• ই-পেপার

নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গী হবে আরিয়া, প্রয়োজন মেটাবে প্রেমিকারও!

নিজের সেবাকে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগে গুগলকে ১০০ কোটি ডলার জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
নিজের সেবাকে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগে গুগলকে ১০০ কোটি ডলার জরিমানা
ছবি: রয়টার্স

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট (ডিএমএ) লঙ্ঘনের অভিযোগে গুগলকে ৮৯০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১০০ কোটি ডলার) জরিমানা করেছে ইউরোপীয় কমিশন। নতুন এই আইনের আওতায় গুগলের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম বড় শাস্তি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের অভিযোগ, গুগল সার্চে নিজেদের সেবা, যেমন গুগল শপিং ও হোটেল–সংক্রান্ত ফলাফল অন্য প্রতিষ্ঠানের সেবার তুলনায় বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখায়। এতে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।

এ ছাড়া কমিশনের দাবি, গুগল প্লে স্টোরে থাকা অ্যাপ নির্মাতারা ব্যবহারকারীদের নিজেদের ওয়েবসাইট বা অন্য অ্যাপ স্টোরের বিকল্প অফারের তথ্য সহজে জানাতে পারেন না। গুগল সেই সুযোগ সীমিত করেছে, যা ডিএমএর নিয়মের বিরুদ্ধে।

গুগল ও অ্যালফাবেটের গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট কেন্ট ওয়াকার বলেন, এই সিদ্ধান্তে ইউরোপের ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা খারাপ হতে পারে। তার দাবি, নতুন নিয়ম মানতে গিয়ে গুগলকে সার্চের কিছু জনপ্রিয় সুবিধা কমাতে হচ্ছে। এর মধ্যে হোটেল, ফ্লাইট ও রেস্তোরাঁর তাৎক্ষণিক মূল্য ও তথ্য দেখানোর সুবিধাও রয়েছে। পাশাপাশি গুগল প্লের কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থাও দুর্বল হতে পারে।

গুগল জানিয়েছে, তারা কমিশনের সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে আপিল করবে কি না, সেটিও বিবেচনা করছে।

ইউরোপীয় কমিশন গুগলকে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার নির্দেশ দিয়েছে। তা না হলে প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বব্যাপী বার্ষিক আয়ের ৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত জরিমানা দিতে হতে পারে।

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৪ সালে ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট চালু করে। এই আইনের লক্ষ্য হলো গুগল, অ্যাপল, মেটার মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বাজারে একচেটিয়া প্রভাব কমানো এবং ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করা।

ভুল স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে নতুন মামলা

অনলাইন ডেস্ক
ভুল স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি ভুল স্বাস্থ্য পরামর্শ দিয়ে একজন ব্যবহারকারীকে গুরুতর অসুস্থতার মুখে ঠেলে দিয়েছে—এমন অভিযোগে ওপেনএআই ও এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে নতুন মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ধর্মযাজক স্কট উইন্টারস ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালতে এ মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, গত বছর বারবার মাথা ঘোরা ও কুঁচকিতে ব্যথা নিয়ে তিনি জিপিটি-৪ ও সংস্করণের চ্যাটজিপিটির পরামর্শ নেন।

মামলা অনুযায়ী, চ্যাটজিপিটি তাকে বাড়িতে থেকে চলাফেরা কমানোর পরামর্শ দেয়। কুঁচকির ব্যথাকেও গুরুতর নয় বলে জানায়। কিন্তু পরদিনই উইন্টারসকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

চিকিৎসকেরা জানান, তার পালমোনারি এম্বোলিজম হয়েছে, অর্থাৎ ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধেছিল। চিকিৎসকদের মতে, কম চলাফেরা করার কারণে তার অবস্থা আরো খারাপ হয় এবং তা প্রাণঘাতী হতে পারত।

ওপেনএআইয়ের মুখপাত্র ড্রিউ পুসাতেরি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় এআই সহায়ক হতে পারে। তবে চ্যাটজিপিটি কোনো চিকিৎসক নয় এবং এটি কখনোই চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

মামলায় ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আদালতের কাছে কয়েকটি নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে চ্যাটজিপিটি যেন সঙ্গে সঙ্গে কথোপকথন বন্ধ করে ব্যবহারকারীকে চিকিৎসকের কাছে যেতে বলে। এছাড়া ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যপরামর্শ দেওয়া নতুন সেবা ChatGPT Health নিরাপত্তা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত চালু না করার আবেদনও জানানো হয়েছে।

ওপেনএআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৪ কোটি (৪০ মিলিয়ন) মানুষ স্বাস্থ্য–সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর জানতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেন।

এদিকে মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়েছে, শুরুতে চ্যাটজিপিটি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বললেও পরে সেই সতর্কবার্তা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এমনকি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে বাসায় থাকার পরামর্শ দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, এটি ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের একমাত্র মামলা নয়। এর আগে চ্যাটজিপিটির পরামর্শের কারণে বাস্তব জীবনে ক্ষতির অভিযোগ তুলে আরো কয়েকটি মামলা হয়েছে। তবে ওপেনএআই বলছে, ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা নিয়মিতভাবে চ্যাটজিপিটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করছে।

এক হতে পারে টেসলা ও স্পেসএক্স, নতুন ইঙ্গিত ইলন মাস্কের

অনলাইন ডেস্ক
এক হতে পারে টেসলা ও স্পেসএক্স, নতুন ইঙ্গিত ইলন মাস্কের
ছবি: রয়টার্স

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন দুই প্রতিষ্ঠান টেসলা ও স্পেসএক্স ভবিষ্যতে এক হতে পারে। এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি মাস্ক। বরং তিনি বলেছেন, দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সহযোগিতা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

টেসলার সর্বশেষ আয়-ব্যয়ের (আর্নিংস) কলে মাস্ক বলেন, টেসলা ও স্পেসএক্স এখন অনেক প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করছে। তাই দুই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের মিলও বাড়ছে। তবে আর্নিংস কলে একীভূত হওয়ার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা ঠিক হবে না। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্ধারিত নিয়ম মেনেই নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরেই টেসলা ও স্পেসএক্স এক হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি স্পেসএক্সের ৭৫ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড আইপিও প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর সেই আলোচনা আরো জোরালো হয়েছে।

বর্তমানে টেসলা, স্পেসএক্সের কয়েকটি প্রকল্পে ব্যাটারি ও উৎপাদন প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। দুটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ‘টেরাফ্যাব’ নামে একটি সেমিকন্ডাক্টর কারখানাও তৈরি করছে। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চিপ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মাস্কের বক্তব্যের পর টেসলার বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ডিপওয়াটার অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের অংশীদার জিন মানস্টার বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দুই প্রতিষ্ঠান এক হওয়ার সম্ভাবনা এখন ৯০ শতাংশ বলে তিনি মনে করেন। আগে তিনি এই সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ বলে ধারণা করেছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, টেসলা ও স্পেসএক্স এক হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, জ্বালানি, উৎপাদন প্রযুক্তি ও মহাকাশ প্রযুক্তির কাজ আরো সহজ হবে। একই সঙ্গে মাস্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনাও সহজ হতে পারে।

তবে এই একীভূতকরণ সহজ হবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন লাগবে। বিশেষ করে চীনে স্পেসএক্সের যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি বাধা হতে পারে। এ ছাড়া টেসলা ও স্পেসএক্সে মাস্কের মালিকানার ধরন ভিন্ন হওয়ায় শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

এ কারণে টেসলা ও স্পেসএক্স এক হওয়ার বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, মাস্কের মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ মহলে আলোচনা আরো বেড়েছে।

নিয়ন্ত্রণ হারাল এআই মডেল, আতঙ্কে ওপেনএআই কর্তারা

অনলাইন ডেস্ক
নিয়ন্ত্রণ হারাল এআই মডেল, আতঙ্কে ওপেনএআই কর্তারা
ছবি : রয়টার্স

চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের একটি এআই মডেল গত সপ্তাহে সিকিউরিটি টেস্টের সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

মডেলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে এআই স্টার্টআপ ‘হাগিং ফেস’-এর সাইবার অবকাঠামোতে অনুপ্রবেশ করে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে ওপেনএআই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্স

জানা গেছে, একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তাদের কিছু সর্বাধুনিক এআই মডেলের ক্ষমতা পরীক্ষা করছিল ওপেনএআই। কিন্তু একপর্যায়ে এআই এজেন্টটি নির্ধারিত গণ্ডি ভেদ করে ইন্টারনেটে প্রবেশ করে। পরীক্ষার লক্ষ্য অর্জনের জন্য হাগিং ফেসের সিস্টেমে জোরপূর্বক ঢুকে পড়ে।

ওপেনএআই তাদের একটি ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, এটি ‘অভূতপূর্ব এক ঘটনা, যাতে অত্যাধুনিক সাইবার সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছ’। প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে বলে উল্লেখ করেছে।

নিউইয়র্কভিত্তিক স্টার্টআপ হাগিং ফেস জানিয়েছে, আক্রমণটি প্রতিহত করার জন্য তারা একটি ওপেন সোর্স চাইনিজ মডেল ব্যবহার করেছে। কারণ শীর্ষস্থানীয় মার্কিন মডেলগুলো আক্রমণকারী ও রক্ষাকারীর মধ্যে পার্থক্য করতে না পেরে বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেস করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

কোম্পানিটি গত সপ্তাহে এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, তারা বিশ্লেষণের জন্য ঝিপু এআই-এর জিএলএম-৫.২ মডেলটি ব্যবহার করেছে। এটি তাদের সিস্টেমের মধ্যেই আক্রমণকারীর ডেটা ও বিভিন্ন ক্রেডেনশিয়াল সংরক্ষণে সহায়তা করেছিল।

ওপেনএআই স্বীকার করেছে, তাদের উন্নত মডেলগুলোকে ‘অত্যন্ত সুরক্ষিত ও পৃথক পরিবেশে’ রাখা সত্ত্বেও এই নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে ফ্রন্টিয়ার এআই মডেলগুলোর ক্ষমতা ও ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গী হবে আরিয়া, প্রয়োজন মেটাবে প্রেমিকারও! | কালের কণ্ঠ