• ই-পেপার

রোজারিওতে ফিরলেন মেসি

ব্যানার বিতর্ক : যুক্তরাজ্যের ভিসা হারানোর শঙ্কায় আর্জেন্টিনার তিন ফুটবলার

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্যানার বিতর্ক : যুক্তরাজ্যের ভিসা হারানোর শঙ্কায় আর্জেন্টিনার তিন ফুটবলার

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর বিতর্কিত ‘ফকল্যান্ড ব্যানার’ প্রদর্শনের দায়ে যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক ভিসা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন আর্জেন্টিনার তিন প্রিমিয়ার লিগ তারকা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, টটেনহ্যাম হটস্পারের ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো এবং চেলসির মিডফিল্ডার এনসো ফার্নান্দেসের যুক্তরাজ্যে প্রবেশের ভিসা বাতিলের দাবি উঠেছে।

যুক্তরাজ্যের ‘এক্সপ্রেস’-এর একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, ইংলিশ ক্লাবে খেলা এই আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের কাজের ভিসা বাতিলের যে দাবি উঠেছে, তার আইনগত দিক বিশ্লেষণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেমিফাইনাল ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা মাঠের ভেতরে একটি ব্যানার তুলে ধরেন, যাতে লেখা ছিল ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’। 

১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী ফকল্যান্ড যুদ্ধের ঐতিহাসিক সংবেদনশীলতার কারণে এই ঘটনাটি যুক্তরাজ্যে তীব্র ক্ষোভ ও রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। 

যুক্তরাজ্যের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সাবেক উপদেষ্টা নাইল গার্ডিনার এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করে বলেন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা যে সকল আর্জেন্টাইন ফুটবলার এই যুক্তরাজ্যবিরোধী অমার্জিত প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক ভিসা অবিলম্বে বাতিল করা উচিত। এই ধরনের রাজনৈতিক উসকানির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার কাইলও ফুটবল মাঠে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং ফিফাকে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।  

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ইতিমধ্যে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি ম্যাচের অফিশিয়াল রিপোর্ট ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। স্টেডিয়ামের ভেতরের নিয়ম অনুযায়ী রাজনৈতিক বা বিতর্কিত বার্তা প্রদর্শন নিষিদ্ধ হওয়ায় আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। 

তবে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবলমাত্র বিশ্বকাপে ফকল্যান্ড ব্যানার প্রদর্শনের অপরাধেই সরাসরি প্রিমিয়ার লিগের তারকাদের ভিসা বাতিল করা আইনের দিক থেকে বেশ জটিল এবং এর সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবু ২০২৬-২৭ নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার ঠিক আগে এই বিতর্ক ক্লাব ফুটবল ও প্রিমিয়ার লিগের দলগুলোর ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। 

বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ শেষ, কবে থেকে শুরু ক্লাব ফুটবল

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ শেষ, কবে থেকে শুরু ক্লাব ফুটবল
সংগৃহীত ছবি

স্পেনের বিশ্বজয়ের মধ্য দিয়ে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের পর্দা নামলেও ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘশ্বাস ফেলার ফুরসত নেই। প্রাক্-মৌসুম সফর, দলবদলের উত্তাপ আর নতুন তারকাদের অভিষেকের সুবাস নিয়ে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবল আবারও ফিরছে সবুজ গালিচায়। কোন লিগ কবে মাঠে গড়াচ্ছে এবং কার প্রতিপক্ষ কে—একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইউরোপিয়ান ফুটবলের পূর্ণাঙ্গ সূচি।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ (ইংল্যান্ড)

মিকেল আরতেতার অধীন গত মৌসুমে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ট্রফি জিতেছিল আর্সেনাল। নতুন মৌসুমে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচেই মাঠে নামছে গানার্সরা। চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে উঠে আসা কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে ২১ আগস্ট রাত ১টায় মাঠে গড়াবে লিগের প্রথম ম্যাচ।

কমিউনিটি শিল্ড: লিগ শুরুর আগে ১৬ আগস্ট রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার সিটি।
প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচ: ২১ আগস্ট ২০২৬ (আর্সেনাল বনাম কভেন্ট্রি সিটি)

লা লিগা (স্পেন)

হান্সি ফ্লিকের অধীনে টানা সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে এবারও শিরোপার মিশনে নামছে বার্সেলোনা। তবে তাদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত রিয়াল মাদ্রিদ ও অন্যান্য জায়ান্টরা।

উদ্বোধনী ম্যাচ: ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৩০ মিনিটে আলাভেস ও হেতাফের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে লা লিগার।

লিগ আঁ (ফ্রান্স)

ফরাসি ফুটবলে পিএসজির দীর্ঘদিনের আধিপত্য বজায় থাকলেও ব্যবধান কমাতে কোমর বেঁধে নেমেছে মার্সেই, মোনাকো ও লঁসের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীরা। অন্যদিকে লিগ টু থেকে পদোন্নতি পেয়ে লিগ আঁ-তে জায়গা করে নিয়েছে ত্রোয়া ও লে মান।

উদ্বোধনী ম্যাচ: ২১ আগস্ট মার্সেই ও স্ট্রাসবুর্গের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ফরাসি লিগ।

সিরি ‘আ’ (ইতালি)

বুকে স্কুডেত্তোর ব্যাজ সেঁটে নতুন মৌসুমে নামছে ইন্টার মিলান। তবে মুকুট ধরে রাখা সহজ হবে না, কারণ জুভেন্টাস, এসি মিলান ও নাপোলির মতো ঐতিহ্যবাহী দলগুলো শক্তিশালী দল গড়ে প্রস্তুত। এছাড়া নতুন মৌসুমে সিরি ‘আ’-তে যোগ দিয়েছে ভেনেজিয়া, ফ্রোসিনোনে ও মোনৎসা।

উদ্বোধনী ম্যাচ: ২২ আগস্ট রাত ১০টা ৩০ মিনিটে চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান ও মোনৎসার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে ইতালিয়ান লিগ।

বুন্দেসলিগা (জার্মানি)

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ নতুন মৌসুমেও শিরোপা ধরে রাখতে মুখিয়ে আছে, তবে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও বায়ার লেভারকুসেন বসে নেই। এবারের বুন্দেসলিগার অন্যতম বড় আকর্ষণ এসভি এলভার্সবার্গের ঐতিহাসিক অভিষেক। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জার্মানির শীর্ষ লিগে খেলবে তারা, সঙ্গে পদোন্নতি পেয়ে ফিরেছে শালকে ০৪ ও এসসি পাদেরবর্নও।

জার্মান সুপার কাপ: ২২ আগস্ট সুপার কাপের শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুসিয়া।
উদ্বোধনী ম্যাচ: ২৮ আগস্ট বায়ার্ন মিউনিখ ও স্টুটগার্টের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বুন্দেসলিগা।

উয়েফা সুপার কাপ

তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৬
পিএসজি বনাম অ্যাস্টন ভিলা 
 

সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ই নেই বিশ্বকাপের একাদশের লড়াইয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ই নেই বিশ্বকাপের একাদশের লড়াইয়ে
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার নেওয়ার সময় কুবারসি। ছবি : রয়টার্স

শিরোপা জয় নিয়ে স্যার আলেক্স ফার্গুসনের বিখ্যাত এক উক্তি আছে—‘আক্রমণ আপনাকে ম্যাচ জেতাবে, কিন্তু রক্ষণ আপনাকে ট্রফি জেতাবে।’ তার যথার্থ প্রমাণ এবারের বিশ্বকাপ। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সোনালি ট্রফি জিতেছে স্পেন।

নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে রক্ষণভাগের অবদান ছিল অনন্য। ৮ ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম করেছে স্পেন। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের অন্যতম ছিলেন পাউ কুবারসি। পুরো বিশ্বকাপে ৩৩ টি বল ক্লিয়ার করে টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ও হয়েছেন বার্সেলোনার সেন্টার ডিফেন্ডার।

কিন্তু বিশ্বকাপের সেরা একাদশের লড়াই নেই কুবারসি। তবে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় সর্বোচ্চ ফুটবলার স্পেনের। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ৬ ফুটবলার সেরা লড়াইয়ে আছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ ফুটবলার রানার্সআপ আর্জেন্টিনার।

তালিকার শুরুটা গোলরক্ষক দিয়ে করা যাক। তিন কাঠির নিচে ৪ জন জায়গা পেয়েছেন। তারা হচ্ছেন—এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ভোজিনহা, উনাই সিমন, জর্ডান পিকফোর্ড, এলয় রুম।

রক্ষণভাগে বিশ্বকাপ জয়ী মার্ক কুকুরেয়া-পেদ্রো পোরোর সঙ্গে আছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নুনো মেন্ডেজ, ভার্জিল ফন ডাইক, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও দায়োত ‍উপামেকানো।

মিডফিল্ডে বিশ্বকাপের সেরারাই সুযোগ পেয়েছেন। তারা হচ্ছেন—জুড বেলিংহ্যাম, মাইকেল ওলিসে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এনজো ফার্নান্দেজ, উসমান দেম্বেলে, লুকা মদরিচ, ইসমাইল সাইবারি, রদ্রি, লামিনে ইয়ামাল।

ফরোয়ার্ডে অবধারিতভাবেই আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে-লিওনেল মেসি। সঙ্গে আছেন আর্লিং হালান্ড, হ্যারি কেইন, হুলিয়ান কিনিওনেস, মিকেল ওয়ারজাবাল। 

এখন দেখার বিষয় বিশ্বকাপের সেরা একাদশে কাদের কপাল খোলে।

সেরা একাদশের প্রাথমিক তালিকা:

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), ভোজিনহা (কেপ ভার্দে), উনাই সিমন (স্পেন), জর্ডান পিকফোর্ড (ইংল্যান্ড), এলয় রুম (কুরাসাও)।

ডিফেন্ডার: লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), নুনো মেন্দেস (পর্তুগাল), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন), ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (ব্রাজিল), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (আর্জেন্টিনা), দায়োত উপামেকানো (ফ্রান্স), পেদ্রো পোরো (স্পেন)।

মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড), উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স), লুকা মদরিচ (ক্রোয়েশিয়া),  মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল), এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা), ইসমাইল সাইবারি (মরক্কো), রদ্রি (স্পেন), লামিনে ইয়ামাল (স্পেন)।

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড). হুলিয়ান কিনিওনেস (মেক্সিকো), মিকেল ওইয়ারজাবাল (স্পেন)।

কসমেটিক সার্জারি করে কি চেহারাই বদলে ফেললেন ভিনিসিয়ুস

ক্রীড়া ডেস্ক
কসমেটিক সার্জারি করে কি চেহারাই বদলে ফেললেন ভিনিসিয়ুস
ভিনিসিয়ুসের আগে-পরের চেহারা। ছবি : এক্স থেকে

কথায় আছে—‘আগে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী’। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এই প্রবাদেই যেন বিশ্বাস। তা না হলে কসমেটিক সার্জারি করাতেন না তিনি।

নিজেকে আরও সুন্দর দেখতেই কসমেটিক সার্জারি করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। এতে করে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের মুখায়বে একটা পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন আনতে কসমেটিক সার্জারির ‘চিন হারমোনাইজেন’ চিকিৎসা করিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী তারকা। 

চিন হারমোনাইজেশন করানো হয় মুখের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থুতনি বা চোয়ালের গঠনে কিছুটা পরিবর্তন আনা। এই চিকিৎসা নেওয়ার পর ভিনিসিয়ুসের চোয়াল এবং থুতনির গঠনেও অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। আগের থেকে তাকে বেশ সুন্দর ও আকর্ষণীয় লাগছে। অস্ত্রপচার ছাড়াই ফিলারের সহায়তায় তার এই সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে। এই চিকিৎসা সাধারণত বিনোদন জগতের মানুষরাই বেশি নেন।

 

ভিনির ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই তাকে কার মতো দেখাচ্ছে সেই তুলনাও শুরু হয়েছে। অনেকেই মজা করে জানাচ্ছেন, রিয়াল মাদ্রিদের তারকাকে ব্রাজিল ও চেলসির সাবেক মিডফিল্ডার রামিরেসের মতো লাগছে। এই মজায় যোগ দিয়েছেন রামিরেসও।

ব্রাজিলের গয়ইনিয়ার একটি ক্লিনিকে চিন হরমোনাইজেশন করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। নিজ দেশে করালেও চিকিৎসক ছিলেন মায়ামির। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আলেসান্দ্রো আলারকাওকে ব্রাজিলে নিয়ে এসে চিকিৎসা নেন তিনি। 

চিন হরমোনাইজেশন কঠিন সময়েই নিলেন ভিনিসিয়ুস। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল শেষ ষোলোয় বিদায় নেওয়ার পরেই। তবে দলের ব্যর্থতার মাঝে নিজে জ্বলে ওঠেন তিনি। ৫ ম্যাচে ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। সব কিছু ভুলে এখন ক্লাবে মনোযোগ দিতে চান তিনি। রিয়ালে ফেরার অপেক্ষায় এখন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ক্লাবের সঙ্গে এখনো এক বছরের চুক্তি থাকলেও তার সঙ্গে নতুন করে মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন রিয়ালের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তাতে স্বাভাবিকভাবেই সম্পর্কটা আরও দীর্ঘ হচ্ছে তাদের।