• ই-পেপার

ফোনালাপের পর মেসির কাছ থেকে উপহার পাচ্ছেন ক্লোসা

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার

ক্রীড়া ডেস্ক
নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার
ছবি : সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের রোমাঞ্চ। তবে শেষ আটের এই অগ্নিপরীক্ষায় নামার আগে এক অদৃশ্য আতঙ্কে বুক কাঁপছে ৮ দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলারের। আর একটি মাত্র হলুদ কার্ড দেখলেই কপাল পুড়বে তাদের। দল সেমিফাইনালে উঠলেও সাইডবেঞ্চে বসে সতীর্থদের লড়াই দেখতে হবে এই তারকাদের।

নিষেধাজ্ঞার এই ঝুলন্ত তরবারির নিচে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বফুটবলের পরাশক্তিরা। তবে সবচেয়ে বেশি বুক ঢিপঢিপ করছে থ্রি-লায়ন্স ও মরক্কো শিবিরের। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার নকআউট পর্বে ইতিমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখে বসে আছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে পা মেপে চলতে হবে তাদের। এ ছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার আছেন এই খাদের কিনারায়।

অবশ্য মাঠের ফুটবলকে আরো আকর্ষণীয় করতে এই বিশ্বকাপেই কার্ড নীতিতে বড়সড় বদল এনেছে ফিফা। ৩২ দলের চিরচেনা খোলস ছেড়ে এবারই প্রথম ৪৮ দল নিয়ে মাঠে গড়িয়েছে বিশ্বকাপ। ফলে নকআউট পর্বে যোগ হয়েছে বাড়তি একটি রাউন্ড (শেষ ৩২)। ম্যাচসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ফুটবলারদের কার্ডের খাঁচায় বন্দি হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে গিয়েছিল বহুগুণ।

সেমিফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যাতে কোনো দলই তাদের সেরা তারকাদের মিস না করে, সে জন্যই ফিফার এই নতুন নিয়ম। গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগেই মুছে (রিসেট) দেওয়া হয়েছিল। এরপর কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে সেমিফাইনালের আগে আবারও কার্ডের খাতা শূন্য করা হবে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিন্ন দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জোটে কপালে। ফলে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা ইতিমধ্যে রেফারি পকেট থেকে হলুদ কার্ড দেখেছেন, আজ কিংবা আগামীকালের ম্যাচে আবারও ‘দুষ্টুমি’ করলেই তাদের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ। তবে আশার কথা হলো, কোয়ার্টার ফাইনালের পর কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হওয়ায় কার্ডের মারপ্যাঁচে কেউ ফাইনাল মিস করবেন না। শুধু সেমিফাইনালে সরাসরি লাল কার্ড দেখলেই ফাইনালের মঞ্চে দর্শক হয়ে থাকতে হবে।

আজ ৯ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের দ্বৈরথ। এরপর ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পর ১৯ জুলাই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মেগাফাইনাল। এখন দেখার বিষয়, নিষেধাজ্ঞার এই ফাঁদ এড়িয়ে কারা দলকে নিয়ে যেতে পারেন শেষ চারে।

নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার

ইংল্যান্ড : জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস ও মার্ক গেয়ি।
মরক্কো : ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল ও বিলাল এল খানুস।
ফ্রান্স : মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে ও ব্রাডলি বারকোলা।
সুইজারল্যান্ড : গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুহাইম।
আর্জেন্টিনা : গঞ্জালো মন্টিয়েল।
স্পেন : ফেররান তোরেস।
বেলজিয়াম : ব্র্যান্ডন মেচেলে।
নরওয়ে : অ্যান্তোনিও নুসা। 

আর্জেন্টিনা ম্যাচে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ রেফারিং নিয়ে ফিফার দ্বারস্থ মিসর

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনা ম্যাচে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ রেফারিং নিয়ে ফিফার দ্বারস্থ মিসর
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের নকআউট মঞ্চে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলের মহানাটকীয় হারের ক্ষত এখনো দগদগে। তবে মাঠের সেই হারকে সহজে মেনে নিতে পারছে না মিসর। শেষ ষোলোর সেই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে অন্যায্য এবং চরম পক্ষপাতদুষ্ট রেফারিংয়ের শিকার হতে হয়েছে—এমনটাই দাবি মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ইএফএ)। গত বুধবার এক কড়া বিবৃতিতে ইএফএ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বমঞ্চে এমন অবিচারের পর তারা কোনোভাবেই ‘চুপ করে বসে থাকতে পারে না’।

আটলান্টার মঙ্গলবারের সেই ম্যাচে একপর্যায়ে রূপকথা লিখছিল ফারাওদের দেশ। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের সুবাস পাচ্ছিল আফ্রিকার দলটি। কিন্তু এরপর মাত্র ১৪ মিনিটের ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে মিসরের রক্ষণ। অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩ গোল করে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা। এই হৃদয়ভাঙা হারের পরই রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরের হেড কোচ হোসাম হাসান ও দলের ফুটবলাররা।

মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, ‘মিসর জাতীয় দলের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা এমন কোনো বিষয় নয়, যাকে উপেক্ষা করা যায় বা হালকাভাবে দেখার সুযোগ আছে। এটা এমন এক পবিত্র দায়িত্ব, যা আমরা পূর্ণ বিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে বহন করছি।’

ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেওয়া আসল বিতর্কটি দানা বাঁধে ৫৮ মিনিটে। তখন মিসরের করা একটি গোল বাতিল করে দেয় ভিএআর। দীর্ঘ রিভিউ শেষে জানানো হয়, গোলের ঠিক আগ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন মিসরীয় মিডফিল্ডার মারওয়ান আত্তিয়া। ইএফএ-এর দাবি, রেফারি ও ভিএআর প্রযুক্তির এমন ভুল ও পক্ষপাতদুষ্ট ব্যবহারের খেসারত দিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে তাদের।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ম্যাচের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মাঠের সেই প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের গতিপথ সরাসরি বদলে দিয়েছে, যা ফুটবলের নিরপেক্ষতা নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তোলে।’

অথচ ম্যাচের ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিম ও ৬৭ মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোলে অভাবনীয় জয়ের স্বপ্ন দেখছিল মিসর। কিন্তু ৭৯ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো এবং ৮৩ মিনিটে কাপ্তান লিওনেল মেসির গোলে সমতায় ফেরে আলবিসেলেস্তেরা। এরপর যোগ করা সময়ে (৯০+২ মিনিট) এনজো ফার্নান্দেজের করা গোলে উল্লাসে মাতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এনজোর সেই জয়সূচক গোলের পরই মাঠের ডাগআউটে দুই হাত আড়াআড়ি করে ইংরেজি ‘এক্স’ চিহ্নের মতো বানিয়ে প্রতিবাদ জানান মিসরের কোচ হোসাম হাসান। 

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি রেফারির প্রকাশ্য পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তিনি ক্ষোভ উগরে দেন, ‘হয়তো তারা চেয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল, মেসি যেন প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে না যান!’

ইএফএ তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুধু তারাই নয়, বিশ্বের বেশ কয়েকজন নামি ফুটবল বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকও মিসরের এই দাবির পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ম্যাচ পরিচালনায় সততা, নিয়মানুবর্তিতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

সবশেষে কোটি মিসরীয়র বুকভাঙা কান্নার প্রতিধ্বনি ফুটিয়ে তুলে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মিসরের জার্সি পরা প্রতিটি খেলোয়াড় এবং দলের পেছনে থাকা কোটি সমর্থক মাঠে ন্যায্য বিচার, সম্মান এবং খেলার নিয়মের সমান প্রয়োগ পাওয়ার অধিকার রাখেন।’ 
 

মেক্সিকোর ডাগআউটে নতুন কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
মেক্সিকোর ডাগআউটে নতুন কোচ
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে ইংল্যান্ডের কাছে ৩-২ গোলের শ্বাসরুদ্ধকর হারে স্তব্ধ হয়েছিল মেক্সিকো। ঘরের মাঠে এমন বিদায়ের পর আর দায়িত্বে থাকেননি মেক্সিকান কোচ হাভিয়ের আগুয়েরে। তার আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া ডাগআউটের ব্যাটন এবার তুলে দেওয়া হলো দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবল কিংবদন্তির হাতে। মেক্সিকোর নতুন কোচের চেয়ারে বসছেন কিংবদন্তি ডিফেন্ডার রাফায়েল মার্কুইজ।

ফুটবল দুনিয়ায় ‘এল কাইজার’ নামে সমধিক পরিচিত ৪৭ বছর বয়সী মার্কুইজকে মেক্সিকোর ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে বিবেচনা করেন অনেকে। এবার জাতীয় দলের ক্রান্তিকালে সেই চেনা কাপ্তানের কাঁধেই গুরুদায়িত্ব সঁপে দিল মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশন।

খেলোয়াড়ি জীবনে বার্সেলোনার সোনালী অধ্যায়ের অন্যতম সারথী ছিলেন মার্কুইজ। কাতালান ক্লাবটির জার্সিতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগাসহ জিতেছেন অসংখ্য ট্রফি। 

রেফারি বিতর্কে ফ্রান্স কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য

ক্রীড়া ডেস্ক
রেফারি বিতর্কে ফ্রান্স কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের ঢাকে কাঠি পড়ার পর থেকেই রেফারিং আর ভিএআর বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। গতকালের আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের পর সেই আগুনে ঘি পড়েছে আরো। খোদ সাবেক তারকা রেফারিরাই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মেতেছেন পক্ষে-বিপক্ষে তর্কে। এমন এক উত্তপ্ত আবহে কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণের আগে সংবাদ সম্মেলনে অবধারিতভাবেই কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হলো সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের হেড মাস্টার দিদিয়ের দেশমকে। 

তবে মাঠের মতো মাঠের বাইরেও ঠাণ্ডা মাথার চাণক্য দেশম। চলমান বিশ্বকাপের সবচেয়ে জ্বলন্ত ইস্যু নিয়ে ফরাসি সেনাপতি দেখালেন চেনা পরিপক্বতা। কোনো রকম চাঞ্চল্যকর মন্তব্য না করে সটান জানালেন, ‘রেফারিদের প্রতি আমার শতভাগ সম্মান রয়েছে।’

বিতর্কের মেঘ অবশ্য এখানেই কাটেনি। এবারের আসরে শিরোপার অন্যতম দাবিদার আর্জেন্টিনা। কাকতালীয়ভাবে ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের রেফারি, সহকারী রেফারি থেকে শুরু করে পুরো অফিশিয়াল সেটআপই আর্জেন্টিনার। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হতেই সংবাদ সম্মেলনে ধেয়ে যায় প্রশ্ন। দেশম অবশ্য বাঁকা প্রশ্নে দিলেন সোজা উত্তর, ‘আমাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, রেফারি নয়।’

কাতার বিশ্বকাপের সেই সেমিফাইনালের স্মৃতি এখনো টাটকা। সেবার মরক্কোকে কাঁদিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে ফরাসিদের হারিয়ে সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ মরক্কোর সামনে। ফুটবল পাড়ায় ‘প্রতিশোধের’ সুবাস পাওয়া গেলেও দেশম হাঁটলেন উল্টো পথে। তার সাফ কথা, ‘ফুটবলে প্রতিশোধ বলে কিছু নেই। ম্যাচের দিন যারা মাঠে সেরাটা দেবে, তারাই জিতবে।’

গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো এবারও ছুটছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। তাই হাকিমি-জিয়েচদের নিয়ে বেশ সতর্ক ফরাসি মাস্টারমাইন্ড, ‘ওরা দারুণ ফুটবল খেলছে। ওদের হারাতে হলে আমাদের নিজেদের চেনা ছন্দের চেয়েও ভালো খেলতে হবে।’

কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলা আর উসমান দেম্বেলেকে নিয়ে গড়া ফরাসি আক্রমণভাগ যেকোনো রক্ষণভাগের জন্যই আতঙ্কের নাম। এবারের আসরে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে শীর্ষেই আছে ফ্রান্স। তবুও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নন দেশম। হুঙ্কার ছেড়ে মনে করিয়ে দিলেন, ‘মরক্কো কিন্তু প্যারাগুয়ে নয়। নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করেই ওরা এই শেষ আটে এসেছে।’

খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ আর কোচ হিসেবে ২০১৮ দুইবারই ফ্রান্সকে সোনার ট্রফি এনে দিয়েছেন দেশম। ২০২২ সালেও দলকে তুলেছিলেন ফাইনালে। এই বিশ্বকাপের পরই ফরাসি ডাগআউটকে বিদায় জানাবেন তিনি। 

নিজের শেষ ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই স্মিত হেসে দেশমের জবাব, ‘আমি এই মুহূর্তে কেবল মরক্কো ম্যাচ নিয়েই ভাবছি। আগামীকালই আমার শেষ দিন কি না, তা নিয়ে ভাবার সময় এখন নয়।’