• ই-পেপার

পিএসজির দুই বন্ধু আজ মাঠের ‘প্রতিপক্ষ’, কোয়ার্টারের অগ্নিপরীক্ষায় হাকিমি-দেম্বেলে

ফ্রান্সের বিপক্ষে তারকা খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না মরক্কো

ক্রীড়া ডেস্ক
ফ্রান্সের বিপক্ষে তারকা খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না মরক্কো
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের শেষ আটের লড়াইয়ে ফ্রান্সের বিপক্ষে রাতে মাঠে নামছে আফ্রিকার একমাত্র প্রতিনিধি মরক্কো। হাইভোল্টেজ ম্যাচে মরক্কো একাদশে পাচ্ছে না দলের গুরুত্বপূর্ণ তারকা খেলোয়াড় ইসমায়েল সাইবারিকে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন ২৫ বছর রয়সী এই ফুটবলার। দলটির কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর ইএসপিএন

রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে তিনি এই চোট পান। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনি দলের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন। 

এবারের বিশ্বকাপে বড় নামগুলোর বাইরে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে দারুণভাবে প্রমাণ করেছেন সাইবারি। আর এতেই পিএসভি এইনডোভেন থেকে ৫০ মিলিয়ন ইউরোতে বায়ার্ন তাকে দলে ভিড়িয়েছে। 

এ প্রসঙ্গে ওয়াহবি বলেন, ‘সাইবারি ছাড়া দলে অন্যরা শতভাগ ফিট আছে। এই ম্যাচে সে খেলতে পারছে না। আশা করি এটাই টুর্নামেন্টে তার শেষ ম্যাচ হবে না।’

গ্রুপের তিন ম্যাচেই তিনি গোল করেছেন। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২’র ম্যাচে পেনাল্টি শুট আউটে তিনি জয়সূচক শটটি নিয়েছিলেন। 

এ্যাটলাস লায়ন্সদের সামনে এখন সুযোগ ২০২২ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রতিশোধ নেবার। প্রথম আফ্রিকান-আরব দেশ হিসেবে চার বছর আগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল মরক্কো। এবারও সেই কৃতিত্ব স্পর্শ করার হাতছানি রয়েছে। 

আইশোস্পিডের কারণেই পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি!

ক্রীড়া ডেস্ক
আইশোস্পিডের কারণেই পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি!
সংগৃহীত ছবি

লিওনেল মেসি বনাম ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো— ফুটবল বিশ্বের এই দ্বৈরথ চিরন্তন। মাঠের লড়াইয়ে এই দুই জাদুকর যেভাবে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেন, মাঠের বাইরে তাদের ভক্তদের লড়াইটাও চলে সমানে সমান। আর রোনালদোর সেই ভক্তকুলে সবচেয়ে বড় ও ‘উদ্ভট’ নাম মার্কিন ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘আইশোস্পিড’। সিআরসেভেনের অন্ধ ভক্ত হওয়ায় মেসির যেকোনো সাফল্যই স্পিডের বুকে তীরের মতো বিঁধে। চলমান বিশ্বকাপেও মেসির পিছু ছাড়েননি এই সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন। 

শেষ ষোলোর মিশর বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচে অবধারিতভাবেই মেসির প্রতিপক্ষ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন স্পিড। আর্জেন্টিনার জালে মিশরের গোল দেখে গ্যালারিতে করেছেন ক্ষেপাটে উল্লাস। তবে সব ছাড়িয়ে স্পিড এখন টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড মেসির পেনাল্টি নেওয়ার সময় তার করা অদ্ভুত সব অঙ্গভঙ্গির কারণে। ফুটবল পাড়ায় এখন রসাত্মক প্রশ্ন— স্পিডের ‘কালা জাদুতে’ই কি পেনাল্টি মিস করলেন মেসি? 

ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল আর্জেন্টিনা, মাত্র ১৫ মিনিটে গোল হজম করে বসে আলবিসেলেস্তেরা। তবে চার মিনিট পরেই পেনাল্টি পেয়ে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ আসে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সামনে। স্পট কিক নিতে আসেন স্বয়ং লিওনেল মেসি। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে মেসির ডানদিকের নেওয়া শটটি অসামান্য দক্ষতায় রুখে দেন মিশরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের।

মেসি পেনাল্টি মিস করার পরই ‘রহস্য ফাঁস’ করেন স্পিড। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের আপলোড করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মেসি যখন শট নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই গোলপোস্টের ঠিক পেছনের গ্যালারি থেকে উচ্চস্বরে চিৎকার শুরু করেন স্পিড। মেসির মনোযোগ পুরোপুরি নষ্ট করতে মানুষের আওয়াজ ছেড়ে অবিকল কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করতে থাকেন তিনি, সাথে ছিল তার চেনা উদ্ভট নাচানাচি। আর এর ঠিক পরের মুহূর্তেই গোল করতে ব্যর্থ হন এলএমটেন।

মেসি বল জালে জড়াতে না পারায় প্রথমে চরম অবাক হওয়ার ভান করেন এই ইউটিউবার। কিছুক্ষণ মুখ হাঁ করে ক্যামেরা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে বুক ফুলিয়ে বলেন, ‘এটা কি আসলেই কাজ করেছে? ও মাই গড, এটা কি কাজ করেছে?’ এরপরই দম্ভোক্তি করে বলেন, ‘আমি মেসির মনোযোগ নষ্ট করে দিয়েছি!’ স্পিডের এমন উদ্ভট কাণ্ডে চটেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা, নেট দুনিয়ায় বইছে সমালোচনার ঝড়।

তবে একটা জায়গায় এসে আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা স্পিডের প্রতি মনে মনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই পারেন। কারণ, চলতি বিশ্বকাপে স্পিড যে দলের জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন বা যাকে সমর্থন দিয়েছেন, সেই দলই ম্যাচ হেরে মাঠ ছেড়েছে! রোনালদোর ভালোবাসায় অন্ধ স্পিড গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দে এবং নকআউটে মিশরের সমর্থক সেজে গ্যালারিতে এলেও দুই ম্যাচেই শেষ হাসি হেসেছেন মেসিরাই।

‘স্পিড অপয়া’র তালিকা অবশ্য এখানেই শেষ নয়। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে ব্রাজিলের সমর্থক হয়ে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি, আর সেদিনই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় সেলেসাওরা। এমনকি নিজের প্রাণপ্রিয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য পর্তুগালের জার্সি গায়ে যেদিন গ্যালারি কাঁপালেন, সেদিনই চোখের জলে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে পর্তুগালও। মজার ব্যাপার হলো, ক্রোয়েশিয়া-পর্তুগাল ম্যাচে স্পিড মাঠে না থাকার দিনই কেবল জয় পেয়েছিল রোনালদোরা। ফলে মেসির ভক্তরা এখন মনে মনে চাচ্ছেন, পরের ম্যাচেও স্পিড যেন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ দলকেই সমর্থন দেন!  
 

সমালোচনা থেকে বাঁচতে ইনস্টাগ্রাম বন্ধ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের বিতর্কিত রেফারির

ক্রীড়া ডেস্ক
সমালোচনা থেকে বাঁচতে ইনস্টাগ্রাম বন্ধ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের বিতর্কিত রেফারির
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিসরের বিতর্কিত হারের পর মাঠের উত্তেজনা এবার আছড়ে পড়ল ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। ম্যাচ পরিচালনায় চরম পক্ষপাতিত্ব আর ‘অন্যায্য’ সিদ্ধান্তের অভিযোগে মিসরীয় সমর্থকদের নজিরবিহীন সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছেন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের। তোপের মুখে টিকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটিই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী এই রেফারি।

গত ৭ জুলাই আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর সেই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারায় আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের ফল ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এখন রেফারির কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। মিসরের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ইএফএ) দাবি, ম্যাচের এমন কিছু দৃশ্য যা পরিষ্কার গোল এবং পেনাল্টি পাওয়ার যোগ্য ছিল, রেফারি লেতেক্সিয়ের তা ভিএআরে গিয়ে রি-চেক করতে সাফ অস্বীকৃতি জানান।

সবচেয়ে বেশি ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে রেফারির দ্বিমুখী নীতি। একদিকে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের করা ফাউল বা ভুলগুলো ভিএআরে দেখতে চাননি তিনি, অন্যদিকে প্রায় একই রকম এক অজুহাতে মিসরের করা একটি নিশ্চিত গোল বাতিল করে দেন। এই কাণ্ড দেখে গ্যালারি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সর্বত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা। প্রশ্ন ওঠে, লিওনেল মেসি ও তার দলকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতেই কি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পক্ষপাতিত্ব করেছেন ফরাসি রেফারি?

মাঠের সেই ক্ষোভের আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে লেতেক্সিয়েরের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে। মিসরীয় সমর্থক ও ফুটবল অনুরাগীরা খুঁজে বের করেন তার অ্যাকাউন্ট। এর পরই শুরু হয় মন্তব্য ও সমালোচনার সুনামি।

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ও ইনফ্লুয়েন্সারদের দেওয়া তথ্য মতে, ম্যাচের আগে লেতেক্সিয়েরের শেষ পোস্টে মাত্র ১২টি মন্তব্য ছিল। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই পোস্টে মন্তব্যের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১৭ হাজার! যার বেশির ভাগজুড়েই ছিল আর্জেন্টিনার প্রতি তার প্রকাশ্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এবং তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ। ট্রল, মিম আর তীব্র সমালোচনার এই পাহাড়সম চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের অ্যাকাউন্টটিই গুটিয়ে নেন এই ফরাসি রেফারি।

এদিকে মাঠের বাইরে এই লড়াইকে আরো উসকে দিয়েছে মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ও তার সহকারী রেফারিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে তারা। হানি আবু রিদার নেতৃত্বাধীন মিসরীয় ফেডারেশন এখন এই ‘রেফারিং কেলেঙ্কারি’র শেষ দেখে ছাড়তে চায়।

ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কে জিতবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কে জিতবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী দল ফ্রান্স ও আফ্রিকার অন্যতম সেরা দল মরক্কো। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আগে দুই দলকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এরই মধ্যে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপটার সুপারক কম্পিউটারও জানিয়ে দিয়েছে, এই ম্যাচে কোন দলকে এগিয়ে রাখছে তারা। 

ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ আটের লড়াইয়ে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টায় মাঠে নামবে ফ্রান্স ও মরক্কো। ফ্রান্সের শক্তিশালী আক্রমণভাগের সামনে এবার বড় চ্যালেঞ্জ মরক্কোর সংগঠিত ও দৃঢ় রক্ষণ।

শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া ফ্রান্স এবার তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যেতে চায়। অন্যদিকে আশরাফ হাকিমি, হাকিম জিয়েশদের নেতৃত্বে মরক্কোর লক্ষ্য আরেকটি অঘটন ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো আবারও সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করা।

ম্যাচ শুরুর আগে অবশ্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে রেফারিং। আর্জেন্টিনা ও মিসরের শেষ ষোলোর ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাসোয়াঁ লেতেক্সিয়েরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই ফিফা ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে আর্জেন্টিনার রেফারিং দলকে, যা নিয়েও চলছে আলোচনা। তবে এসব বিতর্কে গুরুত্ব দিতে নারাজ ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ফুটবলে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থাকবেই। তবে তাদের মনোযোগ শুধুই মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা। রেফারিদের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ম্যাচের সম্ভাব্য ফল নিয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে অপটার সুপার কম্পিউটার। ২৫ হাজারবার সিমুলেশন চালিয়ে তারা দেখেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ। মরক্কোর জয়ের সম্ভাবনা ১৬ দশমিক ২ শতাংশ। আর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ২২ দশমিক ১ শতাংশ।

পরিসংখ্যানও ফ্রান্সের পক্ষেই কথা বলছে। দুই দল এখন পর্যন্ত ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে জয় পেয়েছে ফ্রান্স, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসেও একবার দেখা হয়েছিল দুই দলের। ২০২২ সালের আসরের সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ফরাসিরা।

পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস এগিয়ে রাখা হচ্ছে ফ্রান্সকে। তবে নকআউট পর্বে মরক্কো যেকোনো সময় চমক দেখাতে পারে, সেটিও মাথায় রাখছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। তাই সেমিফাইনালের টিকিট কার হাতে উঠবে, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াই শেষে।