• ই-পেপার

চীনের গুয়াংজিতে বন্যায় মৃত ৩৯, নিখোঁজ ৯

প্রবল বর্ষণে দিল্লিতে ভবনধস, নিহত অন্তত ৪

অনলাইন ডেস্ক
প্রবল বর্ষণে দিল্লিতে ভবনধস, নিহত অন্তত ৪
ছবি : রয়টার্স

ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে একটি ভবন ধসে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্ষার কারণে দেশের বিভিন্ন অংশে ভূমিধস ও যাতায়াত বিঘ্নিত হওয়ায় বৃষ্টি সম্পর্কিত ধারাবাহিক দুর্ঘটনার মধ্যে এটি সর্বশেষ ঘটনা। ভবন ধসের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী হরিয়ানার কিছু অঞ্চলের জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে। সেখানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে যাত্রা করার পরামর্শ দিয়েছে। কারণ, বিমানবন্দরের দিকে যাওয়া কয়েকটি সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা রাজ্যের ওয়েনাডে মঙ্গলবার একটি ভূমিধসে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলীয় মহারাষ্ট্র রাজ্যে বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে রাজ্য সরকারের এক মন্ত্রী জানিয়েছেন।

মুম্বাইয়ের কাছের পুনে শহরে একটি বর্জ্য শোধনাগারে বড় একটি আবর্জনার স্তূপ ধসে পড়ে। এ ঘটনায় অন্তত সাতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরো ৯ জন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও ভারি বৃষ্টির প্রভাব দেখা গেছে। আগ্রায় বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে এবং গুজরাটে মহাসড়কগুলো প্লাবিত হয়েছে। অনেক এলাকায় বাসিন্দাদের হাঁটু সমান পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
 

ইরাকে অতিরিক্ত জনসমাগমে পিছিয়ে গেল খামেনির দাফন

অনলাইন ডেস্ক
ইরাকে অতিরিক্ত জনসমাগমে পিছিয়ে গেল খামেনির দাফন
ছবি: রয়টার্স

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, আজ সকালে ইরানের মাশহাদ শহরে সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফনের যে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মানুষ জড়ো হওয়ায় বুধবার জানাজার শোভাযাত্রা বিলম্বিত হয়।

খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের অনুষ্ঠান এখন স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে (গ্রিনিচ সময় সকাল ১১টা) অনুষ্ঠিত হবে।

সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে সিরিয়াকে বাদ দিচ্ছেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে সিরিয়াকে বাদ দিচ্ছেন ট্রাম্প
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সিরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদে মদদদাতা রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাকে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি এ তথ্য জানান।

রয়টার্সের দেখা ওই চিঠিতে ট্রাম্প লেখেন, তিনি আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে সিরিয়ার পুনর্গঠনের পথে থাকা সব বাধা দূর করার চেষ্টা করবেন। এখন সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে বড় একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ট্রাম্প আরো বলেন, খুব শিগগিরই সিরিয়া পুনর্গঠনের কাজ আরো সহজ হবে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কম্পানি দেশটিতে বিনিয়োগে আগ্রহী। এসব বিনিয়োগ সিরিয়ার অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ট্রাম্প ও আহমেদ আল-শারার বৈঠকের পর এই চিঠি সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ট্রাম্প বলেন, এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে মার্কিন কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন। এখন কংগ্রেস ৪৫ দিন বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনে কোনো দেশকে সন্ত্রাসবাদে মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলে সেই দেশের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা বন্ধ থাকা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেনে কড়াকড়ি। সিরিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর সাফওয়াত রাসলান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত দেশটির অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হবে। টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে সিরিয়ার অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে গতি আসবে এবং দেশটি আবার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

গত বছর ট্রাম্প সিরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচি বাতিল করে নির্বাহী আদেশে সই করেছিলেন। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সিরিয়ার দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্নতা কমানোর পথ তৈরি হয়। এদিকে সিরিয়ার পুনর্গঠনে সহায়তা দিতে সৌদি আরবের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের আরো কয়েকটি দেশ দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বুধবার ট্রাম্প সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার প্রশংসাও করেন। আল-শারা ২০১৬ সালে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার আগে সিরিয়ায় আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠন নুসরা ফ্রন্টের একজন কমান্ডার ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের শেষ দিকে তিনি কয়েকটি ইসলামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোটের নেতৃত্ব দিয়ে বাশার আল-আসাদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেন। ট্রাম্প বলেন, ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আল-শারার পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি আরো বলেন, ‘সবাই তাকে সম্মান করে, আমিও করি।’

ইরানে মার্কিন হামলা, বাড়ল তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
ইরানে মার্কিন হামলা, বাড়ল তেলের দাম
ছবি : রয়টার্স

ইরানের কৌশলগত বন্দরনগরী চাবাহারে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার টোকিও সময় সকাল ৭টা ৪৯ মিনিট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৫.২০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৮.০২ ডলারে পৌঁছায়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১.৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৪.৫৬ ডলারে দাঁড়ায়।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের দামে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ইরানে মার্কিন হামলার পর বিশ্ব জ্বালানি বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে।

আবুধাবির প্রধান রপ্তানিযোগ্য অপরিশোধিত তেল মুরবান ক্রুডের দাম ৬.৬৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৩.৫৭ ডলারে পৌঁছেছে। এশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত এই গ্রেডের তেলের দাম আন্তর্জাতিক অন্যান্য বেঞ্চমার্কের তুলনায় বেশি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বেড়েছে। সর্বশেষ লেনদেনে এর দাম ০.২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ইউনিট ৩.২২০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে, যা জ্বালানির দামকে ঊর্ধ্বমুখী রাখতে পারে। ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত ইরানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর চাবাহারে সামরিক-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় রাতভর মার্কিন হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর এই এলাকায় এটিই ছিল প্রথম মার্কিন সামরিক অভিযান। এর ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং উত্তেজনা হরমুজ প্রণালির বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চাবাহারে হামলা শুধু সামরিক উত্তেজনাই বাড়ায়নি, বরং মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পরিস্থিতি আরো খারাপ হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়তে পারে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

চাবাহারে মার্কিন হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ বেড়েছে। বাজারের আশঙ্কা, ইরান প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো বা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। যদিও চাবাহার বন্দর হরমুজ প্রণালির বাইরে অবস্থিত, বিশ্লেষকদের মতে মূল উদ্বেগ হলো সংঘাত বিস্তৃত হয়ে পারস্য উপসাগর থেকে ভারত মহাসাগরে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ধরনের আশঙ্কার প্রতিফলন দেখা গেছে তেলের বাজারে। আবুধাবির মুরবান অপরিশোধিত তেলের দাম অন্যান্য প্রধান বেঞ্চমার্কের তুলনায় বেশি হারে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুরবান তেলের মূল্যবৃদ্ধি এশিয়ার ক্রেতাদের উদ্বেগের ইঙ্গিত বহন করে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীনসহ এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলোর শোধনাগারগুলো এই তেল ব্যাপকভাবে ব্যবহার ও লেনদেন করে থাকে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তা ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মুরবান অপরিশোধিত তেলের দামের তীব্র বৃদ্ধি দেখাচ্ছে যে ব্যবসায়ীরা মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে তেলের দাম বাড়লেও তা এখনও আগের সংঘাতের সময় দেখা ১০০ ডলারের বেশি স্তরে পৌঁছায়নি। এর অর্থ, বাজার এখনো দীর্ঘমেয়াদি বা বড় ধরনের রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাকে পুরোপুরি মূল্যায়ন করেনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না বা গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে কি না, সেদিকে বাজারের নজর রয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর জ্বালানি বাজার এ অঞ্চলের পরিস্থিতির প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ায় নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, সামরিক সংঘাত বাড়লে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহন ও বীমা ব্যয় বেড়ে যেতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।

বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ ও বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। পাশাপাশি তেলবাহী ট্যাংকারের চলাচল বা তেল উৎপাদনে কোনো বিঘ্ন ঘটে কি না, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।