• ই-পেপার

বাঁচা মরার লটাইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক

ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কে জিতবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কে জিতবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী দল ফ্রান্স ও আফ্রিকার অন্যতম সেরা দল মরক্কো। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আগে দুই দলকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এরই মধ্যে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপটার সুপারক কম্পিউটারও জানিয়ে দিয়েছে, এই ম্যাচে কোন দলকে এগিয়ে রাখছে তারা। 

ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ আটের লড়াইয়ে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টায় মাঠে নামবে ফ্রান্স ও মরক্কো। ফ্রান্সের শক্তিশালী আক্রমণভাগের সামনে এবার বড় চ্যালেঞ্জ মরক্কোর সংগঠিত ও দৃঢ় রক্ষণ।

শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া ফ্রান্স এবার তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যেতে চায়। অন্যদিকে আশরাফ হাকিমি, হাকিম জিয়েশদের নেতৃত্বে মরক্কোর লক্ষ্য আরেকটি অঘটন ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো আবারও সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করা।

ম্যাচ শুরুর আগে অবশ্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে রেফারিং। আর্জেন্টিনা ও মিসরের শেষ ষোলোর ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাসোয়াঁ লেতেক্সিয়েরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই ফিফা ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে আর্জেন্টিনার রেফারিং দলকে, যা নিয়েও চলছে আলোচনা। তবে এসব বিতর্কে গুরুত্ব দিতে নারাজ ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ফুটবলে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থাকবেই। তবে তাদের মনোযোগ শুধুই মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা। রেফারিদের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ম্যাচের সম্ভাব্য ফল নিয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে অপটার সুপার কম্পিউটার। ২৫ হাজারবার সিমুলেশন চালিয়ে তারা দেখেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ। মরক্কোর জয়ের সম্ভাবনা ১৬ দশমিক ২ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ২২ দশমিক ১ শতাংশ।

পরিসংখ্যানও ফ্রান্সের পক্ষেই কথা বলছে। দুই দল এখন পর্যন্ত ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে জয় পেয়েছে ফ্রান্স, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসেও একবার দেখা হয়েছিল দুই দলের। ২০২২ সালের আসরের সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ফরাসিরা।

পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস এগিয়ে রাখা হচ্ছে ফ্রান্সকে। তবে নকআউট পর্বে মরক্কো যেকোনো সময় চমক দেখাতে পারে, সেটিও মাথায় রাখছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। তাই সেমিফাইনালের টিকিট কার হাতে উঠবে, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াই শেষে।

সেমিফাইনালে কোন ৪ দেশ খেলবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
সেমিফাইনালে কোন ৪ দেশ খেলবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। এক দিনের বিরতির পর আজ থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই পর্বকে সামনে রেখে সর্বশেষ পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপটা।

অপটার সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ৭৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যেখানে মরক্কোর সম্ভাবনা মাত্র ২৬ দশমিক ১২ শতাংশ।

স্পেনও রয়েছে শক্ত অবস্থানে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে তাদের শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা ৬৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে বেলজিয়ামের সম্ভাবনা ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

নরওয়ে ও ইংল্যান্ডের লড়াইকে তুলনামূলকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনে করছে সুপার কম্পিউটার। তবু শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে। তাদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৬২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, আর নরওয়ের ৩৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাও রয়েছে ফেভারিটদের তালিকায়। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে লিওনেল মেসিদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৬৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের সম্ভাবনা ৩০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

তবে ফুটবলে পরিসংখ্যান অনেক সময় বাস্তবতার সঙ্গে মিলে গেলেও শেষ কথা বলে মাঠের পারফরম্যান্সই।

প্যারাগুয়ের সিনেটরের ঘৃণ্য মন্তব্য, বিচলিত নন এমবাপ্পে

ক্রীড়া ডেস্ক
প্যারাগুয়ের সিনেটরের ঘৃণ্য মন্তব্য, বিচলিত নন এমবাপ্পে
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ রাতে মরক্কোর বিপক্ষে খেলতে নামবে ফ্রান্স। কিন্তু তার আগে ফ্রান্স মূল স্ট্রাইকারকে লক্ষ্য করে ঘৃণ্য আক্রমণ চালিয়েই যাচ্ছেন প্যারাগুয়ের সিনেটর সেলেস্তে আমারিল্লা। বুধবার প্যারাগুয়ের সংসদে দাঁড়িয়ে আমারিল্লা এমবাপ্পেকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। তবে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বলেছেন, এসব কথায় বিচলিত নন এমবাপ্পে।

ঘটনার শুরু গত রবিবার রাউন্ড অব ৩২-এ ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের ম্যাচের পর। ম্যাচে এমবাপ্পের পেনাল্টিতে দেওয়া একমাত্র গোলে জয় পায় ফ্রান্স। ম্যাচের পর প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলের সঙ্গে তর্ক হয় এমবাপ্পের। গিল হাত বাড়িয়ে দিলেও হাত মেলাননি এমবাপ্পে। এতেই চটেছেন আমারিল্লা। 

খেলার মাঠকে রাজনীতিতে টেনে এনে তিনি এমবাপ্পেকে লক্ষ্য করে কুৎসিত বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। প্যারাগুয়ের বিরোধী দল লিবারেল পার্টির এই সিনেটর তার এক্স একাউন্টে এমবাপ্পেকে, ‘ঔপনিবেশিক ক্যামেরুনীয়’, ‘অহংকারী’, ‘বর্বর’-সহ বিভিন্ন অকথ্য গালি দেন। 

ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়দের এমবাপ্পেকে আঘাত করা উচিত ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

এমবাপ্পেও ছেড়ে কথা বলেননি। মাঠের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি আক্রমণাত্মক। নিজের একাউন্টে সিনেটর আমারিল্লাকে ‘ঘৃণ্য নারী’ এবং ‘পদের অযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করে এমবাপ্পে লেখেন, ‘আপনি প্যারাগুয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন না। এই বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের ফুটবলাররা যে লড়াই করেছে, আপনার বেপরোয়া ও বর্ণবাদী মন্তব্য সেই গৌরবকে আড়াল করে দিয়েছে। আপনার মতো মানুষকে আমি কখনোই ঘৃণা ও বর্ণবাদ ছড়ানোর স্বাধীনতা দেব না।’

জবাবে আমারিল্লা এমবাপ্পের বিরুদ্ধে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ এনে মামলা করার হুমকি দেন। 

এমবাপ্পেকে এই বর্ণবাদী আক্রমণে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ফ্রান্স সরকার, ফুটবল ফেডারেশন, দল, ফিফা, এমনকি প্যারাগুয়ের সরকারও এমবাপ্পের পাশে দাঁড়িয়েছে। 

এমবাপ্পে থেমে গেলেও আমারিল্লার রাগ এখনো যায়নি। বুধবার প্যারাগুয়ের সংসদে দাঁড়িয়ে আবারও এমবাপ্পেকে নোংরা ভাষায় গালি দেন আমারিল্লা। তিনি তাকে জেলে পাঠানোরও হুমকি দেন। 

আমারিল্লা বলেন, ‘অরল্যান্ডো গিল ছেলেটা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পা রেখেছিল, প্রথমবারের মতো ইউরোপে এসেছিল, বিশ্বের সামনে খেলছিল এবং একজন প্যারাগুয়েনের সমস্ত বিনম্রতা নিয়ে তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, আর তার সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকার করল এবং তার মুখের ওপর চিৎকার করল—সেটা ফরাসি আচরণ নয়। একজন ফরাসি নাগরিক কখনো এমন কাজ করতেন না।’ 

ফ্রান্সের ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে আমারিল্লা বলেন, ‘ফ্রান্স মানে হলো রুশো, দেকার্ত, মন্তেস্কু, ভিক্টর হুগো, সিমোন দ্য বোভোয়ার, এবং মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণাপত্র। আমি সেই মহান ফ্রান্স এবং তার বিশাল সাংস্কৃতিক, শৈল্পিক ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে এমবাপ্পের মতো একজনের সমপর্যায়ে নামিয়ে আনতে অস্বীকার করছি।’ 

২০২০ সালে প্যারাগুয়েতে ব্রাজিলের খেলোয়াড় রোনালদিনহোকে কারাগারে পাঠানোর কথা উল্লেথ করে আমারিল্লা বলেন, ‘এমবাপ্পে, প্যারাগুয়েনদের সাথে পাঙ্গা নিতে এসো না। আমরা এখানে ইতিমধ্যে রোনালদিনহোকেও জেলে পুরেছিলাম... আর আমাকে অবমূল্যায়ন করো না, এমবাপ্পে। আমি তোমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারি... জেন্ডার সহিংসতা। নারীর প্রতি রাজনৈতিক সহিংসতা। এটা বেশ গুরুতর বিষয়... সে আমার কাছে ক্ষমা চাক, কারণ এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তি এখনো আমার কাছে রয়েছে।’

কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমকেও এমবাপ্পেকে নিয়ে প্রশ্নের মুথে পড়তে হয়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, মাঠের বাইরের এই আলোচনা এমবাপ্পেকে মোটেও বিচলিত করতে পারেনি এবং সে সম্পূর্ণভাবে খেলায় মনোনিবেশ করছে। দেশম বলেন, ‘কিলিয়ান মানসিকভাবে খুব ভালো অবস্থায় আছে। ও ম্যাচের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

মিসরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে : নিউ ইয়র্কের মেয়র

ক্রীড়া ডেস্ক
মিসরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে : নিউ ইয়র্কের মেয়র
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিসরের বিতর্কিত বিদায়ের রেশ এবার খেলার মাঠ পেরিয়ে আছড়ে পড়ল খোদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও। আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে ফারাওদের সেই রোমাঞ্চকর ও বিতর্কিত হার নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়, ঠিক তখনই আগুনে ঘি ঢাললেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। প্রকাশ্য জনসভায় তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘মিসরের সঙ্গে ডাকাতি করা হয়েছে।’ 

আটলান্টার সেই শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় মিসর। এর পর থেকেই ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা মিসর। ইতিমধ্যেই দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) ফিফার দরবারে অফিশিয়াল নালিশ ঠুকেছে।

ঠিক এর পরদিনই, গত বুধবার (৯ জুলাই) নিউ ইয়র্কে ‘নেক্সট স্টপ : বেটার বাসেস, ফাস্টার সার্ভিস’ নামক এক নাগরিক কর্মসূচি উদ্বোধনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই ফুটবলীয় বিতর্ক টেনে আনেন মেয়র মামদানি। দ্রুতগতির বাসসেবা চালুর ফলে নিউ ইয়র্কবাসীর কত সময় বাঁচবে, তা বোঝাতে গিয়ে রসিকতার ছলে বোমা ফাটান মেয়র। তিনি বলেন, ‘এই সেবার ফলে ছয় মাসে আপনার ২৪ ঘণ্টা সময় বাঁচবে। সেই সময়টায় পরিবারের সঙ্গে সকালের নাশতা করতে পারবেন, সন্তানের খেলায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অন্তত এই বিষয়ে একমত হতে পারবেন যে গতকাল মিসরের থেকে ম্যাচটা ডাকাতি করা হয়েছে! সব কিছুর ঊর্ধ্বে, এই প্রকল্প নিউ ইয়র্কবাসীকে তাদের মূল্যবান সময় ফিরিয়ে দেবে।’

মেয়র মামদানির এই বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি রাজনীতির অলিন্দেও শুরু হয় জোর চর্চা।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারের সেই ম্যাচের আসল নাটকের সূত্রপাত ৫৮তম মিনিটে। তখন ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে মিসর। মাঠ কাঁপানো এক আক্রমণ থেকে বল আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন মিসরের মোস্তফা জিকো। কিন্তু ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ভিএআরের পরামর্শে গোলটি বাতিল করে দিলে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো স্টেডিয়াম। যুক্তি দেখানো হয়, গোল হওয়ার আগে মাঠের অন্য প্রান্তে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন মিসরের মারাওয়ান আতিয়া!

ম্যাচ শেষে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়া মিসরীয় স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকো এই রেফারিংকে ‘অন্যায্য, অন্যায্য এবং অন্যায্য’ বলে ক্ষোভ উগরে দেন। আর মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান তো সরাসরি ম্যাচটিকে ‘পাতানো’ বলে তোপ দাগেন।