কথায় আছে—‘আগে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী’। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এই প্রবাদেই যেন বিশ্বাস। তা না হলে কসমেটিক সার্জারি করাতেন না তিনি।
নিজেকে আরও সুন্দর দেখতেই কসমেটিক সার্জারি করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। এতে করে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের মুখায়বে একটা পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন আনতে কসমেটিক সার্জারির ‘চিন হারমোনাইজেন’ চিকিৎসা করিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী তারকা।
চিন হারমোনাইজেশন করানো হয় মুখের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থুতনি বা চোয়ালের গঠনে কিছুটা পরিবর্তন আনা। এই চিকিৎসা নেওয়ার পর ভিনিসিয়ুসের চোয়াল এবং থুতনির গঠনেও অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। আগের থেকে তাকে বেশ সুন্দর ও আকর্ষণীয় লাগছে। অস্ত্রপচার ছাড়াই ফিলারের সহায়তায় তার এই সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে। এই চিকিৎসা সাধারণত বিনোদন জগতের মানুষরাই বেশি নেন।
ভিনির ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই তাকে কার মতো দেখাচ্ছে সেই তুলনাও শুরু হয়েছে। অনেকেই মজা করে জানাচ্ছেন, রিয়াল মাদ্রিদের তারকাকে ব্রাজিল ও চেলসির সাবেক মিডফিল্ডার রামিরেসের মতো লাগছে। এই মজায় যোগ দিয়েছেন রামিরেসও।
ব্রাজিলের গয়ইনিয়ার একটি ক্লিনিকে চিন হরমোনাইজেশন করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। নিজ দেশে করালেও চিকিৎসক ছিলেন মায়ামির। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আলেসান্দ্রো আলারকাওকে ব্রাজিলে নিয়ে এসে চিকিৎসা নেন তিনি।
চিন হরমোনাইজেশন কঠিন সময়েই নিলেন ভিনিসিয়ুস। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল শেষ ষোলোয় বিদায় নেওয়ার পরেই। তবে দলের ব্যর্থতার মাঝে নিজে জ্বলে ওঠেন তিনি। ৫ ম্যাচে ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। সব কিছু ভুলে এখন ক্লাবে মনোযোগ দিতে চান তিনি। রিয়ালে ফেরার অপেক্ষায় এখন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ক্লাবের সঙ্গে এখনো এক বছরের চুক্তি থাকলেও তার সঙ্গে নতুন করে মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন রিয়ালের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তাতে স্বাভাবিকভাবেই সম্পর্কটা আরও দীর্ঘ হচ্ছে তাদের।




