• ই-পেপার

ঢাকায় এভেনজোর ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

যুব ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইরান, সম্পাদক সোহেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
যুব ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইরান, সম্পাদক সোহেল
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি পদে ইরান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সোহেল ফকির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অভী জ্যানেট নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজধানীর হাতিরঝিলে পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন ড. গোলাম মহিউদ্দিন স্মৃতি পাঠাগার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সম্মেলন ও কাউন্সিলে নতুন এ কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি ইরান মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অনিন্দ্য দ্বীপের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. সাজেদুল হক রুবেল, যুব ইউনিয়নের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশিকুল ইসলাম জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন, সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম সজীব, আহ্বায়ক মো. সোহেল ফকির, কেন্দ্রীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব সাহা এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক রফিজুল ইসলাম রফিক।

কাউন্সিলে সহসভাপতি হিসেবে অনিন্দ্য দ্বীপ, জাহিদুল ইসলাম সজীব, আবুল হাসান ও মিনা চৌধুরী; সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুমাইয়া সেতু ও তাপস চন্দ্র শীল; কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সালমা আক্তার শিমু; দপ্তর সম্পাদক হিসেবে বিচিত্র বিশ্বাস; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে মিসবাহ জামিল; সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ তানিম; তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে এ্যানি সেন; নারীবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে ফারজানা স্নিগ্ধা; ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে তন্ময় সরকার; সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে অমিত তরফদার নির্বাচিত হয়েছেন। সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পঙ্কজ মণ্ডল, ইমরান চৌধুরী, অলিদ হাসান লাবু, শাওন বিশ্বাস, ফিলোমিনা কোড়াই অভি ও গিয়াস উদ্দিন।

সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাড্ডা থানা সংসদ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে।

সম্মেলনে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা এবং যুবসমাজের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

রাজধানীতে বিদ্যুতের অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে লাইনম্যানের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে বিদ্যুতের অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে লাইনম্যানের মৃত্যু

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে বিদ্যুতের অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হায়দার হোসেন (৩৫) নামের এক লাইনম্যানের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজন ও সহকর্মীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃত হায়দারকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বোনজামাতা শুক্কুর গাজী জানান, তারা ডেসকো কম্পানিতে একই সঙ্গে চাকরি করেন। হায়দার সহকারী লাইনম্যান ছিলেন। তারা চার-পাঁচজন মিলে বনানী কড়াইল বস্তিতে অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়েছিলেন। কাজ করার সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে হায়দার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে যান। এরপর অন্য সহকর্মীদের সহায়তায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

তিনি আরো জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার পূর্ব ফুলহার গ্রামে। বাবার নাম মো. মোহসিন ফরাজি। বর্তমানে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে উত্তর বাড্ডায় থাকতেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বনানী থানা তদন্ত করছে।

যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সড়ক নিরাপদ হয়ে উঠবে : ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সড়ক নিরাপদ হয়ে উঠবে : ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে সড়ক পথচারীদের জন্য অনেকাংশে নিরাপদ হয়ে উঠবে। আজ শনিবার (১১ জুলাই) ডিএনসিসি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের (ডব্লিউআরআই) উদ্যোগে ডিএনসিসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনকালে প্রশাসক একথা বলেন।

সড়ক নিরাপত্তায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিকল্পিত সড়ক ডিজাইনের মাধ্যমে পথচারীদের নিরাপদ সড়ক পারাপার নিশ্চিত করা, সিগন্যাল ও জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্বে রেইজড ক্রসিং (সড়ক থেকে উঁচু করে ফুটপাত সমান্তরাল পারাপার) ও গতিরোধক স্থাপনের মাধ্যমে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, সড়ক নিরাপত্তাসহ শহরের সমন্বিত উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুবই ইতিবাচক। সড়ক নিরাপত্তায় ডিএনসিসি ও ব্লমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটির (বিআইজিআরএস) আওতায় ঢাকায় চলমান কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করা হবে।

বিআইজিআরএস বাংলাদেশ সমন্বয়কারী ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে (বিআইজিআরএস)-এর আওতায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলম।

প্রশিক্ষণে ডিএনসিসির অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটি (ডিটিসিএ) এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটির (ডিটিসিএ) সিনিয়র রোড সেফটি স্পেশালিস্ট মামুনুর রহমান, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) উপপরিচালক সুবীর কুমার সরকার, ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল) নাঈম রায়হান খান, বিআইজিআরএসের এনফোর্সমেন্ট কোঅর্ডিনেটর গোলাম রহমান ও সার্ভিল্যান্স কো-অর্ডিনেটর ডা. তানভীর ইবনে আলী উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক নিরাপত্তায় সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করছে ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সড়ক নিরাপত্তায় সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করছে ডিএনসিসি
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর সড়কগুলোকে আরো নিরাপদ করতে অবকাঠামোগত নকশা, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। 

তিনি বলেছেন, সড়ক নিরাপত্তাসহ নগর উন্নয়নের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ডিএনসিসি ও বিআইজিআরএসের চলমান কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএনসিসি মিলনায়তনে ‘অবকাঠামোগত নকশার মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি’ (বিআইজিআরএস) কর্মসূচির আওতায় ডিএনসিসি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (ডব্লিউআরআই) এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান আরো বলেন, পর্যায়ক্রমে ঢাকা উত্তরের সড়কগুলোকে নিরাপদ করা হবে। এ জন্য প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিরাপদ সড়ক নকশা প্রণয়নের জন্য প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান বলেন, ডিএমপির সহযোগিতায় দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো শনাক্ত করে নতুন নকশার মাধ্যমে সেগুলো নিরাপদ করার কাজ চলছে। নিরাপদ সড়ক নকশা বিষয়ে প্রকৌশলী ও নগর পরিকল্পনাবিদদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পিত সড়ক নকশা, রেইজড ক্রসিং, গতিরোধক, সিগন্যাল ও জেব্রা ক্রসিংয়ের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সমাধানভিত্তিক সাংবাদিকতা উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণ এবং চালক ও সড়ক ব্যবহারকারীদের গতিসীমা সম্পর্কে সচেতন করতে গণমাধ্যমে প্রচারাভিযান পরিচালনা করছে ডিএনসিসি। এসব কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের আহ্বান জানান তিনি।
বিআইজিআরএস বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, বিশ্বের ২৭টির বেশি ঘনবসতিপূর্ণ শহরে নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ পারাপার, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক নকশায় অবদান রাখায় ডিএনসিসির চার কর্মকর্তা, সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার সরকার এবং উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সোহেল রানা, মো. বাবর আহমেদ ও মো. মহিনুর ইসলামকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসকের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিরাপদ সড়ক নকশা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, গতি নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামোগত নকশা এবং মেট্রোরেলের সঙ্গে সড়ক পরিবহনের সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

ডব্লিউআরআইয়ের পরামর্শক ফারজানা ইসলাম তমা, সহযোগী পরামর্শক আরিনা তাহনীম, আরবান রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজার রেত্নো হুইনানেস্টা এবং ডিএমটিসিএলের উপ-প্রকল্প পরিচালক সোহেল রানা বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান।