• ই-পেপার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বসুন্ধরা শুভসংঘ গোবিপ্রবি শাখার

নান্দাইলে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
নান্দাইলে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে ২০ জন বিধবা, অসচ্ছল, দরিদ্র নারী ও শিক্ষার্থী অংশ নেন। সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তিন মাসব্যাপী চলবে। দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. হাতেম আলী হুমায়ুন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে নান্দাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রশিক্ষণার্থী ও বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। 

কালের কণ্ঠের ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি আলম ফরাজীর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল খালেক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত। 

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহা, নান্দাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল, সমাজসেবক আতাউর রহমান বাচ্চু, শিক্ষক একে রমিজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সাংবাদিক ফরিদ মিয়াসহ অনেকেই।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া এক অসচ্লছ নারী বলেন, অসুস্থ স্বামীসহ সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পেলে কাজ করে সংসারের খরচ চালাতে পারব। 

তিনি বলেন, অনেক কষ্টে জীবন পার করছি। এমন অবস্থায় এই প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে শিখে একটি সেলাই মেশিন পেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব। জীবন চালাতে হয়তো আর কষ্ট করতে হবে না।

ভাবনা রানী বর্মন শর্শী নামে সেলাই প্রশিক্ষণার্থী একজন জানান, বছর দু’য়েক আগে তার বাবা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর থেকে পুরো পরিবারে নেমে আসে অন্ধকার। মা স্থানীয় একটি জীবন বীমায় সামান্য বেতনে কাজ করেন। মা সেলাইয়ের কাজ জানলেও একটি মেশিনের অভাবে কাজ করতে পারছিলেন না। এখন বসুন্ধরা শুভসংঘ এই সুযোগ করে দিয়েছে। আশা করছি, ভালোভাবে শিখে সেলাই মেশিনটা পাবো।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরিদ্র নারী ও শিক্ষার্থীদের সচ্ছলতায় ফিরিয়ে আনতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশেষ অতিথি বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহা বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে, অসচ্ছল নারীদের সচ্ছলতায় আনতে এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে কাজ করে যাচ্ছে। সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন প্রদান কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে একটি বড় সহায়ক।

প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত বলেন, তিনি একজন নারী হয়ে বুঝতে পারেন নারীদের হাতে টাকা না থাকলে তারা বড়ই অসহায়। নিজে কিছু না করতে পারলে বর্তমান সমাজে পরিবার ছাড়াও অনেকেই তুচ্ছ তাচ্ছিছল্য করে। বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অসহায় ও অসচ্ছল নারীরা উদ্যোক্তা তৈরি হবেন। বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘকে দেখে আসছি তারা এর আগেও নান্দাইলে বেশ কয়েকবার প্রশিক্ষণ দিয়ে অসচ্ছল নারীদের সেলাই মেশিন দিয়েছে। খবর আছে ওই নারীরা এখন সাবলম্বী হয়েছেন। অনেকেই সেলাই কাজ করে তাদের সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন। আশা করি, আগামীতেও বসুন্ধরা শুভসংঘ এই ধারা অব্যাহত রাখবে।

গলাচিপায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতায় আলোচনাসভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গলাচিপায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতায় আলোচনাসভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বন্যা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপদ জীবনযাপন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা  উপজেলা শাখার উদ্যোগে ‘বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গলাচিপা উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব মো. তরিকুল ইসলাম মুন্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের জেলা সমন্বয়ক ও কালের কণ্ঠ পত্রিকার গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি মো. সাইমুন রহমান এলিট।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মাও. মো. শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য প্রভাষক মো. হুমায়ুন কবির, নাগরিক টিভির গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি মো. হুজ্জাতুল ইসলাম, সদস্য মো. হামিদুল ইসলাম, উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসাইন, সহকারী শিক্ষিকা গৌরীরানী পাল, রেসমা আক্তার ও স্থানীয় এম এ মান্নাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শুভসংঘের সদস্যরা।

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, চর্মরোগ, সাপের কামড়সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার। তাই সবাইকে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে, খাবার ভালোভাবে ঢেকে রাখতে হবে, সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুতে হবে এবং পানি ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, বন্যায় জমে থাকা বা দূষিত পানিতে অপ্রয়োজনে চলাফেরা না করা, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং অসুস্থতা দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই অনেক রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন হয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সভা শেষে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে ভবিষ্যতেও জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বসুন্ধরা শুভসংঘের নেতৃবৃন্দ।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় অর্ধশত পরিবারের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় অর্ধশত পরিবারের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেলেও অনেক মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নষ্ট হয়েছে খাদ্যসংগ্রহ, বন্ধ হয়ে গেছে জীবিকার পথ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন একাকী, প্রবীণ ও নিম্নআয়ের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে বন্যাকবলিত আরো প্রায় অর্ধশত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ বান্দরবান জেলা শাখা।

বুধবার (১৫ জুলাই) বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্রিছড়ামুখ তঞ্চঙ্গ্যা পাড়া, কোলক্ষ্য হেডম্যান পাড়া ও বিক্রিছড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে একাকী ও অসহায় প্রবীণ মংচাখয় মারমাকে দেওয়া হয় নগদ আর্থিক সহায়তা।

৭৬ বছর বয়সী মংচাখয় মারমা দীর্ঘদিন ধরে একাই বসবাস করছেন। তার দেখাশোনার মতো কোনো নিকটাত্মীয় নেই। সাম্প্রতিক বন্যায় তার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জীবিকার অবলম্বনও নষ্ট হয়ে যায়। খবর পেয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা তার বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ তুলে দেন। সংগঠনের সদস্যদের এই উপস্থিতি প্রবীণ মানুষটির জন্য ছিল দুর্যোগের সময় এক বড় ধরনের মানসিক সাহসও।

স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি এলাকার অনেক পরিবার এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। দুর্গম হওয়ায় অনেক স্থানে সহায়তা পৌঁছাতে সময় লাগছে। বিশেষ করে প্রবীণ, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষের সংকট আরো প্রকট হয়ে উঠেছে। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

ত্রাণসামগ্রীর প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল, লবণ এবং একটি ফ্যামিলি প্যাক বিস্কুট দেওয়া হয়, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অন্তত কয়েক দিনের খাদ্যসংকট মোকাবিলা করতে পারে।

বিক্রিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বসন্ত কুমার চাকমা বলেন, বন্যার কারণে দুর্গম এলাকার মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে অসহায় ও প্রবীণ মানুষদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। বসুন্ধরা শুভসংঘের এই মানবিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার এবং সমাজের অন্যদের জন্যও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

বসুন্ধরা শুভসংঘ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক ও বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি উয়ই সিং মার্মা বলেন, মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকাই বসুন্ধরা শুভসংঘের অঙ্গীকার। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করার লক্ষ্যেই আমরা এই ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। বিশেষ করে পরিবারহীন ও অসহায় প্রবীণ মংচাখয় মারমার মতো মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও দুর্গম এলাকার অসহায় ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এর আগে একই মানবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুন্ধরা শুভসংঘ  বান্দরবান জেলা শাখা  বন্যাকবলিত এলাকায় ৬০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছিল। ধারাবাহিক সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এবার আরও প্রায় অর্ধশত পরিবারের কাছে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হলো।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক ও বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি উয়ই সিং মার্মা, জেলা শাখার সদস্য ওয়াইমং মারমা, সুলতানুল আরেফিন, মহিউদ্দিন হোসেন, উবাসাইং মারমা, কোহই খুমীসহ সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

ত্রাণসামগ্রী ও সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের আশা, দুর্গত মানুষের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন একইভাবে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে।

অনলাইন জুয়া ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

মো. নাঈম রহমান, লালমনিরহাট
অনলাইন জুয়া ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে ‘অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত সভায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন জুয়া ও মাদকের ভয়াবহতা, সামাজিক ও ব্যক্তিগত ক্ষতিকর প্রভাব এবং এ থেকে দূরে থাকার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার মতো সামাজিকব্যাধি তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ বিষয়ে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজ শাখার উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক মুন্নী বেগম এবং সহকারী অধ্যাপক কংকর চন্দ্র বর্মণ। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং একটি সুন্দর, মাদকমুক্ত ও নৈতিক সমাজ গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

লালমনিরহাট সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মো. সৌরভ ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোছা. তাসনিম জাহানের সঞ্চালনায় 
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম রহমান, কলেজ শাখার সহ-সভাপতি হরপদ রায় ও নিশান মিয়া, প্রচার সম্পাদক মো. সেকেন্দার আলী, কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক প্রকাশ রায়, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সাগর রায়, ক্রীড়া সম্পাদক দীপক কুমার, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. তৌফিক ইসলাম এবং সদস্যবৃন্দ নাইম, নয়ন, জুয়েল, রাফি, নাজমুল, নাইম, জাকির, মো. মোরসেদ, নয়ন চন্দ্র, মিদুল, রতন, রাম কৃষ্ণ, তাসনিম, সম্পা, মিতালি, রাজ্জাক, আবু বক্কর ও শংকর।

আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সবাই অনলাইন জুয়া ও মাদক থেকে নিজেদের এবং সমাজকে দূরে রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।