতিবার ভেঙে পড়ার পরও সুস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেই সেই শক্তি এসেছে।’

এদিকে, স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে সেলিনার। গত বছর অস্ট্রিয়ার আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন পিটার।

সম্প্রতি সেলিনার অভিযোগের ভিত্তিতে পিটারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুম্বাই পুলিশ। শারীরিক নির্যাতন, নিষ্ঠুরতা, হুমকি ও দীর্ঘদিনের হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পিটার হাগকে বিয়ে করেন সেলিনা জেটলি। ২০১২ সালে তাদের যমজ ছেলে হয়। ২০১৭ সালে আবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন সেলিনা। তবে তাদের একজন জন্মের কিছুদিন পর মারা যায়।

শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন সোহেল খান

অনলাইন ডেস্ক
শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন সোহেল খান
সংগৃহীত ছবি

শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সোহেল খান। দীর্ঘদিন বিষয়টি নিজের মধ্যে চেপে রাখার পর প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে বাবার কাছে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি ‘অ্যালায়েন্স’ রিয়েলিটি শোর এক পর্বে এ কথা জানান সোহেল খান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সন্তানদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সোহেল বলেন, তিনি র‍্যাগিং ও বুলিংয়ের ঘোর বিরোধী। ছেলেরা কোনো সমস্যায় পড়লে বা কেউ তাদের অস্বস্তিতে ফেললে যেন নির্দ্বিধায় তাকে জানায়—সব সময় এ কথা বলেন তিনি।

সোহেল জানান, ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া ওই ঘটনা তিনি বহু বছর কাউকে বলেননি। বড় হওয়ার পর বাবার কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান। তখন নিজের মধ্যে লজ্জা ও সংকোচ কাজ করত বলেও জানান এই অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‘ভুলটা আমার ছিল না। কিন্তু তখন মনে হতো লজ্জাটা যেন আমারই।’

সোহেলের এই বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানের অন্য প্রতিযোগীরা তার সাহসের প্রশংসা করেন।

এদিকে, অনুষ্ঠানে সাবেক স্ত্রী সীমা সাজদেহের সঙ্গেও সোহেলের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। ২০২২ সালে বিচ্ছেদ হলেও দুই ছেলে নির্বাণ ও ইয়োহানের দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করছেন তারা।

শোতে সোহেল জানান, সীমার প্রতি তার ভালোবাসার চেয়েও এখন বেশি সম্মান রয়েছে। তাদের সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে এই অনুষ্ঠানও ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।