• ই-পেপার

এসএসসির ফল প্রকাশে বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত

নোটিশের পর সেই ৬৩ জন শিক্ষককে জরুরি তলব মাউশির

অনলাইন ডেস্ক
নোটিশের পর সেই ৬৩ জন শিক্ষককে জরুরি তলব মাউশির
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাল সনদ ব্যবহার করে এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি কলেজের ৬৩ জন শিক্ষককে সশরীরে চূড়ান্ত শুনানির জন্য তলব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বুধবার (২২ জুলাই) মাউশি থেকে তাদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) কর্তৃক এসব শিক্ষকের সনদ জাল হিসেবে শনাক্ত হয়েছিল। আগামী ২৬ জুলাই থেকে শিক্ষা ভবনের ৩১৭ নম্বর কক্ষে এই শুনানি শুরু হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় নির্ধারিত শিক্ষকদের শুনানি গ্রহণ করা হবে।

মাউশি সূত্রে জানা গেছে, ডিআইএর তদন্তে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাদের দাখিল করা জবাব সন্তোষজনক হয়নি। অনেকেই কোনো জবাবই দেননি। এ অবস্থায় জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেন তাদের এমপিও বাতিল বা স্থগিত করার চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা যাচাই করতেই এই শুনানির আয়োজন করা হয়েছে।

শুনানিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের পাশাপাশি তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদেরও সশরীরে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুনানির সময় শিক্ষকদের তাদের সব মূল সনদ, নিয়োগ-সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র এবং দুই সেট ফটোকপি (অধ্যক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত) অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে। যদি কোনো শিক্ষক ইতোমধ্যে অবসরে যান, পদত্যাগ করেন বা মৃত্যুবরণ করেন, সে ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও নথিপত্রসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকায় নওগাঁ, পাবনা, কুড়িগ্রাম, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝিনাইদহ, নীলফামারী, ময়মনসিংহ, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজশাহী ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা রয়েছেন।

৪২ কর্মদিবসে ফল প্রকাশ : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অভূতপূর্ব গতিশীলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪২ কর্মদিবসে ফল প্রকাশ : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অভূতপূর্ব গতিশীলতা
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এখন ব্যাপক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষা, প্রশাসন ও সেবার মানোন্নয়নে সময়োপযোগী ও বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে চলেছে।

প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরো স্বচ্ছ, গতিশীল ও দ্রুততর করতে তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রমে স্পষ্ট।

বিশেষ করে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় আনা হয়েছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, তথ্য-প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার ও দক্ষ সমন্বয়ের ফলে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে প্রকাশের ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে চলেছে।

সম্প্রতি মাত্র ৪২ কর্মদিবসের (ছুটিসহ ৫৩ দিন) মধ্যে ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রশাসনিক গতিশীলতার এক অভূতপূর্ব নজির।

আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ৪২ কর্মদিবসের মধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, নম্বর সংযোজন, তথ্য যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত এই ফলাফল সেশনজট নিরসনের ক্ষেত্রেও একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ২০ এপ্রিল ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৮ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ১১ দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও ফল প্রস্তুতের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এবার দেশের ১ হাজার ৯১৫টি কলেজের মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ জন শিক্ষার্থী ৬৪৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। প্রকাশিত ফলাফলে গড় পাসের হার ৯৩.৫৩ শতাংশ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, গতিশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের যে অঙ্গীকার আমরা গ্রহণ করেছি, দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রকাশ তারই এক বাস্তব প্রতিফলন। স্বচ্ছতা বজায় রেখে মাত্র ৪২ কর্মদিবসের মধ্যে নির্ভুলভাবে ফল প্রকাশ আমাদের প্রশাসনিক সক্ষমতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রকাশের বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম বলেন, ‘পরীক্ষা-পরবর্তী প্রতিটি ধাপ নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে। ঈদের দীর্ঘ সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও উত্তরপত্র মূল্যায়ন, নম্বর সংযোজন, তথ্য যাচাই এবং ফল প্রস্তুতের কাজ সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়েছে। ফলে স্বল্প সময়ে নির্ভুল ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে। আশা করছি, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। কিভাবে আরো দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করা যায়, সে বিষয়েও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

রেকর্ড কম সময়ে ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত সারাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এমন দ্রুততায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারা। রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘আগে ফলাফলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। এখন খুব দ্রুত ফল প্রকাশিত হওয়ায় আমাদের পরবর্তী বর্ষের প্রস্তুতি ও একাডেমিক পরিকল্পনা সহজ হয়েছে।’

রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী আবিদ ইসলাম বলেন, ‘ঈদের দীর্ঘ ছুটির পরও এত দ্রুত ফল প্রকাশ পাবে, তা ভাবিনি। এবার আমাদের আর সময় নষ্ট হয়নি, ফলে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির প্রস্তুতির পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনেরাও। তারা বলছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একসময় দীর্ঘ সেশনজট ও ফল প্রকাশের বিলম্বের জন্য সমালোচিত হতো। তবে সাম্প্রতিককালে প্রশাসনের সদিচ্ছা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মদক্ষতার কারণে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাত্র ৪২ কর্মদিবসে ফল প্রকাশ অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্যও একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। এই অর্জন দেশের বৃহৎ শিক্ষার্থী জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাবি ক্যাম্পাসে জুলাই গ্রাফিতি সংরক্ষণে রংকরণ শুরু ২৬ জুলাই, শিল্পীদের আহ্বান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি ক্যাম্পাসে জুলাই গ্রাফিতি সংরক্ষণে রংকরণ শুরু ২৬ জুলাই, শিল্পীদের আহ্বান
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতিসমূহ সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও তাৎপর্য অক্ষুণ্ন রেখে আগামী ২৬ জুলাই (রবিবার) থেকে এগুলো পুনরায় রংকরণ ও পুনর্লিখন কার্যক্রম শুরু হবে। এই কার্যক্রমে অংশ নিতে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী তৎকালীন গ্রাফিতি অঙ্কন শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আগামী ২৬ জুলাই উপাচার্য ভবন থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত রংকরণ বা পুনর্লিখনের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। কার্যক্রমটি সমন্বয়ের জন্য চারুকলা অনুষদের ডিন, প্রক্টর এবং আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রংকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহী শিল্পী ও শৌখিন শিল্পীদের আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে নাম ও ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৬ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার।

মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী ছাত্রী নিবাসে স্মৃতিচারণা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

এ ছাড়া বিভিন্ন আবাসিক হল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি পালন করবে। অমর একুশে হল আগামী ১ আগস্ট আলোচনা সভার আয়োজন করেছে, যেখানে বিশেষ অতিথি থাকবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। কবি সুফিয়া কামাল হল ৩০ জুলাই মোমবাতি প্রজ্বালন এবং ৩১ জুলাই স্মৃতিচারণা ও নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৩১ জুলাই এবং জগন্নাথ হলে আগামী ২ আগস্ট আলোচনাসভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। শামসুন নাহার হলে ২৬ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক কুইজ, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও স্মৃতিচারণামূলক অনুষ্ঠান হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ‘জুলাই স্মৃতিকথন’ শীর্ষক বিশেষ সংকলন প্রকাশ করবে। পাশাপাশি বিজয় একাত্তর হল ২৩ জুলাই, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ২৪ জুলাই, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ২৫ জুলাই, রোকেয়া হল ৩০ জুলাই এবং ড. কুদরাত-ই-খুদা হোস্টেল আগামী ৫ আগস্ট জুলাইকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে।

কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

‘দেশ ও দশের সেবাই হোক তোমাদের আগামী’

অনলাইন ডেস্ক
‘দেশ ও দশের সেবাই হোক তোমাদের আগামী’
সংগৃহীত ছবি

২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তি অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে মিরপুর উপশহর (বিকেল) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাইটস্ ইন্টারন্যাশনাল। বুধবার (২২ জুলাই) রাইটস্ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন কানিজ ফাতেমার উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত ও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ফুল, ক্রেস্ট, মেডেল, বই এবং নগদ টাকা দেওয়া হয়।

8454

মিরপুর থানার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জামিলা আক্তার এবং সহকারী থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহানাজ পারভীন কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার তুলে দেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ‍্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া বাসরী, সহকারী শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মিরপুর উপশহর (বিকাল) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে লাবীব ইসলাম। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে- উপাসনা দীপ চৌধুরী পঙতি, তাসলিমা আক্তার দিপ্তী, সাবিহা আবেদীন এবং মো. আব্দুল্লাহ।

শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে জামিলা আক্তার বলেন, এই উদ্যোগ শুধু তাদের উৎসাহিতই করবে না বরং নিয়মিত অধ্যয়ন ও ভালো ফলাফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি আগামীর সুনাগরিক হিসেবে দেশ ও দশের সেবায় উৎসাহিত হবে।

যুক্তরাজ্য ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে রাইটস্ ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারপারসন কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্য শুধু তাদের নয়, এটি তার পরিবার, শিক্ষক এবং বিদ্যালয়েরও গর্বের। সঠিক দিক-নির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরো সাফল্য বয়ে আনবে।’

7444

শাহানাজ পারভীন সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, ‘আজকের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দক্ষ, সৎ ও মানবিক নাগরিক হয়ে উঠবে।’

২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় গত ১২ জুলাই। সারা দেশ থেকে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩২ হাজার ৯৬৫ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। বাকি ৪৬ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫৯ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর যার মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন। বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭৫ হাজার ৪৫৫ জন।