• ই-পেপার

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ভেনেজুয়েলার মাদুরোর বিচার ২০২৭ সালের জুনে শুরুর প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলার মাদুরোর বিচার ২০২৭ সালের জুনে শুরুর প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
ছবি: রয়টার্স

মাদক পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় ভেনেজুয়েলার অপসারিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিচার ২০২৭ সালের জুনে শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছে উভয় পক্ষ। মঙ্গলবার আদালতে জমা দেওয়া এক যৌথ নথিতে মাদুরোর আইনজীবী এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রসিকিউটররা এই প্রস্তাব দেন।

নথিতে মামলার পরবর্তী ধাপগুলোর একটি সম্ভাব্য সময়সূচিও তুলে ধরা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিচার কবে শুরু হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন মামলার দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টেইন। মাদুরোর মামলার পরবর্তী শুনানি আজ বুধবার দুপুর ১২টায় (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময়) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই শুনানির আগেই উভয় পক্ষ আদালতে যৌথভাবে এই সময়সূচির প্রস্তাব জমা দেয়। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে এই সময়সূচিতে পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবে দুই পক্ষই। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, মামলাটি খারিজের জন্য মাদুরোর প্রথম দফার আইনি আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২ সেপ্টেম্বর।

ধারণা করা হচ্ছে, ওই আবেদনে মাদুরোর আইনজীবীরা দাবি করবেন, তিনি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রধান ছিলেন। তাই আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তার বিচার থেকে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই যুক্তিতে মামলাটি খারিজের আবেদন জানানো হতে পারে। এরপর প্রসিকিউটররা প্রতিরক্ষা পক্ষকে গোপন নথি পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার পর মাদুরো আগামী ১১ জানুয়ারির মধ্যে দ্বিতীয় দফার আইনি আবেদন জমা দেবেন। গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী এক রাতের অভিযানে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচার করতে নিউইয়র্কে নিয়ে আসা হয়। মাদুরো ও তার স্ত্রী দুজনই আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।

২০১৩ সাল থেকে আটক হওয়ার আগ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার ক্ষমতায় ছিলেন সমাজতান্ত্রিক নেতা নিকোলাস মাদুরো। তার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। গত ৫ জানুয়ারি আদালতে প্রথম হাজিরার সময় মাদুরো নিজেকে 'যুদ্ধবন্দী' বলে দাবি করেন। দীর্ঘদিন ধরে মাদুরো অভিযোগ করে আসছেন, ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলসম্পদের ওপর আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, মাদুরো একজন দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরশাসক। ওয়াশিংটনের দাবি, তার সরকারের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার কারণে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি মারাত্মক সংকটে পড়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় ছিলেন মাদুরো। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে আর স্বীকৃতি দেয় না।

বর্তমানে নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল কারাগারে রাখা হয়েছে। সেখানে থেকেই তারা মামলার আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

আফগানিস্তানের বন্যাদুর্গতদের জন্য খাদ্য ও তাঁবু পাঠাল ভারত

অনলাইন ডেস্ক
আফগানিস্তানের বন্যাদুর্গতদের জন্য খাদ্য ও তাঁবু পাঠাল ভারত
সংগৃহীত ছবি

আফগানিস্তানের নুরিস্তান প্রদেশে বিধ্বংসী বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত আফগান জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে খাদ্যসামগ্রী ও পারিবারিক তাঁবুসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

সংবাদ সংস্থা খামা প্রেসের তথ্য মতে, আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশের রাজধানী পারুন ও সংলগ্ন জেলাগুলোতে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। ভয়াবহ এই বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৮০ জন আহত এবং ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তালিবান-শাসিত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা হাফিজ মোহাম্মদ ইউসুফ হামাদ জানিয়েছেন, নিখোঁজদের উদ্ধার এবং ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নে বিশেষায়িত জরুরি ইউনিট কাজ করছে। বন্যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি, দোকানপাট এবং কৃষিজমি ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকারীরা পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এতে প্রাণহানির সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, এই কঠিন সময়ে আফগান জনগণের পাশে থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে এই ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে।

মার্কিন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনায় বুলগেরিয়াকে ইরানের সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনায় বুলগেরিয়াকে ইরানের সতর্কতা
সংগৃহীত ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কোনো সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে যেন নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেওয়া হয়—এমন আহ্বান জানিয়ে বুলগেরিয়াকে সতর্ক করেছে ইরান। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করলে তা আগ্রাসন ও যুদ্ধাপরাধে অংশ নেওয়ার শামিল হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তা করে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। বাঘাই বুলগেরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশটি যেন 'আগ্রাসনকারী ও আইনভঙ্গকারীদের সহযোগী' না হয় এবং নিজেদের ভূখণ্ড কোনো সামরিক অভিযানে ব্যবহারের সুযোগ না দেয়।

ইরানের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে বুলগেরিয়া সরকারের একটি সিদ্ধান্তকে ঘিরে। বুলগেরিয়া সরকার জানিয়েছে, তারা দেশের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আটটি জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমোদন চেয়ে সংসদে প্রস্তাব দেবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব বিমান রাজধানী সোফিয়া থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বেজমের সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে।

জ্বালানি সরবরাহকারী এসব বিমান মূলত আকাশে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক বিমানকে মাঝআকাশে জ্বালানি সরবরাহের কাজ করে। এর ফলে যুদ্ধবিমান দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে পারে এবং দূরবর্তী এলাকায় অভিযান চালানোর সক্ষমতা বাড়ে। বুলগেরিয়া উত্তর আটলান্টিক জোট (ন্যাটো) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ। ফলে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

এক মাস আগে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই আবার সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা আরো বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুলগেরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনাকে ঘিরে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


 

শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস

অনলাইন ডেস্ক
শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস
সংগৃহীত ছবি

১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বন্ধ করতে নতুন আইন অনুমোদন করেছে ফ্রান্সের পার্লামেন্ট। এর ফলে ইউরোপে এ ধরনের আইন পাস করা প্রথম দেশ হলো ফ্রান্স। নতুন আইনের আওতায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু ফেসবুক, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না।

বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে—এমন উদ্বেগের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিল ফ্রান্স। সরকার মনে করছে, কম বয়সীদের অতিরিক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কমাতে কঠোর আইন প্রয়োজন। মঙ্গলবার ফ্রান্সের পার্লামেন্টের দুই কক্ষ—সিনেট ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি—নতুন আইনটি অনুমোদন করে। আইনটি কার্যকর হলে ১৫ বছরের কম বয়সীরা নতুন করে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না। শুধু নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ করাই নয়, বর্তমানে ১৫ বছরের কম বয়সীদের যেসব অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেগুলোও বন্ধ করতে হবে। এ কাজের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত চার মাস সময় দেওয়া হবে। নতুন আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এজন্য ফ্রান্সের গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদিত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে, ১৫ বছরের কম বয়সীরা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে।

ফ্রান্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক জুনিয়রমন্ত্রী অ্যান লে হেনাফ সিনেটে বলেন, এই আইনের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রাপ্তবয়স্কতা নির্ধারণে ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ফ্রান্স। এর আগে বিশ্বের প্রথম এ ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে গত ডিসেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই পথেই এবার হাঁটছে ফ্রান্স। 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ চান, আগামী শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই নতুন আইন পুরোপুরি কার্যকর হোক। শিশু-কিশোরদের মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি কমাতে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন।  গত এপ্রিল এক অনুষ্ঠানে তরুণদের উদ্দেশে ম্যাখোঁ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে অনেক শিশু-কিশোর এমন একটি পরিবেশে বেড়ে উঠছে, যেখানে তাদের মনোযোগ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম কেড়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণহীন ডিজিটাল পরিবেশ শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে। ম্যাখোঁ আরো বলেন, শিশু-কিশোরদের ধীরে ধীরে বড় হয়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। তাদের বই পড়া, শেখা এবং ভালো নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এজন্যই ১৫ বছর বয়সের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই ধরনের সবার জন্য একই নিয়মে নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। তাদের দাবি, কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য বয়সসীমা, অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগে থেকেই রয়েছে। এরপরও সরকার যদি নতুন আইন কার্যকর করে, তাহলে তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। এদিকে ইউরোপীয় কমিশনও শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ করছে। ফ্রান্সের নতুন আইন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সে বিষয়েও কমিশন পর্যালোচনা করবে।