• ই-পেপার

সরকার প্রাইভেট সেক্টরকে নতুন বিনিয়োগের জন্য ফেসিলেটেড করবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে : আইনমন্ত্রী

আগামী (চতুর্দশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। 

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল খারিজের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।  

পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে কি না, সে বিষয়ে আইনমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন একজন সাংবাদিক।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ইনশাল্লাহ। এটা আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল।’

এদিকে, রায়ের পরপরই অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলগুলো খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। অর্থাৎ হাইকোর্টের রায়টি বহাল থাকল। পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে যখন রিট করা হয়, তখন হাইকোর্ট চারটি বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে ফিরে আসা, গণভোট ফিরে আসা এবং সংবিধানে ৭ক, ৭খ বাতিলের রায় বহাল থাকল। আল্টিমেটলি (শেষ পর্যন্ত) হাইকোর্টের রায়টি বহাল থাকল।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী এনেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সংসদে পাস হয়। সংশোধনীতে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছিল। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করলে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান, জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বীকৃতির পাশাপাশি সংবিধানে জাতীয় চার মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা হয়।

চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ভূমিধসের সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ভূমিধসের সতর্কতা

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় ভূমিধসের বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার (৯ জুলাই) রাতে এ সতর্কবার্তা জারি করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়, ভারতের উত্তর পশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে।

গাণিতিক মডেলের পূর্বাভাস অনুসারে, এ সময়ে পাঁচ জেলায় মোট ২০০ মিলিমিটার থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি ঝরতে পারে। সতর্কবার্তায় ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেগুলো হলো—কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও কক্সবাজার সদর উপজেলা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর, ৮ নম্বর শুলকবহর, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলি ও ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ড এলাকা। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা ও বান্দরবান সদর উপজেলা এবং রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা।

আবহাওয়া ও ভূপ্রাকৃতিক কেন্দ্র চট্টগ্রামের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান খান বলেন, ‘সপ্তাহের শুরুতে ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকে ভূমিধসের সতর্কতা দেওয়া হচ্ছিল। গতকাল রাতে গাণিতিক মডেলের তথ্যের ভিত্তিতে ভূমিধসের বিশেষ সতকর্তা জারি করা হয়েছে। হয়তো এখন বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কম, তবে আরো বৃষ্টি হবে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এসব এলাকার পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে আছে, তাই পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে।’

আবহাওয়া অফিসের পতেঙ্গা কেন্দ্রে সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৭১ দশমিক ৬ মিলিমিটার এবং দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৯২ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

অন্যদিকে নগরীর কেন্দ্র আমবাগান আবহাওয়া অফিসে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৩৬ মিলিমিটার এবং দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ২১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরীতে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম থাকলেও বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আবার মুষলধারে বৃষ্টি ঝরতে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী

ঢাকাকে বসবাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাকে বসবাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, এটি বাস্তবতা। তাই উন্নয়নের প্রতিটি পরিকল্পনায় জলবায়ু বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসা খুবই জরুরি। ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

সভ্য দেশ হয়েও যেভাবে যত্রতত্র কলকারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে, তা কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। 

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন। এছাড়া সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ছবি: কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে।

আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন তারা। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার প্রযুক্তিগত ও সামরিক সহযোগিতা আরো জোরদার এবং কৌশলগত অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য চীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি প্রচলিত সামরিক সহযোগিতার বাইরে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ ছাড়া বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দুই দেশের একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের অবকাঠামো ও প্রতিরক্ষা খাতে চীনের ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।