• ই-পেপার

সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী : রিজভী

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন এলাকার শপিং মল-মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন এলাকার শপিং মল-মার্কেট বন্ধ

প্রতিদিন রাজধানীর মানুষকে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে যেতে হয়। তবে নির্দিষ্ট দিনে অনেক এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকে, যা আগে থেকে জানা না থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর কোন কোন এলাকার শপিং মল ও মার্কেট বন্ধ।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপারমার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপারমার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, ফরচুন শপিং মল, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট।

মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা ও রমনা শিশু পার্ক।

‘জনগণের কাছে যেতে পুলিশ-আর্মির প্রয়োজন হলে সেই রাজনৈতিক দলের অবস্থান ভেবে দেখতে হবে’

অনলাইন ডেস্ক
‘জনগণের কাছে যেতে পুলিশ-আর্মির প্রয়োজন হলে সেই রাজনৈতিক দলের অবস্থান ভেবে দেখতে হবে’
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল যদি জনগণের কাছে যাওয়ার সময় ভয় পায় এবং তাকে পুলিশ প্রটেকশন বা আর্মি প্রটেকশনের প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক অবস্থানটা একটু ভেবে দেখতে হবে। সম্প্রতি বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

মোকছেদুল ইসলাম বলেন, সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পথযাত্রায় ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছিল—এটা আমি সমর্থন করি না। কোনো রাজনৈতিক দল তার কর্মসূচি পালন করার সময় অন্য রাজনৈতিক দল বাধা দিক এটা আমি মোটেও সমর্থন করি না। এখান থেকে আসলে এনসিপিরও শিক্ষা নেওয়া উচিত যে অন্য রাজনৈতিক দলও যখন তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চাইবে, সেখানেও তাদের বাধা দেওয়া উচিত না। 

তিনি বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তারা গতবার যখন টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিল, সেখানে তারা মুজিববাদ মুর্দাবাদ, মুজিববাদ মুর্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিল—এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য থেকে তাদেরকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বলেন, জনগণের কাছে যাওয়ার জন্য যদি কোনো রাজনৈতিক দলকে ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে পালিয়ে আসতে হয় কিংবা আর্মির প্রয়োজন হয় বা পুলিশের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতাটা কতটুকু তাদের নিজেরই ভেবে দেখা দরকার। 

তিনি বলেন, রাজনীতিতে আমাদের দেশে গুজব একটা বড় জিনিস। সব জায়গাতে গুজব দিয়েই আমরা রাজনীতি করি। আমরা চাঁদে কারোর মুখ দেখি বা আমরা বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দিয়েই জনগণকে প্রতারিত করি। এই মুহূর্তে ফেসবুকে বা বিভিন্ন লোকজনের মুখে শুনতেছি, ওখানে আসলে যে বা যারা এইটি (ককটেল) ফুটিয়েছে তারা তাদের কর্মী ছিল, এনসিপির কর্মী ছিল। এখন যদি এনসিপি সত্যি সত্যি এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটিয়ে নিজের জন্য প্রটেকশন হিসেবে আর্মি বা পুলিশ চায়, এটা তাদের ওই প্রতারণারই একটা নকশা ছাড়া কিছু না।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন থানা এলাকায় রাতভর এই অভিযান চালানো হয়।

তেজগাঁও বিভাগ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শিল্পাঞ্চল ও হাতিরঝিল থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া আদাবর থানা পুলিশ ১১ জন, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ৯ জন, হাতিরঝিল থানা পুলিশ ৯ জন, তেজগাঁও থানা পুলিশ ৫ জন এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা
ছবি: কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যা সমাধানে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এলাকার রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাতের সংস্কার, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি সরবরাহ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল হক, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহমেদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, মিরপুর সার্কেলের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির মহাব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) রবিউল ইসলাম এবং ডেসকোর নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।