• ই-পেপার

প্যারাগুয়ের সিনেটরের ঘৃণ্য মন্তব্য, বিচলিত নন এমবাপ্পে

সেমিফাইনালে কোন ৪ দেশ খেলবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
সেমিফাইনালে কোন ৪ দেশ খেলবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। এক দিনের বিরতির পর আজ থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই পর্বকে সামনে রেখে সর্বশেষ পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপটা।

অপটার সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ৭৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যেখানে মরক্কোর সম্ভাবনা মাত্র ২৬ দশমিক ১২ শতাংশ।

স্পেনও রয়েছে শক্ত অবস্থানে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে তাদের শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা ৬৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে বেলজিয়ামের সম্ভাবনা ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

নরওয়ে ও ইংল্যান্ডের লড়াইকে তুলনামূলকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনে করছে সুপার কম্পিউটার। তবু শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে। তাদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৬২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, আর নরওয়ের ৩৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও রয়েছে ফেভারিটদের তালিকায়। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে লিওনেল মেসিদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৬৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের সম্ভাবনা ৩০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

তবে ফুটবলে পরিসংখ্যান অনেক সময় বাস্তবতার সঙ্গে মিলে গেলেও শেষ কথা বলে মাঠের পারফরম্যান্সই।

বাঁচা মরার লটাইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
বাঁচা মরার লটাইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক
ছবি : বিসিবি

সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ জানিয়েছেন, গত ম‍্যাচের ভালো বোলিং ও কন্ডিশন এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। শুরুর ১০ ওভার কাজে লাগাতে চান তারা। 

সিরিজের প্রথম ওয়ানডের একাদশ থেকে আজ একটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আজকের ম্যাচে একাদশে রাখা হয়নি ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমানকে। তার জায়গায় দলে ঢুকেছেন আরেক বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। তাসকিন আহমেদ ও গতি তারকা নাহিদ রানার সঙ্গে বোলিং আক্রমণে জুটি বাঁধবেন তিনি। 

প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের একাদশ :
তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, তাওহিদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। 
 

মিসরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে : নিউ ইয়র্কের মেয়র

ক্রীড়া ডেস্ক
মিসরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে : নিউ ইয়র্কের মেয়র
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিসরের বিতর্কিত বিদায়ের রেশ এবার খেলার মাঠ পেরিয়ে আছড়ে পড়ল খোদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও। আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে ফারাওদের সেই রোমাঞ্চকর ও বিতর্কিত হার নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়, ঠিক তখনই আগুনে ঘি ঢাললেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। প্রকাশ্য জনসভায় তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘মিসরের সঙ্গে ডাকাতি করা হয়েছে।’ 

আটলান্টার সেই শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় মিসর। এর পর থেকেই ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা মিসর। ইতিমধ্যেই দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) ফিফার দরবারে অফিশিয়াল নালিশ ঠুকেছে।

ঠিক এর পরদিনই, গত বুধবার (৯ জুলাই) নিউ ইয়র্কে ‘নেক্সট স্টপ : বেটার বাসেস, ফাস্টার সার্ভিস’ নামক এক নাগরিক কর্মসূচি উদ্বোধনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই ফুটবলীয় বিতর্ক টেনে আনেন মেয়র মামদানি। দ্রুতগতির বাসসেবা চালুর ফলে নিউ ইয়র্কবাসীর কত সময় বাঁচবে, তা বোঝাতে গিয়ে রসিকতার ছলে বোমা ফাটান মেয়র। তিনি বলেন, ‘এই সেবার ফলে ছয় মাসে আপনার ২৪ ঘণ্টা সময় বাঁচবে। সেই সময়টায় পরিবারের সঙ্গে সকালের নাশতা করতে পারবেন, সন্তানের খেলায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অন্তত এই বিষয়ে একমত হতে পারবেন যে গতকাল মিসরের থেকে ম্যাচটা ডাকাতি করা হয়েছে! সব কিছুর ঊর্ধ্বে, এই প্রকল্প নিউ ইয়র্কবাসীকে তাদের মূল্যবান সময় ফিরিয়ে দেবে।’

মেয়র মামদানির এই বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি রাজনীতির অলিন্দেও শুরু হয় জোর চর্চা।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারের সেই ম্যাচের আসল নাটকের সূত্রপাত ৫৮তম মিনিটে। তখন ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে মিসর। মাঠ কাঁপানো এক আক্রমণ থেকে বল আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন মিসরের মোস্তফা জিকো। কিন্তু ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ভিএআরের পরামর্শে গোলটি বাতিল করে দিলে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো স্টেডিয়াম। যুক্তি দেখানো হয়, গোল হওয়ার আগে মাঠের অন্য প্রান্তে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন মিসরের মারাওয়ান আতিয়া!

ম্যাচ শেষে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়া মিসরীয় স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকো এই রেফারিংকে ‘অন্যায্য, অন্যায্য এবং অন্যায্য’ বলে ক্ষোভ উগরে দেন। আর মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান তো সরাসরি ম্যাচটিকে ‘পাতানো’ বলে তোপ দাগেন।

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার

ক্রীড়া ডেস্ক
নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার
ছবি : সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের রোমাঞ্চ। তবে শেষ আটের এই অগ্নিপরীক্ষায় নামার আগে এক অদৃশ্য আতঙ্কে বুক কাঁপছে ৮ দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলারের। আর একটি মাত্র হলুদ কার্ড দেখলেই কপাল পুড়বে তাদের। দল সেমিফাইনালে উঠলেও সাইডবেঞ্চে বসে সতীর্থদের লড়াই দেখতে হবে এই তারকাদের।

নিষেধাজ্ঞার এই ঝুলন্ত তরবারির নিচে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বফুটবলের পরাশক্তিরা। তবে সবচেয়ে বেশি বুক ঢিপঢিপ করছে থ্রি-লায়ন্স ও মরক্কো শিবিরের। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার নকআউট পর্বে ইতিমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখে বসে আছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে পা মেপে চলতে হবে তাদের। এ ছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার আছেন এই খাদের কিনারায়।

অবশ্য মাঠের ফুটবলকে আরো আকর্ষণীয় করতে এই বিশ্বকাপেই কার্ড নীতিতে বড়সড় বদল এনেছে ফিফা। ৩২ দলের চিরচেনা খোলস ছেড়ে এবারই প্রথম ৪৮ দল নিয়ে মাঠে গড়িয়েছে বিশ্বকাপ। ফলে নকআউট পর্বে যোগ হয়েছে বাড়তি একটি রাউন্ড (শেষ ৩২)। ম্যাচসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ফুটবলারদের কার্ডের খাঁচায় বন্দি হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে গিয়েছিল বহুগুণ।

সেমিফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যাতে কোনো দলই তাদের সেরা তারকাদের মিস না করে, সে জন্যই ফিফার এই নতুন নিয়ম। গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগেই মুছে (রিসেট) দেওয়া হয়েছিল। এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে সেমিফাইনালের আগে আবারও কার্ডের খাতা শূন্য করা হবে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিন্ন দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জোটে কপালে। ফলে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা ইতিমধ্যে রেফারি পকেট থেকে হলুদ কার্ড দেখেছেন, আজ কিংবা আগামীকালের ম্যাচে আবারও ‘দুষ্টুমি’ করলেই তাদের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ। তবে আশার কথা হলো, কোয়ার্টার ফাইনালের পর কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হওয়ায় কার্ডের মারপ্যাঁচে কেউ ফাইনাল মিস করবেন না। শুধু সেমিফাইনালে সরাসরি লাল কার্ড দেখলেই ফাইনালের মঞ্চে দর্শক হয়ে থাকতে হবে।

আজ ৯ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের দ্বৈরথ। এরপর ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পর ১৯ জুলাই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মেগাফাইনাল। এখন দেখার বিষয়, নিষেধাজ্ঞার এই ফাঁদ এড়িয়ে কারা দলকে নিয়ে যেতে পারেন শেষ চারে।

নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার

ইংল্যান্ড : জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস ও মার্ক গেয়ি।
মরক্কো : ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল ও বিলাল এল খানুস।
ফ্রান্স : মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে ও ব্রাডলি বারকোলা।
সুইজারল্যান্ড : গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুহাইম।
আর্জেন্টিনা : গঞ্জালো মন্টিয়েল।
স্পেন : ফেররান তোরেস।
বেলজিয়াম : ব্র্যান্ডন মেচেলে।
নরওয়ে : অ্যান্তোনিও নুসা।