• ই-পেপার

একাধিক বিস্ফোরণে কাঁপল ইরান, পরমাণু কেন্দ্র নিয়ে উদ্বেগ

কিংবদন্তি গায়িকা বনি টাইলার আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
কিংবদন্তি গায়িকা বনি টাইলার আর নেই
সংগৃহীত ছবি

‘টোটাল ইক্লিপস অফ দ্য হার্ট’খ্যাত কিংবদন্তি ব্রিটিশ গায়িকা বনি টাইলার না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন। ৭৫ বছর বয়য় এই গায়িকা মঙ্গলবার পর্তুগালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বরাতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, পর্তুগালের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন বর্ষীয়ান এই সংগীতশিল্পী। মূলত অন্ত্রের জরুরি অস্ত্রোপচারের পর থেকে কোমায় ছিলেন এবং সেখানেই তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৮০-এর দশকের বিশ্বজোড়া জনপ্রিয় গান ‘টোটাল ইক্লিপস অব দ্য হার্ট’-এর জন্য সর্বাধিক পরিচিত বনি টাইলার। তার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর এবং ‘হোল্ডিং আউট ফর আ হিরো’ ও ‘ইটস আ হার্টেক’-এর মতো বিখ্যাত সব গানের জন্য বিশ্বজুড়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সংগীতজগতে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে ২০২২ সালে এমবিই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছিল। 

জানা গেছে, বনি টাইলারের মৃত্যুর মূল কারণ ছিল অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাওয়া এবং অন্ত্রের গুরুতর জটিলতা; যার কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যা জটিল অঅকার ধারণ করে।

পর্তুগালের আলগার্ভেতে নিজের বাড়িতে থাকাকালীন তিনি তীব্র পেটে ব্যথা অনুভব করেন। ফলে গত মে মাসের শুরুতে তাকে পর্তুগালের ফারো শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে দেখা যায় তার অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গেছে এবং অন্ত্র ছিদ্র হয়ে গেছে।

চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে তার অন্ত্রে জীবন রক্ষাকারী অস্ত্রোপচার করে। তারপরই তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসকেরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। এরপর তার শরীরে মারাত্মক ইনফেকশন বা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। 

শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় এবং তার শরীরকে সুস্থ হতে সাহায্য করতে চিকিৎসকরা তাকে কৃত্রিম উপায়ে কোমায় পাঠান।

গত জুন মাসের মাঝামাঝিতে তিনি কোমা থেকে ফিরে আসলেও অত্যন্ত দুর্বল ও অসুস্থ ছিলেন এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, এই অসুস্থতার জটিলতার কারণেই হাসপাতালের বিছানায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৫১ সালের ৮ জুন যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে গেইনর হপকিন্স নামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। একটি শ্রমজীবী পরিবারে বেড়ে ওঠা টাইলারের জীবনে ছোটবেলা থেকেই সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে স্থানীয় ক্লাবগুলোতে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৬৯ সালে একটি স্থানীয় প্রতিভা প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হওয়ার পর পেশাদার সংগীতশিল্পী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি বনি টাইলার নাম গ্রহণ করেন। ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত ‘লস্ট ইন ফ্রান্স’ গানটি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তাকে প্রথম বড় সাফল্য এনে দেয়। এরপর ‘ইটস আ হার্টেক’ গানটির মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক তারকাখ্যাতি লাভ করেন।

বনি টাইলারের কর্কশ ও গভীর কণ্ঠ ছিল তার সবচেয়ে বড় স্বাতন্ত্র্য। ১৯৭৭ সালে স্বরযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়ায় তার কণ্ঠে স্থায়ী পরিবর্তন আসে। পরবর্তীতে সেই স্বতন্ত্র কণ্ঠই তার পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে এবং বিশ্বসংগীতে তাকে অনন্য মর্যাদা এনে দেয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল
রয়টার্স ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ উদ্যোগ এবং এর পরবর্তী ঘটনাবলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধে তার বিরুদ্ধে এই রায় দেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দেশটির সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি বলেন, ‘সব আপিল খারিজ করা হলো। পূর্ববর্তী আদালতের রায়ের কোনো আইনি ব্যাখ্যা নিয়ে কোনো ভুল-বোঝাবুঝি হয়নি।’

এক প্রতিবেদনে ডয়েচে ভেলে বলছে, রায়ের পর ইউন সুকের আইনজীবীরা গভীর হতাশা প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, পর্যাপ্ত পর্যালোচনা ছাড়াই সুপ্রিম কোর্ট এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

ইউনের এক আইনজীবী বলেন, ‘আমরা সাংবিধানিক অভিযোগসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে এই রায়ের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করব।’

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি নিম্ন আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নিজের গ্রেপ্তার ঠেকাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ব্যবহার করার অভিযোগে ইউন সুককে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে আপিল আদালত সেই সাজা বাড়িয়ে ৭ বছর করেন।

এদিকে বিতর্কিত সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার পৃথক মামলায় তিনি ইতিমধ্যেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন।

ইওন সুকের দাবি, সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালত বলেছেন, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ, যার ফলে বিপুল সামাজিক ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে আরেক মামলায় তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসব ছাড়াও ইউনের বিরুদ্ধে আরো ৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিরোধী দল সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত করছে—এ অভিযোগ তুলে সাময়িকভাবে সামরিক আইন জারি করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। তবে পার্লামেন্ট সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে দ্রুত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন।

ভারতে বন্যার পানিতে ভেসে গেল হাজার হাজার গ্যাস সিলিন্ডার

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বন্যার পানিতে ভেসে গেল হাজার হাজার গ্যাস সিলিন্ডার
ছবি : এনডিটিভি।

ভারতের মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় ভারি বৃষ্টির কারণে একটি এলপিজি বোতলজাতকরণ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

কর্মকর্তাদের মতে, টানা বৃষ্টিতে এইচপিসিএলের পাতালগঙ্গা এলপিজি বোতলিং প্লান্টের সুরক্ষাপ্রাচীর ধসে পড়ে। ফলে বন্যার পানি সরাসরি প্লান্টে ঢুকে যায় এবং প্রবল স্রোতে হাজার হাজার গ্যাস সিলিন্ডার ভেসে যায়। ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলোকে পাতালগঙ্গা নদী ও খারপাড়া খাঁড়িতে ভাসতে দেখা গেছে।

ঘটনার সময় একটি সেতু থেকে অনেক মানুষ ভাসমান সিলিন্ডারের ভিডিও ধারণ করেন। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বিস্ফোরণের খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া গ্যাস সিলিন্ডারগুলোর কিছুতে এখনও গ্যাস থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রশাসন। রায়গড়ের জেলা প্রশাসক কিশান জাভলে বলেছেন, পাতালগঙ্গা নদী বা আশপাশের এলাকায় কেউ যদি এসব ভাসমান সিলিন্ডার খুঁজে পান, তাহলে সেগুলো দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা কম্পানির কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসন জনগণকে এসব সিলিন্ডার বাড়িতে না রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব প্রশাসন বা কোম্পানির কাছে সেগুলো জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘নদীতে ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলোতে গ্যাস আছে কি না বা সেগুলো নিরাপদ অবস্থায় আছে কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কৌতূহলবশত সেগুলো তুলে নেওয়া, খোলা বা বাড়িতে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।’

গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার মধ্যে রায়গড় অন্যতম। সেখানে অনেক এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে এবং বিভিন্ন নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
 

চাকরি ও সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যার অভিযোগ, তরুণী গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
চাকরি ও সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যার অভিযোগ, তরুণী গ্রেপ্তার
ছবি : ইন্ডিয়া টুডে।

ভারতের জয়পুরের ২৩ বছর বয়সী এক তরুণী পারিবারিক সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ ও সরকারি চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের মাকে হত্যা করেছেন। দেশটির পুলিশ এই কথা জানিয়েছে।

গত ৩ জুলাই প্রতাপনগর এলাকায় ৪৫ বছর বয়সী নীরজ শর্মা নামের এক নারীকে হত্যা করা হয়। নীরজ শর্মার মেয়ে আয়ুশি শর্মা তার মাকে একটি স্করপিও এসইউভি দিয়ে চাপা দেয়। হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে দেখানোর জন্য গাড়ি দিয়ে চাপা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।

তদন্তে জানা গেছে, আয়ুশি শর্মা তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে মিলে ৭ লাখ রুপির বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করেছিলেন।

নীরজ শর্মা আদালতের লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক (এলডিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ নীরজের মেয়ে আয়ুশি শর্মা, তার চাচা মোহনস্বরূপ এবং মোহিত শর্মা, আকাশ শর্মা, অরবিন্দ শর্মা, হেমন্ত শর্মা ও রোহিত জাটভসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তকারীদের মতে, আয়ুশির চাচাতো ভাই বলরাম ওরফে রবি এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। তবে তিনি এখনো পলাতক রয়েছেন।

জানা যায়, নীরজের স্বামী প্রায় এক বছর আগে মারা গিয়েছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর নীরজ নিয়োগ পেয়ে এলডিসি হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। পুলিশ জানিয়েছে, বাবার মৃত্যুর পর যে সরকারি চাকরিটি খালি হয়েছিল, আয়ুশী সেটিই নিতে চেয়েছিল। কিন্তু নীরজ নিজেই সেই নিয়োগটি গ্রহণ করেন। তদন্তকারীরা আরো জানান, গত দুই-তিন বছর ধরে মা ও মেয়ের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল।

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে নীরজকে তার মেয়ে এবং শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করছিল। এ ছাড়া তাকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় আয়ুশি শর্মা জানায়, তার বাবার মৃত্যুর পর যে সরকারি চাকরিটি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, সেটি তার মা নিয়েছিলেন। কিন্তু আয়ুশি নিজে সেই চাকরি পেতে চেয়েছিলেন।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরি ও পারিবারিক সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়ুশি তার মাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন এবং এ কাজে অন্যদেরও যুক্ত করেন।

পুলিশের মতে, আয়ুশী তার মামা মোহনস্বরূপ এবং চাচাতো ভাই বলরাম ওরফে রবির সঙ্গে মিলে তার মাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে। তদন্তকারীদের দাবি, এই তিনজন হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করার জন্য ভরতপুরের বাসিন্দা হেমন্ত শর্মাকে ৭ লাখ টাকায় ভাড়া করেছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা প্রথমে একটি ভাড়া করা এসইউভি ব্যবহার করে নীরজের ওপর নজরদারি চালায়, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তদন্তকারীদের অভিযোগ, একটি স্করপিও গাড়ি ব্যবহার করে চূড়ান্ত হামলা চালানোর আগে তারা প্রায় এক মাস ধরে তার গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল।

তদন্ত অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের দিন অভিযুক্তরা নীরজের গতিবিধির ওপর কড়া নজর রেখেছিল। অভিযুক্তদের একজন, মোহিত শর্মা তার অবস্থান জানিয়েছিল আর অন্যজন রোহিত জাটাভ কাছাকাছি একটি মোটরসাইকেলে অবস্থান করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, যখন গাড়িটি নীরজকে ধাক্কা দেয় তখন ভাড়াটে খুনিদের একজন আকাশ শর্মা স্করপিও গাড়িটি চালাচ্ছিল এবং অন্যজন অরবিন্দ শর্মা তার সঙ্গে ছিল। 

ঘটনার পর অভিযুক্তরা ব্যবহৃত স্করপিও গাড়িটি ফেলে রেখে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। নীরজ শর্মার ভাই রাকেশ কুমার শর্মা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, এই হত্যার পেছনে পরিবারের একাধিক সদস্য এবং ভাড়াটে হামলাকারীরা জড়িত ছিল।

এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা কিছু তথ্য পেয়েছেন। সেখান থেকে ধারণা করা হয়, ঘটনাটি কোনো সড়ক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।