• ই-পেপার

ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহারের মৃত্যুতে সাদা দলের শোক

ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার আর নেই
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি  ।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, অধ্যাপক নাজমুন নাহারের মরদেহ আজ শনিবার দুপুর ১২টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে নেওয়া হবে। পরে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। 

‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সফলে ঢাবিতে ছাত্রদলের প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সফলে ঢাবিতে ছাত্রদলের প্রচারণা
তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচির প্রচারণায় ঢাবিতে প্ল্যাকার্ড সাঁটাচ্ছে ছাত্রদল।

‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচিকে সফল করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মধুর ক্যান্টিন সংলগ্ন আইবিএ ভবনের সামনের দেয়ালে কর্মসূচি-সংক্রান্ত প্রচারণামূলক প্ল্যাকার্ড সাঁটানো হয়। এ প্রচারণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের প্রায় ৬০-৭০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা আগামী কর্মসূচিকে সফল করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মসূচি শেষে মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের তারুণ্য। এই তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নকে বিকশিত করার মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি সেই লক্ষ্যেই একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এ কর্মসূচিকে আন্তরিকভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর বিশ্বাস—রাজনীতির পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। আমরা সেই বার্তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যে জাতি তারুণ্যের স্বপ্নকে মূল্যায়ন করে, সেই জাতিই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেয়। তাই তরুণদের কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সব সময় ইতিবাচক, সৃজনশীল ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের পাশে থাকবে।’

নেতাকর্মীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে, যাতে অধিকসংখ্যক তরুণ এ উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে ও সম্পৃক্ত হতে পারেন।

রাজশাহীতে ইআবির সেমিনার ও জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া

অনলাইন ডেস্ক
রাজশাহীতে ইআবির সেমিনার ও জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ‘মাদরাসায় উচ্চশিক্ষা : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার এবং জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭জুলাই) রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কামিল স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাদরাসা শিক্ষাকে আরো গবেষণামুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক করতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে পারলেই মাদরাসা শিক্ষার্থীরা জাতীয় উন্নয়নে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ভাইস চ্যান্সেলর।

এ সময় ভাইস চ্যান্সেলর উপস্থিত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, মাদরাসার সার্বিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আত্মসমালোচনা ও আত্মমূল্যায়নের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে নিয়মিত ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় সব মাদরাসায় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত ও শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে মাদরাসাগুলোতে ইবতেদায়ি শাখা চালুরও পরামর্শ দেন তিনি।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের শহীদরা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নতুন প্রজন্মকে তাদের আদর্শ, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষার সামনে যেমন ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। আধুনিক শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে মাদরাসা শিক্ষাকে আরো যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।’

সেমিনারে কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে আরো বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার  শাহীনুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক মো. নওসের আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জনাব ফাহাদ আহমদ মোমতাজী।

এ ছাড়া সেমিনারে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন জেলা থেকে আগত অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির প্রতিনিধিরা মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠান শেষে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাবিতে জুলাই বিপ্লববিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ১৯ জুলাই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে জুলাই বিপ্লববিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ১৯ জুলাই
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) জুলাই বিপ্লববিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন (আইসিজেআর-২, ২০২৬) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ডাকসু ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম, কার্যনির্বাহী সদস্য মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ এবং রিসার্চ অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড থটের (আরআইটি) প্রতিনিধি ড. আকরাম। এ সময় ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর লিগ্যাসি: জবাবদিহি, সংস্কার ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’। সম্মেলনে জুলাই বিপ্লবের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও অধিকারভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন, সে বিষয়ে মতবিনিময় করবেন দেশ-বিদেশের গবেষক, শিক্ষক ও নীতিনির্ধারকরা।

ঢাকাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আরআইটি, ডাকসু, ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এবং সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের যৌথ আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর সঙ্গে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিক সমাজও যুক্ত রয়েছে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে জুলাই আন্দোলনে শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা ও সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করবেন। উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন আইসিজেআর-২-এর আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশারফ হোসাইন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের প্রতিনিধি হুমা খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মঈনুল ইসলাম চৌধুরী।

এ ছাড়া অতিথি হিসেবে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী এবং সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্লা উপস্থিত থাকবেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে একটি বিশেষ প্রোটোকল সেশনও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্মেলনে পাঁচটির বেশি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন ১৫ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ। মূল প্রবন্ধের পাশাপাশি এতে বাছাই করা ৮০টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। সম্মেলনের প্রথম প্লেনারি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন আরআইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল। এতে সম্মেলনের ঘোষণা উপস্থাপন করবেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনার সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ এবং সমাপনী বক্তব্য দেবেন আরআইটির নির্বাহী পরিচালক ড. একরাম উদ্দিন।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই সম্মেলন জুলাই বিপ্লবের অপূর্ণ কাজ, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও মানবাধিকার সুরক্ষা নিয়ে গবেষণাভিত্তিক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠবে।