• ই-পেপার

ইন্দোনেশিয়ায় ডি-৮ হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশের ২২ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০৯ জুলাই ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ২২ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৪৪ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৬৭ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ১১ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৪ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৪ টাকা ৯২ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২০ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৭ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৯০ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ৪৪ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫১ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

সরকার প্রাইভেট সেক্টরকে নতুন বিনিয়োগের জন্য ফেসিলেটেড করবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাসস
সরকার প্রাইভেট সেক্টরকে নতুন বিনিয়োগের জন্য ফেসিলেটেড করবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
সচিবালয়ে পাঠ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানে শিল্প, পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির–ছবি : বাসস

শিল্প, পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকার প্রাইভেট সেক্টরকে নতুন বিনিয়োগের জন্য ফেসিলেটেড (সহজ) করবে। আমরা আমাদের পূর্ণ শক্তি নিয়ে কাজ করছি। যত দ্রুত সম্ভব বিভিন্ন সেক্টরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পাঠ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার যখনই কোনো ব্যবসা পরিচালনা করতে গেছে সেখানে আমরা ইনএফিসিয়েন্সি (অদক্ষতা) দেখেছি। সেই তুলনায় ব্যক্তি যখন এগিয়ে আসে ব্যবসার ক্ষেত্রে তার ডে টু ডে ম্যানেজমেন্ট বা তার অপারেশনাল এফিসিয়েন্সি সরকারি পরিচালনা থেকে অনেক বেশি। তাই বেসরকারি খাতকে ফ্যাসিলেটেড করলে নিশ্চয়ই কর্মসংস্থান বাড়বে।

বাংলাদেশের জুট মিল করপোরেশন এবং বাংলাদেশ জুট এয়ারলাইনস লিমিটেড তথা টিকে গ্রুপের মধ্যে নরসিংদীতে ৩৪.৫০ একর জমির লিজ প্রদানের চুক্তি সম্পাদিত হয়।

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব ড.খায়রুজ্জামান চৌধুরী, পাঠ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যে বিজেএমসি’র বন্ধ মিলসমূহে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি মিল লিজ প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১৪টি মিলের লিজ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং ৯টি মিলে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এসব মিলে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দৈনিক প্রায় ১৬০ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য উৎপাদন হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জুট মিলস লিমিটেড, নরসিংদী এর ৭৭.০২ একর জমির মাঝে পূর্বে প্রায় ৩৪.৫০ একর জমি জুট অ্যালায়েনস লিমিটেডকে লিজ প্রদান করা হয়েছে। সেখানে ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু হয়েছে, দৈনিক প্রায় ৪০ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে এবং প্রায় ৩ হাজার ২০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম বলেন, পণ্য উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আজ অতিরিক্ত ১৪.৮০ একর জমির লিজ প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ হাজার ৫০ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগ করবে। 

এর ফলে বার্ষিক প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার উৎপাদন এবং নতুন করে প্রায় ৩ হাজার জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস, এই বিনিয়োগ শুধু একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ নয়; এটি দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফের কমল সোনার দাম, ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
ফের কমল সোনার দাম, ভরি কত?
সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কারালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

ট্রেড ফাইন্যান্সে খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশের বেশি

অনলাইন ডেস্ক
ট্রেড ফাইন্যান্সে খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশের বেশি

দেশের ট্রেড ফাইন্যান্স খাতে সম্পদের গুণগত মানের ওপর ক্রমেই চাপ বাড়ছে। উল্লেখযোগ্য ট্রেড ফাইন্যান্স এক্সপোজার রয়েছে এমন ব্যাংকগুলোর ট্রেডসংশ্লিষ্ট ঋণ পোর্টফোলিওতে খেলাপি ঋণের হার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিছু ব্যাংকে এ হার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ হলেও যেসব ব্যাংকে সামগ্রিক খেলাপি ঋণের হার বেশি এবং একই সঙ্গে ট্রেড ফাইন্যান্সে বড় ধরনের এক্সপোজার রয়েছে, সেখানে ট্রেড ফাইন্যান্সসংক্রান্ত খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশেরও বেশি। ট্রেড ফাইন্যান্স কার্যক্রমের আধুনিকায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সম্পদের গুণগত মান উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন বক্তারা। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) আয়ো ট্রেড সার্ভিসেস অপারেশনস অব ব্যাংক শীর্ষক এক রিভিউ কর্মশালায় উপস্থাপিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল মিরপুরে বিআইবিএম ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় দেশের জ্যেষ্ঠ ব্যাংকার, নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা অংশ নেন। বক্তব্য দেন বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি প্রফেসর ও এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুর রহমান, প্রাইম ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজ্জাদ হায়দার চৌধুরী এবং সিটি ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ।

গবেষণা দলের পক্ষে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের প্রফেসর (সিলেকশন গ্রেড) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। তিনি বলেন, ট্রেড ফাইন্যান্সে নন-ফান্ডেড দায় জোরপূর্বক ঋণে রূপান্তরিত হওয়াই খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে মূলধনি যন্ত্রপাতি, তুলা ও অন্যান্য কাঁচামাল, চিনি, সার, জ্বালানি এবং স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানিসংক্রান্ত ট্রেড ফাইন্যান্সে এ ধরনের ঋণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। গবেষণায় রপ্তানি অর্থায়নের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত দুর্বলতার বিষয় তুলে ধরা হয়।

জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় সব ব্যাংকারের মতে, আইনগতভাবে কার্যকর ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি ছাড়া ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ব্যবহারের কারণে রপ্তানি অর্থায়নে খেলাপি ঋণ সৃষ্টি হচ্ছে। গবেষণায় বলা হয়, নিশ্চিত রপ্তানি আদেশের ভিত্তিতে উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আমদানির উদ্দেশ্যে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ব্যবহৃত হলেও এর ভিত্তি দুর্বল বা আইনগতভাবে অকার্যকর হলে পুরো অর্থায়ন প্রক্রিয়া ঝুঁকির মুখে পড়ে। ফলে রপ্তানি আয় সময়মতো না এলে ট্রেড ফাইন্যান্সের স্বয়ং-পরিশোধযোগ্য বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয়ে তা দ্রুত জোরপূর্বক ঋণে পরিণত হয় এবং ব্যাংকের ঋণঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কাগজবিহীন করতে ইলেকট্রনিক ট্রেড ডকুমেন্টের জন্য আধুনিক আইনগত ও ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে গ্রাহকসেবার মান বজায় রেখে অর্থ পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং ট্রেড-বেইজড মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ট্রেড ফাইন্যান্সের সুযোগ সম্প্রসারণে উদ্ভাবনী আর্থিক পণ্য ও ঝুঁকি ভাগাভাগির কার্যকর ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পণ্যভিত্তিক তথ্যসংগ্রহ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সম্পদের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ আরও জোরদারের আহ্বান জানান। একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও কার্যকর ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোরও তাগিদ দেন তিনি।