• ই-পেপার

ট্রেড ফাইন্যান্সে খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশের বেশি

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে ছাড় দিচ্ছে পাকিস্তান

বাণিজ্য ডেস্ক
ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে ছাড় দিচ্ছে পাকিস্তান
সংগৃহীত ছবি

দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ শরিয়াহভিত্তিক বা ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় রূপান্তরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে পাকিস্তান, যা সম্পন্ন হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ সালের মধ্যে। এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে ২০২২ সালে পাকিস্তানের ফেডারেল শরিয়াহ কোর্টের একটি রায়, যেখানে সরকারকে সুদভিত্তিক (রিবা) আর্থিক ব্যবস্থা ধাপে ধাপে বিলুপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। পাকিস্তানের দেশীয় ব্যাংকগুলোকে পুরোপুরি ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তর করলেও দেশটিতে কার্যরত বিদেশি ব্যাংকগুলোকে সুদভিত্তিক প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংকিং সেবাও দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত বিদেশি ব্যাংকগুলোর জন্য একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তৈরি করবে।

সরকারের রোডম্যাপ অনুযায়ী ২০২৮ সালের পর দেশীয় ব্যাংকগুলোর নতুন ঋণ ও অর্থায়ন সম্পূর্ণ শরিয়াহসম্মত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। বর্তমানে চালু থাকা প্রচলিত ঋণগুলো নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে এসব ঋণ নবায়ন বা পুনঃঅর্থায়নের ক্ষেত্রে ইসলামী অর্থায়ন কাঠামো অনুসরণ করতে হবে।

সরকারও ধীরে ধীরে সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে সুকুকসহ অন্যান্য ইসলামী আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করবে। এই ক্ষেত্রে বিদেশি ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। তারা একই সঙ্গে প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা চালিয়ে যেতে পারবে এবং ইসলামী ব্যাংকিং পণ্য ও সেবাও দিতে পারবে। সরকারের মতে, এ ব্যবস্থা নেওয়ার কারণ হলো পাকিস্তানে কার্যরত বহুজাতিক কম্পানিগুলোর অনেকেরই এখনো প্রচলিত আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সেবার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখার স্বার্থে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে পাকিস্তানের সংযোগ বজায় রাখতে হবে।

দেশীয় ব্যাংকগুলোর সামনে চ্যালেঞ্জ : পাকিস্তানের স্থানীয় ব্যাংকগুলোর জন্য এই রূপান্তর ব্যয়বহুল ও জটিল হবে। তাদের সব প্রচলিত ব্যাংকিং পণ্যকে ইসলামী পণ্যে রূপান্তর করতে হবে। নতুন আইনি চুক্তি ও নথিপত্র তৈরি করতে হবে। তথ্য-প্রযুক্তি (আইটি) ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে। কর্মকর্তাদের ইসলামী অর্থায়নের ওপর প্রশিক্ষণ দিতে হবে। শরিয়াহসম্মত নতুন অর্থায়ন পদ্ধতি তৈরি করতে হবে। শরিয়াহ তত্ত্বাবধায়ক বোর্ডের অনুমোদন নিতে হবে। এসব পরিবর্তনের জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ও সময় ব্যয় হবে।

ব্যাংকিং খাতের উদ্বেগ : রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির ব্যাংকিং খাতের কিছু অংশ মনে করছে এই নীতির ফলে দেশীয় ব্যাংকগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে। কারণ তারা আর প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা দিতে পারবে না। বিদেশি ব্যাংকগুলো একই সঙ্গে প্রচলিত ও ইসলামী উভয় ধরনের সেবা দিতে পারবে। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে বিদেশি ব্যাংকের দিকেই বেশি ঝুঁকতে পারে।

সরকারের অবস্থান : দেশটির সরকার বলছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর জন্য এই ব্যতিক্রম কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং এটি একটি বাস্তবসম্মত ও অর্থনৈতিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। এর লক্ষ্য হলো বিদেশি বিনিয়োগ ধরে রাখা। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক অর্থায়নে বিঘ্ন না ঘটানো। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। সরকারের মতে, ধাপে ধাপে এই পরিবর্তন বাস্তবায়ন করলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা এড়ানো সম্ভব হবে। 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানে এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংকিং দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের ব্যাংকিং খাতের একটি উলে­খযোগ্য অংশ বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের আওতায় এসেছে এবং সরকার বিভিন্ন বড় অর্থায়ন প্রকল্পেও ইসলামী আর্থিক উপকরণ ব্যবহার শুরু করেছে।

আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে এবং এসব ব্যাংকের আমানতকারীরা তাদের জমানো টাকা সুদসহ ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের আমানতের কোনো অংশ কর্তন বা ‘হেয়ার কাট’ করা হবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা জানান। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু এই নোটিশটি উত্থাপন করেন।

সংসদে অর্থমন্ত্রী জানান, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার ‘ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। এই আইনের আওতায় এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে।

পরিস্থিতিকে ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমানতকারীদের আশ্বস্ত করতে চাই, তারা সুদসহ তাদের টাকা ফেরত পাবেন। যেহেতু সুদসহ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে, তাই ‘হেয়ার কাট’-এর কোনো প্রশ্নই আসে না। তবে ব্যাংকগুলো বর্তমানে লোকসানে থাকায় পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে।’

আমানতকারীদের আইনি সুরক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় সুরক্ষার সীমা ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে বিশেষ ফরেনসিক অডিট পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দেশি-বিদেশি সম্পত্তি ও তহবিল জব্দ, নিলাম বা বিক্রয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ পুনরুদ্ধার করা হবে।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকারের নেওয়া বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, ‘পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে ‘নো উইন, নো ফি’ (অর্থ উদ্ধার হলেই কেবল ফি প্রদান) ভিত্তিতে নয়টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১১টি মামলার মধ্যে ছয়টি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে—এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়েন্ট গ্রুপ এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী সংশ্লিষ্ট গ্রুপ।’

এর আগে নোটিশটি উত্থাপনকালে সরকারি দলের সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু বলেন, ‘সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংকের প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারী বর্তমানে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। তাদের আমানত থেকে কোনোভাবেই ‘হেয়ার কাট’ করা যাবে না।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘যারা জনগণের টাকা লুট করেছে, তাদের পৃথিবীর যে প্রান্ত থেকেই হোক ফিরিয়ে এনে ‘ডিম থেরাপি’ দিয়ে টাকা আদায় করতে হবে।’

গ্রাহকদের সংকটের চিত্র তুলে ধরে রেহেনা আক্তার রানু বলেন, ‘ব্যাংকে রাখা টাকা মানুষের বিলাসিতার জন্য নয়। এটা একজন বাবার মেয়ের বিয়ের স্বপ্ন, মায়ের চিকিৎসার শেষ ভরসা, শিক্ষার্থীর টিউশন ফি কিংবা কারো পেনশনের সঞ্চয়। আজ টাকা তুলতে না পেরে অনেকে চিকিৎসা করাতে পারছেন না, টাকার অভাবে মারাও যাচ্ছেন। অথচ লুটেরা মালিক পক্ষ বিদেশে পালিয়ে আরামে জীবনযাপন করছে।’

তিনি এই সমস্ত ‘ব্যাংকখেকো’ মালিকদের সমস্ত সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে দ্রুততম সময়ে গ্রাহকদের টাকা তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানান।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে ধস দেখা গেছে। অন্যদিকে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যা নতুন করে মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে। খবর রয়টার্স

বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৯ দশমিক ৯২ ডলারে নেমে আসে, যা গত ২ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। এ ছাড়া আগামী আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাতিলের ঘোষণার পর এক লাফে তেলের দাম ৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনুভো বলেন, ‘তেলের দামের এই আকস্মিক লাফ নতুন করে মুদ্রাস্ফীতি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটি মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।’

সাধারণত সোনাকে মুদ্রাস্ফীতিজনিত ক্ষতি মোকাবেলার হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়ানো হলে সুদবিহীন এই মূল্যবান ধাতুর ওপর চাপ সৃষ্টি হয়।

ট্রাডু ডট কমের সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট নিকোস জাবোরাস বলেন, ‘ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে এ বছর সোনা নিম্নমুখী হচ্ছে। ফলে আগামী সেশনগুলোতেও সোনার দাম চাপের মুখে থাকবে।’

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৮ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৭৪ দশমিক ০৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ২১৪ দশমিক ৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে দেশের বাজারে এখন ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মানবকেন্দ্রিক এআই ও নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ৫৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক
মানবকেন্দ্রিক এআই ও নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ৫৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
সংগৃহীত ছবি

ইন্টারন্যাশনাল এআই ইনোভেশন অ্যান্ড লিডারশিপ কনসোর্টিয়াম (আইএআইএলসি) প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকায় স্থানীয় একটি হোটেলে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন আইএআইএলসি প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর বি সি পান্ডে।

প্রফেসর বি সি পান্ডে জানান, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২৫ জুলাই ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁও এ পুরস্কার দেওয়া হবে। যার পুরো আয়োজন করেছে কানাডাভিত্তিক সংস্থা ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন-ইউএইচএফ।

মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অ্যাওয়ার্ডের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় ইনস্টিটিউশনাল রিসার্চ, ডিউ ডিলিজেন্স, কমপ্লায়েন্স স্ক্রিনিং, গভর্ন্যান্স রিভিউ এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ইভ্যালুয়েশন—আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে। পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত মোট ৫৭ বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেন আইএআইএলসি প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর বি সি পান্ডে। 

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। 

প্রফেসর বি সি পান্ডে ভার্চুয়াল বক্তব্যে বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চেম্বার অব কমার্স, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ের অবদানকে দীর্ঘ গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের মাধ্যমে যাচাই করে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়েছে।