• ই-পেপার

ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ

কালের কণ্ঠ নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম

অনলাইন ডেস্ক
কালের কণ্ঠ নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম

পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শিগগির তিনি পদত্যাগ করবেন বলে রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একজন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন,  ‘নিশ্চিত তিনি (রাষ্ট্রপতি) যাচ্ছেন, সময় কম।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) কালের কণ্ঠ বঙ্গভবনে যোগাযোগ করে। এ সময় রাষ্ট্রপতির ওই ঘনিষ্ঠজনসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়। তবে বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি।

বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র বলছে, সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে তার সুবিধাজনক সময়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পদত্যাগের বিষয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। পদত্যাগের জন্য তার হাতে সময়ও খুব কম বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।

সূত্র আরো জানায়, পদত্যাগের পর তিনি কিছু দিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। রাষ্ট্রতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রায়ই বলেন, ‘শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, যে কোনো সময় যে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি।’

আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘পদত্যাগের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। তবে এখনো পদত্যাগের তারিখ ঠিক হয়নি। যথাযথ প্রক্রিয়ায় পদত্যাগপত্র জমা দেবেন তিনি।’

এদিকে বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের পোস্ট ঘিরে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন চলছে।

ওই পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লেখেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এর চাইতেও বিস্ময়কর খবর হলো, নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির কোনো শীর্ষ নেতার পরিবর্তে পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।’

জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকার পতনের সময় থেকে জামায়াত-এনসিপি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেক নেতাও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পক্ষে ছিলেন। তবে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া না চালিয়ে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ ছিল। 

এর আগে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নির্বাচিত হন। ওই বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণ, রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে অভিভাবকত্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী দেশে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন এবং নতুন সরকারকে শপথ পাঠ করান।

বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় মেগাসিটি ঢাকার বায়ুমান মাঝারিমানের। বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় রাজধানী ঢাকার অবস্থান ৫১তম। যার বায়ুমান স্কোর ৫৯। এই অবস্থার বায়ুমানকে মাঝারিমানের বলে বিবেচিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। যার বায়ুমান স্কোর ১৬৩। এই অবস্থাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এছাড়া তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। যার বায়ুমান স্কোর ১৫৯। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আলজেরিয়ার বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর আলজিয়ার্স। যার বায়ুমান স্কোর ১৩৪। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। যার বায়ুমান স্কোর ১৩৩। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েলের জেরুজালেম। যার বায়ুমান স্কোর ১১৮।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী
পিএমও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস এডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন।
 
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এই র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এম জে আরিফ বেগের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

কৃষির আধুনিকীকরণ ও যান্ত্রিক বিপ্লবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ডেপুটি স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
কৃষির আধুনিকীকরণ ও যান্ত্রিক বিপ্লবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ডেপুটি স্পিকার
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, কৃষির আধুনিকীকরণ ও যান্ত্রিক বিপ্লবে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর উদ্যোগে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধানের চারারোপণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমাদের দেশের শতকরা ৮০ ভাগের বেশি মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ‘ভাতে মাছে বাঙালি’ প্রবাদটির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ধানের ফলন বাড়ানোর বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষিত যুবসমাজ কৃষিকাজে আগ্রহ হারাচ্ছে। আধুনিক প্যান্ট-শার্ট পরা তরুণদের কৃষিতে আকৃষ্ট করতে হলে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকীকরণের ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, যন্ত্রের মাধ্যমে মাত্র ৪০ সেকেন্ডে চার সারি চারা রোপণ করা হচ্ছে, তাও আবার নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে। এটি ফলন বৃদ্ধিতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানি নয়, বরং ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার মতো বিদেশে চাল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চাই।

কৃষক কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ প্রকৃত ভূমিহীন, হতদরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অধিকার। কোনো অবস্থাতেই সচ্ছল ব্যক্তি বা কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নামে এসব কার্ড ইস্যু করা যাবে না।