• ই-পেপার

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন

প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ মোদির

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ মোদির

আগামী সেপ্টেম্বরে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র)। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।’

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যা মামলায় ভাঙ্গারি রনি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যা মামলায় ভাঙ্গারি রনি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

রাজধানীর নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি রনি ওরফে ভাঙ্গারি রনিকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ডিবি রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি রমনা জোনাল টিম মঙ্গলবার মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি অস্ত্রসহ রনি ওরফে ভাঙ্গারি রনিকে গ্রেপ্তার করে। ভাঙ্গারি রনি টিটন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

তিনি আরো জানান, তাকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে।
 

বাণিজ্য-বিনিয়োগে ঢাকা-ব্যাঙ্কক সম্পর্ক আরো জোরদারের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাণিজ্য-বিনিয়োগে ঢাকা-ব্যাঙ্কক সম্পর্ক আরো জোরদারের প্রত্যাশা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদারের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

থাই বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে আরো বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কৌশলগত অবস্থান, বৃহৎ ভোক্তা বাজার, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি, রয়্যাল থাই দূতাবাসের বাণিজ্যিক কর্মকর্তারা, থাইল্যান্ডের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী নেতারা, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং তা পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, থাইল্যান্ড বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হলেও বিদ্যমান সম্ভাবনার তুলনায় দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি এখনো অনেক কম। ফলে এ খাতে সম্প্রসারণের বিপুল সুযোগ রয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ এবং রাবারভিত্তিক শিল্পে থাই বিনিয়োগের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এসব খাতে যৌথ বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দুই দেশের অর্থনীতির জন্যই লাভজনক হবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশও থাইল্যান্ডের বাজারে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী। এ জন্য ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণে যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী কেবল পণ্য প্রদর্শনের ক্ষেত্র নয়; বরং উৎপাদক, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, পরিবেশক, বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তুলবে এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে দায়িত্বশীল বিদেশি বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এ ধরনের বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্পখাতের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী থাই কম্পানিগুলোর প্রতি বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, পরিবেশক ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদেরও থাইল্যান্ডের বাজারে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ অনুসন্ধানের পরামর্শ দেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে।

উল্লেখ্য, থাই সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উন্নয়ন বিভাগের (ডিআইটিপি) উদ্যোগে এবং ঢাকাস্থ রয়্যাল থাই দূতাবাসের বাণিজ্যিক কার্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ প্রদর্শনীতে থাইল্যান্ডের ৫৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন আরো ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের ঊর্ধ্বতন আরো ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

বাংলাদেশ পুলিশের ১৭ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং ১১ জন অতিরিক্ত ডিআইজি সমমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনে সই করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন। এতে আরো বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ৫ জুলাই সরকার ৩৩ জন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাকে (১৪ জন ডিআইজি, ১৮ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ১ জন এসপি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে।

গত ৩ মে ১৭ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে এবং ২২ এপ্রিল একই বিধানে ১১ জন ডিআইজি ও দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।