• ই-পেপার

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার

বাঁচা মরার লটাইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
বাঁচা মরার লটাইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক
ছবি : বিসিবি

সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ জানিয়েছেন, গত ম‍্যাচের ভালো বোলিং ও কন্ডিশন এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। শুরুর ১০ ওভার কাজে লাগাতে চান তারা। 

সিরিজের প্রথম ওয়ানডের একাদশ থেকে আজ একটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আজকের ম্যাচে একাদশে রাখা হয়নি ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমানকে। তার জায়গায় দলে ঢুকেছেন আরেক বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। তাসকিন আহমেদ ও গতি তারকা নাহিদ রানার সঙ্গে বোলিং আক্রমণে জুটি বাঁধবেন তিনি। 

প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের একাদশ:
তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, তাওহিদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। 
 

প্যারাগুয়ের সিনেটরের ঘৃণ্য মন্তব্য, বিচলিত নন এমবাপ্পে

ক্রীড়া ডেস্ক
প্যারাগুয়ের সিনেটরের ঘৃণ্য মন্তব্য, বিচলিত নন এমবাপ্পে
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ রাতে মরক্কোর বিপক্ষে খেলতে নামবে ফ্রান্স। কিন্তু তার আগে ফ্রান্স মূল স্ট্রাইকারকে লক্ষ্য করে ঘৃণ্য আক্রমণ চালিয়েই যাচ্ছেন প্যারাগুয়ের সিনেটর সেলেস্তে আমারিল্লা। বুধবার প্যারাগুয়ের সংসদে দাঁড়িয়ে আমারিল্লা এমবাপ্পেকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। তবে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বলেছেন, এসব কথায় বিচলিত নন এমবাপ্পে।

ঘটনার শুরু গত রবিবার রাউন্ড অব ৩২-এ ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের ম্যাচের পর। ম্যাচে এমবাপ্পের পেনাল্টিতে দেওয়া একমাত্র গোলে জয় পায় ফ্রান্স। ম্যাচের পর প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলের সঙ্গে তর্ক হয় এমবাপ্পের। গিল হাত বাড়িয়ে দিলেও হাত মেলাননি এমবাপ্পে। এতেই চটেছেন আমারিল্লা। 

খেলার মাঠকে রাজনীতিতে টেনে এনে তিনি এমবাপ্পেকে লক্ষ্য করে কুৎসিত বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। প্যারাগুয়ের বিরোধী দল লিবারেল পার্টির এই সিনেটর তার এক্স একাউন্টে এমবাপ্পেকে, ‘ঔপনিবেশিক ক্যামেরুনীয়’, ‘অহংকারী’, ‘বর্বর’-সহ বিভিন্ন অকথ্য গালি দেন। 

ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়দের এমবাপ্পেকে আঘাত করা উচিত ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

এমবাপ্পেও ছেড়ে কথা বলেননি। মাঠের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি আক্রমণাত্মক। নিজের একাউন্টে সিনেটর আমারিল্লাকে ‘ঘৃণ্য নারী’ এবং ‘পদের অযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করে এমবাপ্পে লেখেন, ‘আপনি প্যারাগুয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন না। এই বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের ফুটবলাররা যে লড়াই করেছে, আপনার বেপরোয়া ও বর্ণবাদী মন্তব্য সেই গৌরবকে আড়াল করে দিয়েছে। আপনার মতো মানুষকে আমি কখনোই ঘৃণা ও বর্ণবাদ ছড়ানোর স্বাধীনতা দেব না।’

জবাবে আমারিল্লা এমবাপ্পের বিরুদ্ধে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ এনে মামলা করার হুমকি দেন। 

এমবাপ্পেকে এই বর্ণবাদী আক্রমণে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ফ্রান্স সরকার, ফুটবল ফেডারেশন, দল, ফিফা, এমনকি প্যারাগুয়ের সরকারও এমবাপ্পের পাশে দাঁড়িয়েছে। 

এমবাপ্পে থেমে গেলেও আমারিল্লার রাগ এখনো যায়নি। বুধবার প্যারাগুয়ের সংসদে দাঁড়িয়ে আবারও এমবাপ্পেকে নোংরা ভাষায় গালি দেন আমারিল্লা। তিনি তাকে জেলে পাঠানোরও হুমকি দেন। 

আমারিল্লা বলেন, ‘অরল্যান্ডো গিল ছেলেটা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পা রেখেছিল, প্রথমবারের মতো ইউরোপে এসেছিল, বিশ্বের সামনে খেলছিল এবং একজন প্যারাগুয়েনের সমস্ত বিনম্রতা নিয়ে তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, আর তার সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকার করল এবং তার মুখের ওপর চিৎকার করল—সেটা ফরাসি আচরণ নয়। একজন ফরাসি নাগরিক কখনো এমন কাজ করতেন না।’ 

ফ্রান্সের ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে আমারিল্লা বলেন, ‘ফ্রান্স মানে হলো রুশো, দেকার্ত, মন্তেস্কু, ভিক্টর হুগো, সিমোন দ্য বোভোয়ার, এবং মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণাপত্র। আমি সেই মহান ফ্রান্স এবং তার বিশাল সাংস্কৃতিক, শৈল্পিক ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে এমবাপ্পের মতো একজনের সমপর্যায়ে নামিয়ে আনতে অস্বীকার করছি।’ 

২০২০ সালে প্যারাগুয়েতে ব্রাজিলের খেলোয়াড় রোনালদিনহোকে কারাগারে পাঠানোর কথা উল্লেথ করে আমারিল্লা বলেন, ‘এমবাপ্পে, প্যারাগুয়েনদের সাথে পাঙ্গা নিতে এসো না। আমরা এখানে ইতিমধ্যে রোনালদিনহোকেও জেলে পুরেছিলাম... আর আমাকে অবমূল্যায়ন করো না, এমবাপ্পে। আমি তোমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারি... জেন্ডার সহিংসতা। নারীর প্রতি রাজনৈতিক সহিংসতা। এটা বেশ গুরুতর বিষয়... সে আমার কাছে ক্ষমা চাক, কারণ এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তি এখনো আমার কাছে রয়েছে।’

কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমকেও এমবাপ্পেকে নিয়ে প্রশ্নের মুথে পড়তে হয়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, মাঠের বাইরের এই আলোচনা এমবাপ্পেকে মোটেও বিচলিত করতে পারেনি এবং সে সম্পূর্ণভাবে খেলায় মনোনিবেশ করছে। দেশম বলেন, ‘কিলিয়ান মানসিকভাবে খুব ভালো অবস্থায় আছে। ও ম্যাচের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

মিসরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে : নিউ ইয়র্কের মেয়র

ক্রীড়া ডেস্ক
মিসরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে : নিউ ইয়র্কের মেয়র
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিসরের বিতর্কিত বিদায়ের রেশ এবার খেলার মাঠ পেরিয়ে আছড়ে পড়ল খোদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও। আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে ফারাওদের সেই রোমাঞ্চকর ও বিতর্কিত হার নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়, ঠিক তখনই আগুনে ঘি ঢাললেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। প্রকাশ্য জনসভায় তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘মিসরের সঙ্গে ডাকাতি করা হয়েছে।’ 

আটলান্টার সেই শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় মিসর। এর পর থেকেই ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা মিসর। ইতিমধ্যেই দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) ফিফার দরবারে অফিশিয়াল নালিশ ঠুকেছে।

ঠিক এর পরদিনই, গত বুধবার (৯ জুলাই) নিউ ইয়র্কে ‘নেক্সট স্টপ : বেটার বাসেস, ফাস্টার সার্ভিস’ নামক এক নাগরিক কর্মসূচি উদ্বোধনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই ফুটবলীয় বিতর্ক টেনে আনেন মেয়র মামদানি। দ্রুতগতির বাসসেবা চালুর ফলে নিউ ইয়র্কবাসীর কত সময় বাঁচবে, তা বোঝাতে গিয়ে রসিকতার ছলে বোমা ফাটান মেয়র। তিনি বলেন, ‘এই সেবার ফলে ছয় মাসে আপনার ২৪ ঘণ্টা সময় বাঁচবে। সেই সময়টায় পরিবারের সঙ্গে সকালের নাশতা করতে পারবেন, সন্তানের খেলায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অন্তত এই বিষয়ে একমত হতে পারবেন যে গতকাল মিসরের থেকে ম্যাচটা ডাকাতি করা হয়েছে! সব কিছুর ঊর্ধ্বে, এই প্রকল্প নিউ ইয়র্কবাসীকে তাদের মূল্যবান সময় ফিরিয়ে দেবে।’

মেয়র মামদানির এই বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি রাজনীতির অলিন্দেও শুরু হয় জোর চর্চা।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারের সেই ম্যাচের আসল নাটকের সূত্রপাত ৫৮তম মিনিটে। তখন ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে মিসর। মাঠ কাঁপানো এক আক্রমণ থেকে বল আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন মিসরের মোস্তফা জিকো। কিন্তু ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ভিএআরের পরামর্শে গোলটি বাতিল করে দিলে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো স্টেডিয়াম। যুক্তি দেখানো হয়, গোল হওয়ার আগে মাঠের অন্য প্রান্তে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন মিসরের মারাওয়ান আতিয়া!

ম্যাচ শেষে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়া মিসরীয় স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকো এই রেফারিংকে ‘অন্যায্য, অন্যায্য এবং অন্যায্য’ বলে ক্ষোভ উগরে দেন। আর মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান তো সরাসরি ম্যাচটিকে ‘পাতানো’ বলে তোপ দাগেন।

আর্জেন্টিনা ম্যাচে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ রেফারিং নিয়ে ফিফার দ্বারস্থ মিসর

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনা ম্যাচে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ রেফারিং নিয়ে ফিফার দ্বারস্থ মিসর
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের নকআউট মঞ্চে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলের মহানাটকীয় হারের ক্ষত এখনো দগদগে। তবে মাঠের সেই হারকে সহজে মেনে নিতে পারছে না মিসর। শেষ ষোলোর সেই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে অন্যায্য এবং চরম পক্ষপাতদুষ্ট রেফারিংয়ের শিকার হতে হয়েছে—এমনটাই দাবি মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ইএফএ)। গত বুধবার এক কড়া বিবৃতিতে ইএফএ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বমঞ্চে এমন অবিচারের পর তারা কোনোভাবেই ‘চুপ করে বসে থাকতে পারে না’।

আটলান্টার মঙ্গলবারের সেই ম্যাচে একপর্যায়ে রূপকথা লিখছিল ফারাওদের দেশ। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের সুবাস পাচ্ছিল আফ্রিকার দলটি। কিন্তু এরপর মাত্র ১৪ মিনিটের ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে মিসরের রক্ষণ। অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩ গোল করে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা। এই হৃদয়ভাঙা হারের পরই রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরের হেড কোচ হোসাম হাসান ও দলের ফুটবলাররা।

মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, ‘মিসর জাতীয় দলের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা এমন কোনো বিষয় নয়, যাকে উপেক্ষা করা যায় বা হালকাভাবে দেখার সুযোগ আছে। এটা এমন এক পবিত্র দায়িত্ব, যা আমরা পূর্ণ বিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে বহন করছি।’

ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেওয়া আসল বিতর্কটি দানা বাঁধে ৫৮ মিনিটে। তখন মিসরের করা একটি গোল বাতিল করে দেয় ভিএআর। দীর্ঘ রিভিউ শেষে জানানো হয়, গোলের ঠিক আগ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন মিসরীয় মিডফিল্ডার মারওয়ান আত্তিয়া। ইএফএ-এর দাবি, রেফারি ও ভিএআর প্রযুক্তির এমন ভুল ও পক্ষপাতদুষ্ট ব্যবহারের খেসারত দিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে তাদের।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ম্যাচের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মাঠের সেই প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের গতিপথ সরাসরি বদলে দিয়েছে, যা ফুটবলের নিরপেক্ষতা নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তোলে।’

অথচ ম্যাচের ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিম ও ৬৭ মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোলে অভাবনীয় জয়ের স্বপ্ন দেখছিল মিসর। কিন্তু ৭৯ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো এবং ৮৩ মিনিটে কাপ্তান লিওনেল মেসির গোলে সমতায় ফেরে আলবিসেলেস্তেরা। এরপর যোগ করা সময়ে (৯০+২ মিনিট) এনজো ফার্নান্দেজের করা গোলে উল্লাসে মাতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এনজোর সেই জয়সূচক গোলের পরই মাঠের ডাগআউটে দুই হাত আড়াআড়ি করে ইংরেজি ‘এক্স’ চিহ্নের মতো বানিয়ে প্রতিবাদ জানান মিসরের কোচ হোসাম হাসান। 

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি রেফারির প্রকাশ্য পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তিনি ক্ষোভ উগরে দেন, ‘হয়তো তারা চেয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল, মেসি যেন প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে না যান!’

ইএফএ তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুধু তারাই নয়, বিশ্বের বেশ কয়েকজন নামি ফুটবল বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকও মিসরের এই দাবির পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ম্যাচ পরিচালনায় সততা, নিয়মানুবর্তিতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

সবশেষে কোটি মিসরীয়র বুকভাঙা কান্নার প্রতিধ্বনি ফুটিয়ে তুলে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মিসরের জার্সি পরা প্রতিটি খেলোয়াড় এবং দলের পেছনে থাকা কোটি সমর্থক মাঠে ন্যায্য বিচার, সম্মান এবং খেলার নিয়মের সমান প্রয়োগ পাওয়ার অধিকার রাখেন।’