• ই-পেপার

এফটিএ আলোচনায় প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দূর করতে হবে অশুল্ক বাধা

যুগ্মসচিব পদে ১৭২ কর্মকর্তার পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
যুগ্মসচিব পদে ১৭২ কর্মকর্তার পদোন্নতি

উপসচিব পদমর্যাদার ১৭২ কর্মকর্তাকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে।

টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র জাতীয় সেন্টারে গড়ে তোলা হবে : ডা. জাহিদ

অনলাইন ডেস্ক
টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র জাতীয় সেন্টারে গড়ে তোলা হবে : ডা. জাহিদ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ফাইল ছবি

টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে জাতীয় পর্যায়ের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, আগের তুলনায় শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রটির ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে টঙ্গীর কলেজগেট এলাকার শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রে নির্মাণাধীন নতুন ভবনের কাজের মান এবং শিশুদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য শিশুদের কয়েদির মতো আটকে রাখা নয়; বরং শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সংশোধনের মাধ্যমে তাদের দক্ষ এবং ভালো মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা।’

পরিদর্শনকালে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, গাজীপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহাম্মদ মতিয়ার রহমান এবং শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক ইমরান খান উপস্থিত ছিলেন।

রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী

বাসস
রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। রাজস্ব আদায় খুবই ভালো হবে। এনবিআর-এর সবাই প্রস্তুত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব।’

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে এনবিআর-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য এনবিআর-এর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।

বৈঠকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।

ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি খাতের সমস্যাগুলো বোঝা ও সেগুলোর সমাধানে সরকার নিয়মিতভাবে ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

তিনি আরো বলেন, ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে সরকার ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। যেসব সমস্যা এখনো রয়ে গেছে, সেগুলোর সমাধানেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এসব সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে বাড়ি দেবে সরকার : দুর্যোগমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে বাড়ি দেবে সরকার : দুর্যোগমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রতি বছর পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে পাহাড়ের নিচে ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সরকারি এই উদ্যোগে সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিন ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

মন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় ধসের কারণে বেশকিছু প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে পাঁচজন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙ্গামাটিতে একজন এবং বান্দরবানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দ্রুত ওই এলাকাগুলোতে ইতিমধ্যে বিপুলসংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে আশ্রিত লোকজনের জন্য সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং তিনবেলা খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে আসার জন্য মাঠপর্যায়ে মাইকিং অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে মন্ত্রী আরো জানান, গত ৭ জুলাই দুর্গত এলাকার সাহায্যের জন্য প্রথম দফায় প্রতিটি জেলায় ১০ লাখ টাকা জিআর ক্যাশ এবং ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতির বিবেচনায় মন্ত্রণালয় থেকে নতুন করে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রামে ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারে ২৫০ মেট্রিক টন এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে প্রতিটি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রণালয়ের সচিব সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অবস্থান করছেন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

মন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশন মূলতবি থাকার সুযোগে পাহাড়ি অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি এবং প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান। পাহাড়ের নিচে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রতি বছর যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। সরকারের হাতে অনেক পরিত্যক্ত খাস জমি এবং আবাসন মন্ত্রণালয়ের জমি রয়েছে। সংসদ সদস্যরা যদি স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করে ভূমিকা রাখেন, তবে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সেসব নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসন ও বাড়ি বানিয়ে দিতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ভবিষ্যতে যাতে পাহাড় ধসে আর একটিও প্রাণহানি না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।