• ই-পেপার

দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরেও থামছে না যমুনার ভাঙন

ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে সিলেট উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : মন্ত্রী আরিফুল

অনলাইন ডেস্ক
ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে সিলেট উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : মন্ত্রী আরিফুল
ফাইল ছবি

ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে সিলেট একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন। তিনি জানান, সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। 
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে সিলেটের চালিবন্দর মহাশ্মশান কমপ্লেক্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান এবং ধর্মীয় গুরুদের দিকনির্দেশনার মাধ্যমে যুবসমাজকে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যাতে তারা বিপথগামী না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, ভারতের সহকারী হাইকমিশনারসহ শ্মশান কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা মহাসড়কে বাসে ডাকাতি, টাকা-মোবাইল লুট

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা মহাসড়কে বাসে ডাকাতি, টাকা-মোবাইল লুট
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা মহাসড়কের দামুড়হুদা উপজেলা সদরের ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজের অদূরে ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সংঘবদ্ধ একদল ডাকাত পূর্বাশা পরিবহনের একটি বাসসহ কয়েকটি যানবাহনে ডাকাতি চালায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে প্রথমে তারা দামুড়হুদা দশমী গ্রামের নস্কর আলীর ছেলে ভ্যানচালক জুব্বারের পথরোধ করে তার কাছ থেকে নগদ ৩৪০ টাকা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতরা পূর্বাশা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডাকাতরা মহাসড়কে আতঙ্ক সৃষ্টি করে লুটপাট চালায়। এ সময় দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই উত্তম ওই এলাকায় টহলরত ছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি শেখ মেসবাহউদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ডাকাতির ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

চট্টগ্রাম

স্যাটেলাইট নগর পরিকল্পনায় যুক্ত হচ্ছে পটিয়াসহ ৫ উপজেলা

কাউছার আলম, পটিয়া (চট্টগ্রাম)
স্যাটেলাইট নগর পরিকল্পনায় যুক্ত হচ্ছে পটিয়াসহ ৫ উপজেলা

চট্টগ্রাম মহানগরীর ক্রমবর্ধমান জনচাপ, আবাসন সংকট, যানজট এবং অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণের চাপ কমাতে শহরের বাইরে পরিকল্পিত স্যাটেলাইট নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এ পরিকল্পনায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা পটিয়াসহ আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বোয়ালখালী ও হাটহাজারীকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

গত (৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বোর্ড সভায় এ বিষয়ে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিডিএর বোর্ড সদস্য নজরুল ইসলাম।

এদিকে, এই উদ্যোগকে ঘিরে এরই মধ্যে দক্ষিণ চট্টগ্রামে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, চট্টগ্রাম শহরকেন্দ্রিক উন্নয়নচাপ ভাগ করে নিতে হলে শুধু নগরসীমার ভেতরে প্রকল্প নিলেই হবে না আশপাশের সম্ভাবনাময় উপজেলাগুলোকে পরিকল্পিত আবাসন, শিল্প, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ অবকাঠামোসহ আধুনিক উপশহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেই বাস্তবতায় পটিয়ার নাম উঠে আসা নিঃসন্দেহে বড় তাৎপর্যপূর্ণ।

সিডিএ বোর্ড সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম শহরের ওপর ক্রমাগত বাড়তে থাকা চাপ কমাতে স্যাটেলাইট শহর গঠনের বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। ওয়ান সিটি টু টাউন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ পাঁচটি উপজেলাকে সিডিএ’র আওতায় আনা হবে। বৃহস্পতিবারের বোর্ড সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বোয়ালখালী ও হাটহাজারীকে পরিকল্পনার আওতায় বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরের সম্প্রসারণ এখন আর শুধু নগরকেন্দ্রিক ভাবনায় আটকিয়ে রাখলে চলবে না। নগরের সঙ্গে যোগাযোগ, আবাসন, শিল্প ও নাগরিকসেবাকে সমন্বয় করে আশপাশের উপজেলাগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। স্যাটেলাইট নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে নগরের জনচাপ যেমন কমবে, তেমনি নতুন অর্থনৈতিক কেন্দ্রও গড়ে উঠবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান (২০২৫-২০৫০) শীর্ষক ২৫ বছরমেয়াদি এই পরিকল্পনায় এ ৫ উপজেলায় বিশেষায়িত শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। পরিকল্পনাটি প্রণয়ন করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এর মাধ্যমে বন্দর নগরীকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তৈরি করা হয়েছে এই দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত রূপরেখা।

অপর দিকে, দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত পটিয়া দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষাগত ও যোগাযোগগত গুরুত্ব বহন করে আসছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত এই উপজেলা একদিকে নগরের খুব কাছাকাছি, অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তৃত জনপদের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে পরিকল্পিত নগর সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে পটিয়া ভৌগোলিকভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

পটিয়ায় এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ব্যবসা-বাণিজ্য, আবাসন, ব্যাংকিং, বাজারব্যবস্থা ও আঞ্চলিক প্রশাসনিক কার্যক্রমের বিস্তার ঘটেছে। সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে এই উপজেলাকে আবাসননির্ভর উপশহর হিসেবে সমন্বিত পরিকল্পিত নগরকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, চট্টগ্রাম শহর এখন জনসংখ্যা, যানবাহন, বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অতিরিক্ত চাপ বহন করছে। নগরের কেন্দ্রভাগে বসবাস ও ব্যবসা-বাণিজ্যের চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে; অথচ সড়ক, ড্রেনেজ, পার্কিং, আবাসন ও গণপরিবহন অবকাঠামো সেই তুলনায় প্রসারিত হয়নি। ফলে শহরের চাপ কমাতে বিকল্প পরিকল্পিত নগরায়ণ এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং বাস্তব প্রয়োজন।

এই বাস্তবতায় চট্টগ্রামের চারপাশে স্যাটেলাইট নগর গড়ে তোলা গেলে নগরের আবাসনচাপ কমবে, নতুন শিল্প ও সেবা খাত গড়ে উঠবে, পাশাপাশি নাগরিক সুবিধাও ছড়িয়ে পড়বে শহরের বাইরে। এর ফলে কেন্দ্রভিত্তিক উন্নয়নের পরিবর্তে বহুকেন্দ্রিক নগর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে নতুন উপশহর গড়ে তোলা গেলে মূল নগরের ওপর জনসংখ্যা, আবাসন ও যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এতে চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পটিয়াকে স্যাটেলাইট নগরের আওতায় আনা হলে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প, আধুনিক সড়ক ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোর সম্প্রসারণ, বাণিজ্যিক জোন, আইটি বা সার্ভিস হাব, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পাঞ্চল, বিনিয়োগবান্ধব অবকাঠামো এবং আধুনিক নাগরিক সেবা। একই সঙ্গে পটিয়াকে ঘিরে নতুন আবাসিক এলাকা, বহুতল বাণিজ্যিক স্থাপনা, পরিবহন টার্মিনাল, গুদামজাতকরণ সুবিধা, স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান ও পরিবেশবান্ধব নগর অবকাঠামো গড়ে তোলার সুযোগও তৈরি হতে পারে। ফলে এটি শুধু আবাসনের বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের জন্য একটি নতুন অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিককেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, পটিয়াকে স্যাটেলাইট নগরের অন্তর্ভুক্ত করা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক, তবে এটি কেবল ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে প্রত্যাশা পূরণ হবে না। প্রয়োজন হবে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, পরিবেশগত প্রভাব যাচাই, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, গণপরিবহন নেটওয়ার্ক, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ, বর্জ্যব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অবকাঠামো এবং শিল্প-বাণিজ্যিক জোনিং সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনায় এনে একটি দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন।

অন্যদিকে, পটিয়াবাসীর প্রত্যাশা, সিডিএর এই উদ্যোগ যেন কেবল সভার আলোচনায় সীমাবদ্ধ না থাকে। খুব দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রাথমিক নকশা, জমি ব্যবহারের কাঠামো, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের ধাপভিত্তিক রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ, ভূমি বিশেষজ্ঞ ও নগর পরিকল্পনাবিদদের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য পরিকল্পনা তৈরি করা প্রয়োজন।

পরিকল্পিতভাবে এগোতে পারলে পটিয়া শুধু চট্টগ্রাম শহরের চাপ কমানোর অংশীদারই হবে তা নয়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ আধুনিক নগর বিকাশের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।

বীরগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
বীরগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হরিবাসরপাড়াসংলগ্ন একটি ভাড়াবাসা থেকে অরুণ চন্দ্র সেন (২৬) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত অরুণ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর এলাকার জ্যোতিষ চন্দ্র সেনের ছেলে। তিনি বীরগঞ্জে মো. আশরাফুল আলমের (৩৬) বাসায় ভাড়া থাকতেন।

বাসার মালিক মো. আশরাফুল আলম জানান, একটি কম্পানিতে চাকরি করার কথা বলে অরুণ প্রায় ১০-১২ দিন আগে বাসাটি ভাড়া নেন। তিনি একাই সেখানে বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টার পর থেকে তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে গভীর রাতে মরদেহ উদ্ধার করেন। তিনি জানান, ঘরের ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগানো ছিল এবং সেখানে বিষ জাতীয় গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।

নিহতের বড় ভাই নিরঞ্জন সেন দিলু জানান, গভীর রাতে স্থানীয় এক সাবেক চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। অরুণ বীরগঞ্জে অবস্থান করছিলেন, বিষয়টি পরিবারের কেউ জানতেন না। প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিচ্ছেদ (ডিভোর্স) হয়। এরপর থেকে তিনি অনিয়মিতভাবে বাড়িতে থাকতেন। তিনি চানাচুর তৈরির একটি ছোট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, অরুণ কিছু দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ঘটনার বিষয়ে তাদের কোনো অভিযোগ নেই বলে জানান তিনি।

বীরগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।