• ই-পেপার

শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যা মামলায় ভাঙ্গারি রনি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া লাইফ সাপোর্টে

অনলাইন ডেস্ক
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া লাইফ সাপোর্টে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুকসেদুর রহমান আবির গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় রফিকুল ইসলাম মিয়াকে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করতে চায় সিঙ্গাপুর

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করতে চায় সিঙ্গাপুর

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করতে চায় সিঙ্গাপুর। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টির জন্য আসিয়ানে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেছে দুই দেশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে ফেসবুক পোস্টে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান এসব কথা জানিয়েছেন।

পোস্টে তিনি বলেন, ‘ম্যানিলায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ এবং শক্তিশালী জনগণের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। আমরা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করার এবং বাংলাদেশে ও বৃহত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টির জন্য আসিয়ানে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেছি।’

সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড, রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমি তার নতুন ভূমিকায় সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি এবং সিঙ্গাপুরে তাকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় রইলাম।’

প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ মোদির

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ মোদির

আগামী সেপ্টেম্বরে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র)। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।’

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিভিন্ন বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতভিত্তিক আধুনিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে কক্সবাজারকে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগাতে হলে বিদ্যমান বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কতটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে, তা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে। পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তবে এমন কোনো বিধিনিষেধ থাকা উচিত নয়, যাতে সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় অঞ্চলে পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়েছে, বাংলাদেশকেও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক আয়তন সীমিত হওয়ায় পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই। শিল্পাঞ্চল, কৃষিজমি ও জলাধার সংরক্ষণের স্বার্থে উল্লম্ব বা ভার্টিক্যাল উন্নয়নকে উৎসাহিত করতে হবে। বিশ্বের অনেক সফল পর্যটন নগরী বহুতল ভবন ও আধুনিক নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। কক্সবাজারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন।

তিনি জানান, কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব অবকাঠামোর সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কক্সবাজার অন্যতম প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র বা গ্রোথ হাব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পর্যটন, বাণিজ্য, সেবাখাত এবং সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে, যা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা নির্ধারণ করবে।

তিনি বলেন, মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য হবে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন হাব এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা নির্ধারণ, মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিদ্যমান বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয়, আধুনিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সুবিধা, নিরাপদ পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং পানি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার শুধু দেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্য হিসেবেই নয়, বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক পর্যটন ও বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।