• ই-পেপার

দেশে ৪৬ লাখ ভরি সোনা এনেছেন বিমানযাত্রীরা

ভারতে ভিসার চাহিদা বাড়ছে, দিনে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতে ভিসার চাহিদা বাড়ছে, দিনে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে ভারতের ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভিসার চাহিদা বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন ও সংশ্লিষ্ট ভিসা কেন্দ্রগুলো মিলিয়ে দিনে প্রায় ৫ হাজার ভিসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা, পর্যটনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ভারতে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা বাড়ায় ভিসার চাহিদাও বেড়েছে।

ভারতীয় হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভিসা সেবা স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যবসা, উচ্চশিক্ষা ও পর্যটনের জন্য ভারত ভ্রমণের আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশিদের মধ্যে।

এদিকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের (আইসিসিআর) বৃত্তি কার্যক্রমের সাম্প্রতিক প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এই বৃত্তির আওতায় ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।

আইসিসিআরের বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ভারতের ১৩০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইচইউ), আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (এএমইউ) ও জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার মতো শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আইসিসিআর বৃত্তি দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভিসা সেবা স্বাভাবিক হওয়া এবং বৃত্তি কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন : ইসি সচিব

অনলাইন ডেস্ক
এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন : ইসি সচিব

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। আখতার আহমেদ বলেন, ‘সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপির বিষয়ে ইসিতে এখনো কোনো নোটিশ আসেনি। এলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে কমিশন।’

এর আগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সাংগঠনিক তদন্তে গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একটি প্রতিনিধিদল।

বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশের আবাসন শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জ, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (DAP) বাস্তবায়নের ফলে উদ্ভূত বিভিন্ন বাস্তব সমস্যা এবং এ খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রিহ্যাবের প্রতিনিধিদল জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর আবেদন জানায়। পাশাপাশি আবাসন খাত-সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবাসমূহ সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। রাজধানীর সীমিত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে যৌক্তিকভাবে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (FAR) বৃদ্ধি এবং উল্লম্ব (Vertical) নগরায়ণের ওপরও জোর দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাতের বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এমন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।

তিনি বলেন, কেউ যেন আবাসন খাতে অনিয়ম করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আরো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নগরায়ণ শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক হলে চলবে না; দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার

দেশের বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থাকে আরো দক্ষ, স্বচ্ছ ও বিল আদায় নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব বেসরকারি খাতের হাতে ছেড়ে দিতে চায় সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘আমি সব বিতরণ কম্পানিকে বেসরকারি করতে চাই। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পাইকারি বিক্রি করতে পারে, কিন্তু গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণের কাজটি বেসরকারি খাতেরই করা উচিত।’

বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকায় আয়োজিত  ‘এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এই উদ্যোগ এগিয়ে নিতে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেছে।

ভারতের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, ‘কলকাতা, মুম্বাই ও দিল্লির মতো শহরগুলোতে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা বেসরকারি কম্পানিগুলো পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদেরও পারা উচিত।’

স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার এসব প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকার খুচরা ব্যবসা করতে পারে না। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এলে জবাবদিহি ও বিল আদায় নিশ্চিত হবে। এ ছাড়া সব সময় কেন সরকারকেই পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে হবে? বেসরকারি খাতকে এটি করতে দেওয়া উচিত। এর একটি বড় বাজার রয়েছে এবং প্রতিযোগিতার ফলে সরকারের ওপর চাপ কমবে।’

দেশে ৪৬ লাখ ভরি সোনা এনেছেন বিমানযাত্রীরা | কালের কণ্ঠ