• ই-পেপার

যুব মহিলা লীগের শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আসছে

বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা প্রত্যাহারের দাবি মার্কসবাদী বাসদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা প্রত্যাহারের দাবি মার্কসবাদী বাসদের
সংগৃহীত ছবি

দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানিগুলো বেসরকারি খাতে পরিচালনার সরকারি পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী)। এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক মাসুদ রানা এ পরিকল্পনা জনস্বার্থবিরোধী বলে দাবি করেন এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুতের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়বে এবং এর প্রধান ভুক্তভোগী হবে সাধারণ মানুষ।

বাসদ (মার্কসবাদী) দাবি করে, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অদক্ষতা বা অস্বচ্ছতা থাকলে তা সংস্কারের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত, বেসরকারিকরণ কোনো টেকসই সমাধান নয়। দলটির মতে, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও জনস্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যের কারণে বিদ্যুৎ বিতরণ পুরোপুরি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হয় না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সরকার সম্প্রতি উৎপাদন ব্যয় ও ভর্তুকির চাপের কথা উল্লেখ করে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এর পরপরই বিতরণ ব্যবস্থার বেসরকারিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। দলটির আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বাসদ (মার্কসবাদী) দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানি-নির্ভরতা ও লুণ্ঠনমূলক চুক্তির বাইরে এনে জাতীয় ও জনমুখী ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার দাবি জানিয়ে সরকারের বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ

কালের কণ্ঠ নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম

অনলাইন ডেস্ক
কালের কণ্ঠ নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময়ও কম

পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শিগগির তিনি পদত্যাগ করবেন বলে রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একজন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন,  ‘নিশ্চিত তিনি (রাষ্ট্রপতি) যাচ্ছেন, সময় কম।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) কালের কণ্ঠ বঙ্গভবনে যোগাযোগ করে। এ সময় রাষ্ট্রপতির ওই ঘনিষ্ঠজনসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়। তবে বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি।

বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র বলছে, সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে তার সুবিধাজনক সময়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পদত্যাগের বিষয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। পদত্যাগের জন্য তার হাতে সময়ও খুব কম বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।

সূত্র আরো জানায়, পদত্যাগের পর তিনি কিছু দিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রায়ই বলেন, ‘শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, যে কোনো সময় যে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি।’

আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘পদত্যাগের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। তবে এখনো পদত্যাগের তারিখ ঠিক হয়নি। যথাযথ প্রক্রিয়ায় পদত্যাগপত্র জমা দেবেন তিনি।’

এদিকে বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের পোস্ট ঘিরে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন চলছে।

ওই পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লেখেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এর চাইতেও বিস্ময়কর খবর হলো, নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির কোনো শীর্ষ নেতার পরিবর্তে পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।’

জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকার পতনের সময় থেকে জামায়াত-এনসিপি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেক নেতাও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পক্ষে ছিলেন। তবে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া না চালিয়ে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ ছিল। 

এর আগে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নির্বাচিত হন। ওই বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণ, রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে অভিভাবকত্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন এবং নতুন সরকারকে শপথ পাঠ করান।

বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় মেগাসিটি ঢাকার বায়ুমান মাঝারিমানের। বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় রাজধানী ঢাকার অবস্থান ৫১তম। যার বায়ুমান স্কোর ৫৯। এই অবস্থার বায়ুমানকে মাঝারিমানের বলে বিবেচিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। যার বায়ুমান স্কোর ১৬৩। এই অবস্থাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এছাড়া তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। যার বায়ুমান স্কোর ১৫৯। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আলজেরিয়ার বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর আলজিয়ার্স। যার বায়ুমান স্কোর ১৩৪। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। যার বায়ুমান স্কোর ১৩৩। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েলের জেরুজালেম। যার বায়ুমান স্কোর ১১৮।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাইব্যুনালে জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর
সংগৃহীত ছবি

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এদিন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। 

প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে আজ হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন।

এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।  

প্রসঙ্গত, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

যুব মহিলা লীগের শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আসছে | কালের কণ্ঠ