• ই-পেপার

ভারি বৃষ্টির ফলে ৪ বিভাগে বন্যার শঙ্কা

ভিসা পলিসির খসড়া চূড়ান্ত করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
ভিসা পলিসির খসড়া চূড়ান্ত করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি

দেশের প্রস্তাবিত নতুন ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রীকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

নবগঠিত ৮ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; পররাষ্ট্রমন্ত্রী; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী; বাণিজ্যমন্ত্রী; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী; শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটির মূল কার্যপরিধি হবে ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করা। কমিটি কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্য কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, নবগঠিত কমিটি কর্তৃক পরিমার্জনের পর ‘ভিসা পলিসি ২০২৬’-এর চূড়ান্ত খসড়া আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ সভাপতি এবং ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

নবগঠিত ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও রয়েছেন ১০ জন সহসভাপতি, ৭ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, ৬ জন সহসাংগঠনিক সম্পাদক, একজন অর্থ সম্পাদক, একজন সহঅর্থ সম্পাদক, একজন দপ্তর সম্পাদক, একজন সহদপ্তর সম্পাদক, একজন আইনবিষয়ক সম্পাদক, একজন সহকারী আইনবিষয়ক সম্পাদক, একজন আন্তঃসার্ভিস সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক, একজন সহকারী আন্তঃসার্ভিস সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক, একজন প্রচার সম্পাদক, একজন সহকারী প্রচার সম্পাদক, একজন প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক, একজন সহকারী প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক, একজন স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক, একজন সহকারী স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক, একজন গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পাদক, একজন সহকারী গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পাদক, একজন তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক, একজন সহকারী তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক, একজন ক্রীড়া সম্পাদক, একজন সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক, একজন সাংস্কৃতিক সম্পাদক, একজন সহকারী সাংস্কৃতিক সম্পাদক, একজন মহিলাবিষয়ক সম্পাদক, একজন সহকারী মহিলাবিষয়ক সম্পাদক, একজন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, একজন সহকারী ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, একজন আপ্যায়ন সম্পাদক, একজন সহকারী আপ্যায়ন সম্পাদক এবং ৯৭ জন সদস্য।

পুলিশ সদর দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নবগঠিত এ কমিটি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবে।

ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদন

রোহিঙ্গানীতি ঢেলে সাজাতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গানীতি ঢেলে সাজাতে হবে

মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে রোহিঙ্গানীতি পুনর্বিন্যাসের তাগিদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি)। সংস্থাটি বলছে, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনকে  দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে রেখে ঢাকার উচিত বর্তমান বাস্তবতার আলোকে একটি অন্তর্বর্তী কৌশল গ্রহণ করা। যেখানে শরণার্থী শিবিরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রোহিঙ্গাদের স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং রাখাইনের বর্তমান নিয়ন্ত্রক শক্তি আরাকান আর্মির সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগের ওপর জোর দিতে হবে।

গতকাল বুধবার ক্রাইসিস গ্রুপের বিশেষ প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়। ক্রাইসিস গ্রুপ জানিয়েছে, মায়ানমারে যুদ্ধ চলমান থাকা অবস্থায় তাড়াহুড়া করে কোনো প্রত্যাবাসন উদ্যোগ নেওয়া টেকসই হবে না। তবে নীতিগতভাবে নিষ্ক্রিয় থাকারও সুযোগ নেই। সামনের দিনগুলোতে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের  সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশকে তার রোহিঙ্গানীতিতে এই বাস্তবসম্মত সংস্কারগুলো আনতেই হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। ঢাকা বরাবরই প্রত্যাবাসনকে একমাত্র স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখলেও মায়ানমার ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। বর্তমানে রাখাইন রাজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা এখন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। ফলে পূর্ববর্তী সরকারের শুধু মায়ানমার জান্তাকেন্দ্রিক দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি এখন আর কার্যকর নয়। এদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ক্ষমতায় আসা নতুন সরকারের সামনে গণতান্ত্রিক উত্তরণ সুসংহত, অর্থনীতি সচল করাসহ নানা অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাসংকট শীর্ষ অগ্রাধিকারের তালিকায় না থাকলেও একে অবহেলা করা হবে একটি গুরুতর ভুল। কারণ তহবিলসংকট ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণে এ সংকট এখন আরো ঘনীভূত হচ্ছে।

আইসিজি জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন মানবিক সংকট তৈরি হওয়ায় রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্য ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বাধ্য হয়ে শরণার্থীদের মাসিক রেশন কমিয়ে মাথাপিছু মাত্র ৭ ডলারে নামিয়ে এনেছে। তহবিলসংকটের মধ্যে প্রতিবছর শিবিরে প্রায় ৩০ হাজার নতুন শিশুর জন্ম নিচ্ছে এবং মায়ানমারে নতুন করে সংঘাতের কারণে ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি নতুন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈধ কাজের সুযোগ না থাকায় শরণার্থীরা অনানুষ্ঠানিকভাবে কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে, যা স্থানীয় বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শরণার্থী শিবিরে আরসা ও আরএসওর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আধিপত্যের লড়াই নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে।

সংকট মোকাবেলায় ক্রাইসিস গ্রুপ একটি দ্বিমুখী (অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক) বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছে। সংস্থাটি বলছে, রোহিঙ্গাদের শরণার্থী শিবিরে এবং বাইরে নির্দিষ্ট কিছু খাতে নিয়ন্ত্রিত ও নিয়মতান্ত্রিক কাজের সুযোগ দেওয়া উচিত। এটি একদিকে আন্তর্জাতিক সহায়তার ওপর পরনির্ভরশীলতা কমাবে, অন্যদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে মজুরি নিয়ে তৈরি হওয়া অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ করবে। এ ছাড়া পণ্য সহায়তার পরিবর্তে সরাসরি নগদ অর্থ স্থানান্তর করলে পরিচালন ব্যয় কমবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি সচল হবে। বাঁশ-তেরপলের অস্থায়ী আশ্রয়ের বদলে টেকসই বা বহুতল বাসস্থান নির্মাণ করা দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী। পাশাপাশি কক্সবাজারের তুলনায় পরিচালন ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় ভাসানচরের শরণার্থী শিবিরটি বন্ধের পরিকল্পনা করা উচিত। এ ইস্যুতে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা এড়াতে ক্ষমতাসীন দলের উচিত প্রধান বিরোধী শক্তিগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা।

অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধ করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধ করতে হবে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা মোকাবিলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘বাংলাফ্যাক্ট’ অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গতকাল সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর-পর্বে এসব তথ্য জানান তিনি। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত ‘বাংলাফ্যাক্ট’ ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ভিডিও ও রিল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকাশিত হয়েছে ৩০৬টি। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচটি দাবির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে পরিচালিত ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ, সংবাদমাধ্যমের আদলে পরিচালিত ১৬টি অপতথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট, ৩০০টির বেশি বিভ্রান্তিকর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০টি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য শিগগিরই একটি ‘ফ্যাক্টচেক ম্যানুয়াল’ প্রকাশ করা হবে।

একই প্রশ্নের জবাবে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ২০২৪ সালের পয়লা অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০টি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন ৭৩৯ জন সাংবাদিক। এসব প্রশিক্ষণের মধ্যে ডিজিটাল সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ফ্যাক্টচেকিং বিষয়ক ১৪টি বিশেষ প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি প্রশিক্ষণেই গুজব মোকাবিলা, তথ্য যাচাই এবং সাংবাদিকতায় এআই প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ৬৮টি তথ্য অফিসের মাধ্যমে সারা দেশে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ ছাড়া জেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে বিভিন্ন জনবহুল স্থানে, বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির নিমিত্ত চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, উঠান বৈঠক ও কমিউনিটি সভা, আলোচনা সভা ও মতবিনিময় সভা আয়োজন, মাইকিংসহ গণসচেতনতামূলক বিভিন্ন ধরনের প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।