• ই-পেপার

শেরপুরে বাসচাপায় পথচারী নিহত

শ্রীমঙ্গলের চা বাগান থেকে অজগর উদ্ধার

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গলের চা বাগান থেকে অজগর উদ্ধার
ছবি: কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুরভুরিয়া চা বাগান থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। পরে সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ভানুগাছ সড়কের ফিনলে টি কোম্পানির ভুরভুরিয়া চা বাগানের ৯ নম্বর সেকশন থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চা বাগানের ৯ নম্বর সেকশনে নিয়মিত চা পাতা তুলছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় তারা একটি অজগর সাপ দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান।

পরে বাগানের ব্যবস্থাপক সিদ্দিকুর রহমান বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানান। খবর পেয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন এবং শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা অজগরটি সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছে। এটিকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান অথবা কোনো সংরক্ষিত গভীর বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, বর্ষা মৌসুমে খাবারের সন্ধানে বা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অনেক সময় অজগর চা বাগানের ঝোপঝাড়ে চলে আসে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত বন বিভাগ বা বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

৭০ কেজি গাঁজাসহ দুজন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
৭০ কেজি গাঁজাসহ দুজন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে র‌্যাব-৭-এর অভিযানে ৭০ কেজি গাঁজাসহ কথিত মাদক কারবারি রবিউল আলম ও তার সহযোগী রোকসানা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোমারবাড়ি গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) র‌্যাব-৭-এর পক্ষ থেকে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা গোমারবাড়ি এলাকার পালোয়ান বাড়িকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ওই এলাকায় র‌্যাব একাধিক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ কেজি গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করে। এসব ঘটনায় কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও রবিউল আলমকে তখন আটক করা সম্ভব হয়নি।

গত ২৫ জুন রাতে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে র‌্যাব। ওই ঘটনায় একই নাম থাকায় এসএস থাই মিস্ত্রি মুজিবুল হক প্রকাশ রবিউল এবং রাজমিস্ত্রি সিয়ামকে সাক্ষী হওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজ মানববন্ধন করে প্রকৃত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৭ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।গত বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিউল আলমের বাড়ির রান্নাঘরে অভিযান চালিয়ে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গোমারবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে রবিউল আলম এবং তার সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত রিপন হোসেনের স্ত্রী রোকসানা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-৭, সিপিসি-১-এর পুলিশ পরিদর্শক মো. ফখরুদ্দীন আজাদ মোল্লা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোছাইন বলেন, র‌্যাব ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই এলো মৃত্যুর খবর

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই এলো মৃত্যুর খবর
প্রতীকী ছবি

সুস্থ জীবনে ফেরানোর আশায় মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পেলেন তার মৃত্যুর খবর। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজত থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত যুবকের নাম রুবেল মিয়া (২২)। তিনি উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে।

রাজা হাওলাদার জানান, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের কারণে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রায়ই খারাপ আচরণ করতেন তিনি। ছেলেকে সংশোধনের আশায় তিনি নিজেই তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় রুবেল তিন মাস কারাভোগ করলেও মুক্তির পর আবারও মাদকে জড়িয়ে পড়েন।

রাজা বলেন, আজ সকালে আমি নিজেই পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এসে রুবেলকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তার জন্য খাবার ও জামা-কাপড় নিয়ে থানায় যাই। সেখান থেকে বাড়ির ফেরার পথে খবর পাই, আমার ছেলে থানা হাজতে আত্মহত্যা করেছে।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, বাবার দায়ের করা মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে রাখা হয়। হাজতে থাকা অবস্থায় রুবেল নিজের গায়ের শার্ট খুলে গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে আত্মহত্যা করেন। পরে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতে গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি জানান, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

খুলনা

খানাখন্দের সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে

বেশি খারাপ ১০ কিমি অংশ পাঁচ বছর ধরে ভোগান্তি দ্রুত পদক্ষেপ দাবি

কৌশিক দে, খুলনা
খানাখন্দের সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে
কার্পেটিং উঠে গিয়ে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় খুলনার দৌলতপুর-শাহপুর সড়ক ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে অনেক আগেই। বৃহস্পতিবার সড়কের আমভিটা বাজারসংলগ্ন এলাকায়। ছবি: কালের কণ্ঠ

‘পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাস্তাটা বেহাল। প্রতিদিনই দুই-একটা ইজিবাইক উল্টে যায়। কাদা-পানিতে ভরা গর্তে ঢুকে চাকা আটকে যায়। একদিন বসে থাকলে পেটে খাবার জোটে না। তাই প্রাণটা হাতে নিয়ে রাস্তায় গাড়ি বের করি। আমাদের দুর্দশা দেখার কেউ নেই।’ 

খুলনার দৌলতপুর-শাহপুর সড়ক নিয়ে এভাবে মনোকষ্ট আর ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা ডালিম গাজী। সড়কটির দূরাবস্থার কারণে তার মতো দুর্ভোগের শিকার সংশ্লিষ্ট এলাকার হাজার হাজার মানুষ। 

নগরীর দৌলতপুর মহসিন মোড় থেকে শাহপুর পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক এই সড়কটির প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশ নিয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। তাদের এই ভোগান্তি চলছে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে।

স্থানীয়রা জানায়, ভাঙা সড়কের বেশিরভাগ অংশ পড়েছে ডুমুরিয়া উপজেলার মধ্যে। এখানকার জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ ব্যবসায়ী এবং কৃষি ও মৎস্যজীবী। এর বাইরে রয়েছে চাকরিজীবী, যাত্রীবাহী যানের চালক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ফলে প্রায় প্রতিদিনই পেশা অনুযায়ী হাজারো মানুষকে দৌলতপুর-শাহপুর সড়ক ব্যবহার করতে হয়। এলাকার অনেক শিক্ষার্থীকে নগরীর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। অথচ দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি বেহাল। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সরেজমিন সড়কটিতে গিয়ে দেখা যায়,   বেশিরভাগ অংশে বিটুমিন ও পাথর উঠে গেছে, সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। অনেক জায়গায় মাটি দেবে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ভেতরের খোয়া উঠে মাটি বেরিয়ে পড়ায় তা কাঁচা রাস্তার রূপ পেয়েছে। ফলে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে  যানবাহন। এতে হালকা যান উল্টে যাওয়াসহ প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। 

সবচেয়ে বেশি খারাপ
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক এই সড়কটির প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশ বেশি খারাপ। সড়কটির শাহপুর বাজার, থুকড়া মাদরাসা রামকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমভিটা বাজার ও খানজাহান আলী কৃষি কলেজের সামনে; শলুয়া বাজার, শলুয়া পূর্ণচন্দ্র বিদ্যালয় এবং বাইপাস সড়কের সামনের অংশ একেবারেই ব্যবহারের অনুপযোগী। সড়কের এসব জায়গায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির দিনে কোনো কোনো অংশ ছোটখাটো ডোবার আকার ধারণ করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য
সড়কটির আড়ংঘাটার পর থেকে শাহপুর পর্যন্ত ও এর আশপাশের এলাকা থেকে নগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করেন এমন কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, আগে এ সড়ক দিয়ে সরকারি ব্রজলাল (বিএল) কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধায় প্রতিষ্ঠানটির বাস চলাচল করতো। তবে বেহাল সড়কের কারণে তা বন্ধ রাখা হয়। 

শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা বিএল কলেজের শিক্ষার্থী শেখ রহিম বলেন, ‘ইতোমধ্যে সড়কটিতে চলাচলকারী কলেজের বাস বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রতিদিন কলেজে যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।’

সড়কটি নিয়মিত ব্যবহার করতে হয় শাহপুর গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রাজু ফকির (৪৩)-কে। তার ভাষ্য, ‘এই একটি সড়ক নিয়ে বছরের পর বছর ভোগান্তি চলছে। শেষ কবে এর সংস্কার হয়েছে মনে নেই।’ তিনি বলেন, ‘এখানকার অনেক মানুষ শহরে অফিস করেন; শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সড়কটি ব্যবহার করেন। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শহরে গিয়ে মাছ-তরকারি বিক্রি করেন। তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। রাস্তায় নামলে অসুস্থ মানুষ আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে।’ 

আমভিটা এলাকার বাসিন্দা ইজিবাইক চালক নাসির সরদার বলেন, ‘১৪ কিলোমিটার সড়কে আগে আধাঘণ্টা সময় লাগতো। এখন এক ঘণ্টা থেকে সোয়া এক ঘণ্টা লাগছে। তবে গাড়ির যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘পেটের তাগিদে কাজ করতে হচ্ছে। কেউ আমাদের কষ্টের কথা শুনতে চায় না।’

কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা গৃহবধূ লক্ষ্মী রাণী, সবিতা মণ্ডল বলেন, ‘রাস্তাটি অত্যন্ত ঝূঁকিপূর্ণ। এলাকার মানুষ মাছ, সবজি, দুধ নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে দৌলতপুর যান। আমরা শুধু রাস্তাটি ভালো চাই।’

যা বলছে এলজিইডি
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর  (এলজিইডি) বলছে, সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। ইতোমধ্যে সড়কের একটি অংশে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে পুরো সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হবে।
 
এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, সড়কটি আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তিতে পুনর্নির্মাণের জন্য একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই আড়ংঘাটা রেল স্টেশন থেকে শাহপুর অংশের জন্য  দরপত্র দাখিল শেষ হবে। আগামী সেপ্টেম্বরে মহসিন মোড় থেকে আড়ংঘাটা অংশ ও চলতি অর্থ বছরে পুরো অংশের সংস্কার শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) খুলনার প্রধান প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম সরদার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রযুক্তিগত ক্রটির কারণে সড়কটি সংস্কারে পদক্ষেপ নিতে দেরি  হয়েছে। ইতোমধ্যে সড়কের একটি অংশের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছর পুরো সড়কের  সংস্কার কাজ শেষ হবে আশা করছি।’