জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বলা হয়, ২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে। জুলাই নামের সঙ্গে রয়েছে দুনিয়াজুড়ে পরিচিত এক স্বৈরাচারের সম্পর্ক। জুলাই রোমান স্বৈরশাসক জুলিয়াস সিজারের জন্ম মাস। যিনি ছিলেন প্রতাপশালী শাসক। তার জন্ম কুইন্টিলিস মাসে। লাতিন ভাষায় যার অর্থ পঞ্চম মাস। রোমান সিনেট জুলিয়াস সিজারের জন্ম মাসকে অমরত্ব দানে কুইন্টিলিস মাসের নাম পাল্টিয়ে জুলাই করে। জুলিয়াস সিজার ছিলেন একজন অসামান্য রোমান জেনারেল ও রাজনীতিবিদ। তিনি রোম প্রজাতন্ত্রকে একনায়কতন্ত্রে রূপান্তর করেন। সফল সামরিক অভিযানের মাধ্যমে একের পর এক দেশ অধীনে আনেন। জয় করেন সে সময়ের প্রভাবশালী ‘গল’ অঞ্চল। যেটি বর্তমানে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম নামে পরিচিত। জুলিয়াস সিজারের আগে প্রায় ৫০০ বছর রোম ছিল নগররাষ্ট্র। সিনেট বা পার্লামেন্টে শাসক নির্বাচন করা হতো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। সিজার নিজেও সিনেটের দ্বারা রোমের শাসক নির্বাচন হন। একের পর এক দেশ জয় করে রোম নগররাষ্ট্রকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত করেন।
ঐতিহাসিকদের অভিমত, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে টাইবার নদীর তীরবর্তী রোমে নগররাষ্ট্র গড়ে ওঠে। সাতটি পাহাড়বেষ্টিত রোম নগররাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার মূলমন্ত্র ছিল প্রজাতন্ত্র। শুরুতে রোম রাষ্ট্রের পরিধি ছিল ইতালিতেই সীমাবদ্ধ। খ্রিস্টপূর্ব শত শত বছর আগে টাইবার নদীর তীরে গড়ে ওঠে রোমান সভ্যতা। ইতালিজুড়ে অনেক নগররাষ্ট্রের অভ্যুদয় হয়। পরবর্তীতে তা কনফেডারেশনে রূপ নেয়। ইতিহাসে যা রোমান রিপাবলিক নামে পরিচিত। যে যুগে রোমে প্রজাতন্ত্র গড়ে ওঠে, সেটি ছিল রাজতন্ত্রের যুগ। প্রজাতন্ত্রের ধারণা ছিল দুনিয়াজুড়ে অনুপস্থিত। তারপরও রোমে প্রজাতন্ত্রের স্থায়িত্বকাল ছিল প্রায় ৫০০ বছর। শেষ পর্যন্ত রোম প্রজাতন্ত্র রাজতন্ত্রে রূপ নেয় জুলিয়াস সিজারের আমলে। যা টিকে ছিল পনের শ বছর ধরে। এই ২ হাজার বছরে মানব ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রোমান সাম্রাজ্য। একবিংশ শতাব্দীতেও যার প্রভাব এখনো বিদ্যমান।
রোম বা ইতালিতে যে রোমান রিপাবলিকের অভ্যুদয় ঘটে, এর ব্যপ্তি ভূমধ্যসাগরের ওপারে উত্তর আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়ে। মরক্কো ও আলজেরিয়ার উত্তর উপকূল রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। একের পর এক যুদ্ধবিগ্রহ, অভ্যুত্থান, পাল্টা-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যেতে থাকে রোমান রিপাবলিক। সে প্রজাতন্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় স্বৈরাচারের আবির্ভাব ঘটে। পরাক্রমশালী স্বৈরশাসক হিসেবে আবির্ভূত হন জুলিয়াস সিজার। তিনি সমৃদ্ধ দেশ মিসর জয় করেন। মিসরের রানি ক্লিওপেট্রা নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় রোমান স্বৈরশাসকের জন্য প্রণয়ের ফাঁদ পাতেন। যে কাহিনিও অনেকের জানা।
সিজারের সময় রোমানরা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে ওঠেন। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে রোমানদের দাপট। জুলিয়াস সিজারের স্বৈরাচারী মনোভাবে রোমের সিনেট সদস্যদের অনেকেই তার প্রতি রুষ্ট হন। সিনেটের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন জুলিয়াস সিজার। যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাস। বলা হয়ে থাকে, গণতন্ত্র রক্ষায় ব্রুটাস বন্ধুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। সিজারের মৃত্যুর পর তার পালকপুত্র অগাস্টাস সিজার রোমের শাসক হন। তিনি রিপাবলিকানদের পরাজিত করে রোম প্রজাতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটান। সে অর্থে রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট অগাস্টাস সিজার। প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে রোমে যে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়, তা টিকে থাকে ১৫ বছর ধরে।
পঞ্চদশ শতকে ক্ষীয়মাণ রোমান তথা বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য শুধু কনস্টান্টিনোপল নগরের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। ১৪৫৩ সালে তাদের ওপর আঘাত হানেন ওসমানীয় সুলতান মুহাম্মদ বিন ফতেহ। ওসমানীয়রা কনস্টান্টিনোপলের নাম বদলে ইসলামবুল রাখে। উসমানীয় খেলাফতের পতন ঘটে কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে। তুরস্ককে তিনি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত করেন। ইসলামবুল নগরীর নতুন নামকরণ হয় ইস্তাম্বুল। একসময়ের কনস্টান্টিনোপল এখন দুনিয়াজুড়ে পরিচিত নতুন নামে। জুলিয়াস সিজার ও পরাক্রমশালী রোমানরা আজ নেই। তারা এখন ইতিহাসের অংশ। জুলিয়াস সিজার না থাকলেও রোমান ক্যালেন্ডারের পর গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডারেও রয়ে গেছে রোমের স্বৈরশাসকে স্মৃতিজড়িত মাস জুলাই। যা এক স্বৈরাচারী ও কর্তৃত্ববাদী শাসকের প্রতিনিধিত্ব করছে। জুলাই এক জঘন্য স্বৈরাচারের নাম বুকে ধারণ করলেও বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন পতনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই মাসের নাম। জুলাই মাস ৩১ দিনের। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদী শাসনবিরোধী যে আন্দোলন শুরু হয়, তার সমাপ্তি ঘটে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের মাধ্যমে। জুলাই অভ্যুত্থানকারীরা তাদের আন্দোলনে বিজয়ের এই দিনটিকে চিহ্নিত করেন ৩৬ জুলাই হিসেবে।
॥দুই॥
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকা দুনিয়ার দুই পরাশক্তির একটিতে পরিণত হয়। আরেক পরাশক্তি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এর ৪৪ বছর পর ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়। তারপর থেকে একমাত্র পরাশক্তি হিসেবে আমেরিকা নামের শ্যাম চাচার আধিপত্য। পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর গত ৭৫ বছরে শতাধিক দেশের সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে দেশটি। এজন্য তারা বেছে নিয়েছে কার্যকর বলে বিবেচিত এক কৌশল। সে কৌশলের প্রয়োগ ঘটিয়ে তারা যুদ্ধবিগ্রহের পথে না হেঁটেও হাজার ভাগের এক ভাগ খরচ করে অর্জন করছে সাফল্য। ওয়াশিংটনের কর্তাব্যক্তিরা যে দেশের সরকারকে অবাধ্য ভাবেন, সে দেশের জনগণ আর বিভিন্ন সংগঠনকে দিয়েই কাক্সিক্ষত কাজটি করিয়ে নেন খুব সহজে। যেখানে সরকার পতনে মীরজাফর, উমি চাঁদ, রায় দুর্লভ, খন্দকার মোশতাকদের খুঁজে পাওয়া যায় না, সেখানে তারা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করতেও পিছপা হয় না। তাতে সাফল্য এলেও বিরাট অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। আমেরিকার মানুষ এমন অপচয়কে ভালো চোখে দেখে না। আর তাই সামরিক হস্তক্ষেপের বদলে কম খরচের পদ্ধতি অনুসরণ করছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরাক যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয় ২ ট্রিলিয়ন ডলার। এর ফলে ইরাক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। ৪ লাখ ৩২ হাজার ইরাকি প্রাণ হারায় সে যুদ্ধে। প্রায় ৮ লাখ শিশু এতিম হয়ে যায় ভয়ংকর সেই সামরিক হস্তক্ষেপে। সাদ্দাম হোসেনের হাত থেকে আমেরিকা মুক্তি পেলেও একসময়ের সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী ইরাক এখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম পিছিয়ে পড়া দেশ। আফগানিস্তান যুদ্ধে আমেরিকার খরচের পরিমাণ ছিল ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার।
পৃথিবীর একমাত্র পরাশক্তি আমেরিকা দুনিয়ার যেকোনো দেশের অবাধ্য সরকার পতনে পদ্ধতি হিসেবে যুদ্ধের বদলে বেছে নেয় যে পদ্ধতি তার নাম ঘরশত্রু বিভীষণদের পক্ষে আনা। এ পদ্ধতি প্রথম সফলভাবে ব্যবহৃত হয় ইরানে ১৯৫৩ সালে। সে দেশের সেনাবাহিনী, আয়াতুল্লাহ এবং শাহেনশাহ রেজা শাহ পাহলভিকে ব্যবহার করে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী মোসাদ্দেককে অপসারণ করা হয়। একই কলাকৌশলে ১৯৫৪ সালে গুয়াতেমালায় সরকার পতন ঘটায় গণতন্ত্রের অবতার আমেরিকা। ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা সুকর্ণের স্বাধীনচেতা মনোভাবকে আমেরিকা পছন্দ করেনি। ১৯৭১ সালে বলিভিয়ায় সরকার পতনে তারা সামরিক বাহিনীর পেছনে অর্থ ঢালে। ১৯৭৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিলিতেও ঘটে পুতুল নাচের ইতিকথা। মহান কবি পাবলো নেরুদার দেশ চিলির জনপ্রিয় নেতা আলেন্দেকে হটিয়ে বসানো হয়েছিল ভয়ংকর স্বৈরশাসক খুনি জেনারেল অগাস্ত পিনোশেকে।
বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমেছিল। কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতন জনদাবিতে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু রটনা রয়েছে আন্দোলনের ফসল নিজেদের ঘরে আনতে আওয়ামী লীগের লুঙ্গির নিচে লুকানো গুপ্ত ও সুপ্তরা ভূমিকা পালন করেছে। আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর নির্বাচনি প্রচারণায় এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। জনগণের কাছে গুপ্ত ও সুপ্তদের বিরুদ্ধে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। বলা হয়, গুপ্ত ও সুপ্ত নামধারীদের পেছনে দুনিয়ার একমাত্র পরাশক্তির আশীর্বাদ ছিল। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এজন্য তাঁর পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দোষারোপ করেছেন।
ইসলামি পরিভাষায়, কোনো মুসলমানের মৃত্যুর পর তার মাগফেরাত ও সম্মানের জন্য মৃতদেহ সামনে রেখে যে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়, তা ‘জানাজার নামাজ’। জানাজা একটি বিশেষ প্রার্থনা, যা কোনো মৃত মুসলমানকে কবর দেওয়ার আগে অনুষ্ঠিত হয়। এটি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এর সঙ্গে দৃশ্যত রাজনীতির দূরতম সম্পর্ক নেই। কিন্তু কখনো কখনো জানাজার নামাজ রাজনীতির জন্যও মূলধন হয়ে ওঠে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্যদের হাতে নিহত হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশের স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক শাসন হুমকির মুখে পড়ে। কিন্তু শহীদ জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ এবং তাঁর প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা সাময়িকভাবে হলেও ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দেয়। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর মৃত্যুতে প্রেসিডেন্ট জিয়ার প্রতিষ্ঠিত ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পুনর্জীবিত বিএনপির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। কিন্তু বেগম জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ সব প্রশ্নকে উড়িয়ে দেয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কোন দল নির্বাচিত হবে তা নির্ধারিত হয়ে যায় দেশনেত্রীর প্রতি লাখো মানুষের ভালোবাসায়।
জানাজা যে শোকের বদলে শক্তির প্রতীক হতে পারে তা প্রমাণিত হয়েছে ইরানের প্রয়াত ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে। ২ কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে সর্বোচ্চ নেতার জানাজায়। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১০০ দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিদল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি যা সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সি খামেনি নিহত হন। ওই দিনই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যে আগ্রাসন শুরু হয়, সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন তার প্রধান টার্গেট।। ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনের মাথায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। গত শুক্রবার রাজধানী তেহরানে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকভাবে শোক ও দাফন অনুষ্ঠান। টানা সাত দিন ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও শোকযাত্রা শেষে আগামী শুক্রবার তাঁকে দাফন করা হবে নিজের জন্মভূমি পবিত্র শহর মাশদাহে।
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান বলে বিবেচিত হচ্ছে। যা ১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির শোকানুষ্ঠানকেও ছাড়িয়ে গেছে। খোমেনির শেষযাত্রায় প্রায় ১ কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। নিরাপত্তার কারণে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা ও খামেনির ছেলে মোজতবা আলী খামেনি শোকানুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকছেন। সম্প্রতি মোজতবা খামেনিকে হত্যার হুমকি দেয় ইসরায়েল। সেই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের এত সতর্কতা।
লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন
ইমেইল : [email protected]










