• ই-পেপার

ক্যানবেরার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সেজেছে বাংলাদেশি পতাকার রঙে

শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে

বাসস
শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে
সংগৃহীত ছবি

দেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবেলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শনিবার (৬ জুন) শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবেলা : প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। 

আরো পড়ুন
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা টোল আদায়

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা টোল আদায়

 

ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।  

ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি। 

তিনি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

কায়সার কামাল বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। 

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক এবং অনলাইনভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরো পড়ুন
স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

 

নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকারকর্মী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের কর ১ শতাংশে নামানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের কর ১ শতাংশে নামানোর দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদী, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, সৌর ও বায়ুশক্তির বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও উচ্চ কর, নীতিগত বৈপরীত্য এবং অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে রয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর গ্রিন লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য উৎস : চাই বাজেটের নীতিগত পরিবর্তন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়। যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন) এবং বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোট (বিডব্লিউজিইডি)।

সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা), ইথিক্যাল ট্রেডিং ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ (ইটিআই), ল-ইয়ার্স ফর এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (লিড) এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে জলবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মোট স্থাপিত সক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ৬৭৯ মেগাওয়াট। অথচ সৌর ও বায়ুশক্তি থেকে প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর ২৭ থেকে ৬১ শতাংশ পর্যন্ত কর ও শুল্ক আরোপের কারণে খাতটির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে সৌর প্যানেল ও ইনভার্টারের ওপর প্রায় ২৬ দশমিক ৯ শতাংশ কর আরোপ করা হলেও জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিভিন্ন ধরনের নীতিগত সুবিধা অব্যাহত রয়েছে। এতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির খরচ বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে কিছু অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত হিসাব তুলে ধরে বলা হয়, প্রতি মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ বছরে প্রায় ৩ কোটি ১১ লাখ টাকার জ্বালানি আমদানি সাশ্রয় করতে পারে এবং ১ হাজার ১৮০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমাতে সক্ষম। এ ছাড়া প্রতি কিলোওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বছরে প্রায় ৩১ হাজার টাকা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারে।

আসন্ন জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো—

  • আগামী ১০ বছরের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট ও অগ্রিম করসহ সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রতীকী ১ শতাংশে নামিয়ে আনা।
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে ২৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ আবর্তনশীল তহবিল গঠন, যাতে উদ্যোক্তারা ৫ শতাংশের কম সুদে ঋণ পেতে পারেন।
  • আবাসিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের জন্য প্রতি কিলোওয়াটে কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা ভর্তুকি এবং নারী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রকল্পে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ভর্তুকি প্রদান। 
  • নতুন ইউটিলিটি-স্কেল প্রকল্পে ন্যূনতম ২০ শতাংশ ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ বাধ্যতামূলক করা, করপোরেট বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (সিপিপিএ) চালু এবং নির্গমন কর আরোপ।
  • যুব উন্নয়ন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে প্রতি বছর ১০ লাখ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় আকারের ভূমিনির্ভর প্রকল্পের পরিবর্তে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং জলাশয়ভিত্তিক ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। এতে কৃষিজমি সংরক্ষণ হবে, দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।

ক্লিনের প্রধান নির্বাহী  হাসান মেহেদী বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানিতে অব্যাহত ভর্তুকি ও প্রণোদনার পরিবর্তে আসন্ন জাতীয় বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে কৌশলগত অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার, কর-শুল্ক অব্যাহতি এবং আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত না হলে বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ব্যয় ও আমদানিনির্ভরতার চক্রে আটকে পড়বে।’

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছাড়া শিল্পায়ন সম্ভব নয়। সরকার কর ও শুল্ক কমিয়ে সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগের পথ সহজ করলে জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

লিডের গবেষণা পরিচালক অ্যাডভোকেট শিমনউজ্জামান বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তব বিনিয়োগের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। এই ব্যবধান দূর করতে বাজেটে শক্তিশালী নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।’

ইটিআই বাংলাদেশের পরিচালক মুনীর উদ্দিন শামীম বলেন, ‘জ্বালানি সার্বভৌমত্ব এখন জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। শিল্পখাত ও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাজেটে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।’

বক্তারা সতর্ক করে বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের নীতিগত ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করা না হলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ এবং জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা আরো বাড়বে। অন্যদিকে সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ালে জ্বালানি আমদানি কমবে, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে।

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও রাষ্ট্রীয় ভিত্তি শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। 

আরো পড়ুন
তারেক রহমানের কাছে ১০০টি নারকেলগাছ চাইলেন প্রবীণ অভিনেতা

তারেক রহমানের কাছে ১০০টি নারকেলগাছ চাইলেন প্রবীণ অভিনেতা

 

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে তার ভূমিকা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে যুদ্ধ পরিচালনায় সংগঠিত কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক ছিল।

তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়া সম্মেলনে তার প্রস্তাবেই যুদ্ধের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নির্ধারণ এবং প্রাথমিকভাবে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে বিশেষ অবদান রাখে।

আহমেদ আযম খান বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান সামরিক শাসন থেকে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক কার্যক্রমের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপনের অনুসারী একজন রাষ্ট্রনায়ক। তিনি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দিতেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন।

মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য প্রাসঙ্গিক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীলতা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও জনগণের ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে যেতে শুরু করেছিল।

আরো পড়ুন
আবারও পরিচালনায় মৌসুমী, আসছে নতুন সিনেমা

আবারও পরিচালনায় মৌসুমী, আসছে নতুন সিনেমা

 

তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মিলনায়তন সংস্কার এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ২০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অতীতে বেদখল হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পত্তি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

বাসস
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ভূমি মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য পুনরায় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী আবশ্যিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৪ অধিশাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
রাতের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সতর্কতা

রাতের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সতর্কতা

 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা, প্রসেস সার্ভার, অফিস সহায়ক, চেইনম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরীসহ উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ছকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য পূর্বে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদধারীদের এ তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্পদ অর্জন ও আর্থিক অবস্থার তথ্য নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ ও পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী এখনো পাওয়া যায়নি।

ফলে সংশ্লিষ্ট সব জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুন
সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু রবিবার

সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু রবিবার

 

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্পদের বিবরণী দাখিলের বিষয়টি সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

স্মারকে নির্দেশক্রমে বলা হয়েছে, পূর্বে জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করে নির্ধারিত ছকে সম্পদের হিসাব প্রস্তুত করে আগামী ২৫ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে অবশ্যই ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

এ বিষয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।

এ নির্দেশনার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ ও কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণের কার্যক্রম আরো জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাশাপাশি সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্যানবেরার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সেজেছে বাংলাদেশি পতাকার রঙে | কালের কণ্ঠ