• ই-পেপার

আর্জেন্টিনার ম্যাচে থাকতে পারবে না ইংলিশ রেফারি, ফিফার নির্দেশনা

২৬ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড ‘ভেঙে চুরমার’ করলেন ওয়ানইয়োনি!

ক্রীড়া ডেস্ক
২৬ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড ‘ভেঙে চুরমার’ করলেন ওয়ানইয়োনি!
ছবি : রয়টার্স

ট্র্যাকে ঝড় তুলে ২৬ বছর ধরে অক্ষত থাকা পুরুষদের ১০০০ মিটার দৌড়ের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিলেন ইমানুয়েল ওয়ানইয়োনি। গত শুক্রবার ডায়মন্ড লিগের মোনাকো লেগে এই কীর্তি গড়েন ২১ বছর বয়সী এই কেনিয়ান অ্যাথলেট। ইভেন্টে নিজের অভিষেক রাঙিয়ে বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস লিখলেন ওয়ানইয়োনি।

মোনাকোর স্তাদ লুই দো স্টেডিয়ামে ওয়ানইয়োনিকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলেছিলেন গ্রেট ব্রিটেনের ৩১ বছর বয়সী জেকে ওয়াইটম্যান। তবে শেষ পর্যন্ত কেনিয়ান তারকার গতির কাছে তাকে হার মানতে হয়। ওয়ানইয়োনি ২ মিনিট ১১.৮৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ে স্বর্ণ জেতেন। বর্তমান অলিম্পিক ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এই অ্যাথলেট মূলত ৮০০ মিটারের কিংবদন্তি। ১০০০ মিটারের নতুন রেকর্ড গড়তে গিয়ে তিনি তারই স্বদেশি নোয়া এনগেনির ১৯৯৯ সালের গড়া রেকর্ডের চেয়ে ০.১৩ সেকেন্ড কম সময় নিয়েছেন।

এদিকে ওয়ানইয়োনিকে কঠিন চ্যালেঞ্জ জানানো ২০২২ সালের ১৫০০ মিটারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়াইটম্যান ২ মিনিট ১২.৭৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এটি তার ক্যারিয়ারের সেরা টাইমিং, যা তাকে বিশ্ব অল-টাইম তালিকার পঞ্চম স্থানে তুলে এনেছে। এই রেসে অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী আলজেরিয়ার জামেল সেদজাতি তৃতীয় এবং ব্রিটেনের বেন প্যাটিনসন পঞ্চম হয়েছেন।

ঐতিহাসিক এই জয়ের পর দারুণ উচ্ছ্বসিত ওয়ানইয়োনি বলেন, ‘বিশ্বরেকর্ড গড়তে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’ 

তবে ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে স্বদেশি ডেভিড রুডিশার গড়া ৮০০ মিটারের বিশ্বরেকর্ড ভাঙার কোনো তাড়াহুড়ো নেই তার। ওয়ানইয়োনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি ৮০০ মিটারের বিশ্বরেকর্ড নিয়ে এখন কোনো কথা বলতে চাই না। আগে নিজের টাইমিং আরও উন্নত করতে চাই। এখন চুপ থাকাই ভালো, মুখের কথার চেয়ে কাজই বেশি কথা বলবে।’
 

মরক্কোর বিদায়ে কেন কান্নায় ভেঙে পড়লেন নোরা

অনলাইন ডেস্ক
মরক্কোর বিদায়ে কেন কান্নায় ভেঙে পড়লেন নোরা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর পর থেকেই সামাজিকমাধ্যমে মরক্কোর প্রতি নিজের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। তবে প্রিয় দলের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়ার মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।

ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে মরক্কো বিদায় নেওয়ার পর গ্যালারিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন নোরা। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চোখের জল মুছছেন তিনি। পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।

মরক্কোর লাল জার্সি গায়ে পুরো ম্যাচজুড়ে গ্যালারি থেকে দলকে সমর্থন দেন এই অভিনেত্রী। স্টেডিয়ামে পৌঁছাতেও তাকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। বস্টনের পথে তীব্র যানজটে আটকে গেলে শেষ পর্যন্ত গাড়ি থেকে নেমে বেশ কিছুটা পথ হেঁটেই স্টেডিয়ামে পৌঁছান। তবুও খেলা শুরুর আগেই গ্যালারিতে নিজের আসনে বসতে সক্ষম হন।

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলোচনায় ছিল মরক্কো। শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে লড়াই করে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা দলটি শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের বিপক্ষে আর চমক দেখাতে পারেনি। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানে হেরে শেষ হয় তাদের স্বপ্নযাত্রা। পরাজয়ের পরও মরক্কো দলের প্রতি নিজের গর্বের কথা প্রকাশ করেন নোরা। বিশেষ করে অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিসহ পুরো দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত এক বছর ধরে আশরাফ হাকিমি ও নোরা ফাতেহির সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময় গুঞ্জন শোনা গেলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

বিশ্বকাপ হিরো ভোজিনহার নামে ‘নতুন প্রাণীর’ নামকরণ!

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ হিরো ভোজিনহার নামে ‘নতুন প্রাণীর’ নামকরণ!

বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের হয়ে গোলপোস্টের নিচে অতিমানবীয় পারফর্ম করে বিশ্বজুড়ে কুড়িয়েছেন প্রশংসা। এবার সেই কীর্তির এক অনন্য স্বীকৃতি পেলেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা। তার নামানুসারে ক্যারিবীয় সাগরে আবিষ্কৃত একটি নতুন প্রজাতির ‘সী স্লাগ’ (এক ধরনের সামুদ্রিক শামুক) এর নামকরণ করা হয়েছে।

ক্যারিবীয় সাগরে এই ছোট লাল রঙের মলাস্ক জাতীয় প্রাণীটি আবিষ্কার করেছেন স্প্যানিশ জীববিজ্ঞানী হেসুস ওর্তেয়া। ৪০ বছর বয়সী এই ফুটবল তারকার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি প্রাণীটির বৈজ্ঞানিক নাম রেখেছেন ‘আলদিসা ভোজিনহা’।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পেরিয়ে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল তারা। সেখানে বিশ্বজয়ীদের রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয়তায় ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেয় আফ্রিকার এই পুঁচকে দলটি।

তবে এর আগেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখায় কেপ ভার্দে। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করে দলটি। আর সেই ম্যাচে স্প্যানিশদের একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে রাতারাতি বিশ্বমঞ্চের নায়ক বনে যান গোলরক্ষক ভোজিনহা।

গবেষণা প্রতিবেদনে বিজ্ঞানী ওর্তেয়া জানান, স্পেনের বিপক্ষে ভোজিনহার ‘অনবদ্য ভূমিকা’কে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ। মজার ব্যাপার হলো, স্পেন দলটির ডাকনাম ‘লা রোহা’ বা ‘লাল দল’। ওর্তেয়া তার প্রতিবেদনে যোগ করেন, ‘উৎসর্গীকৃত এই নতুন প্রজাতির লাল রঙ মূলত ভোজিনহার সেই অবিশ্বাস্য কীর্তিকেই মনে করিয়ে দেয়।’

স্পেনের বিপক্ষে সেই ম্যাচের পর ভোজিনহার জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁয়েছিল। সামাজিক মাধ্যমে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি ৫০ হাজার থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১৭.৪ মিলিয়নে! যা মার্কিন এনএফএল কিংবদন্তি টম ব্রেডির চেয়েও বেশি।

এদিকে ৭৫ বছর বয়সী বিজ্ঞানী ওর্তেয়া ওভিয়েদো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক। কেপ ভার্দের জলসীমায় দীর্ঘ গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালে দেশটিতে মেডেল অব মেরিটে ভূষিত হন তিনি। ফুটবলের অন্ধ ভক্ত ওর্তেয়া এর আগেও নিজের আবিষ্কারের সঙ্গে প্রিয় খেলার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।

এর আগে কোস্টারিকায় আবিষ্কৃত একটি প্রাণীর নাম তিনি রেখেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির সাবেক কোস্টারিকান গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের নামে। এ ছাড়া স্প্যানিশ ক্লাব স্পোর্টিং গিজনের জার্সির রঙের সঙ্গে মিল থাকা একটি ক্ষুদ্র জলজ প্রাণীর নামকরণ করেছিলেন ক্লাবটির সাবেক স্ট্রাইকার কিনির নামানুসারে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কেপ ভার্দের পোস্টম্যান ভোজিনহা। 

এক জুলাই থেকে আরেক জুলাই, কোর্তোয়ার হাসি থেকে কোর্তোয়ার কান্না

সাহিদ রহমান অরিন
এক জুলাই থেকে আরেক জুলাই, কোর্তোয়ার হাসি থেকে কোর্তোয়ার কান্না
ঊরুর চোটে স্পেনের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ খেলতে পারেননি থিবো কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

টাইম মেশিনে চেপে ৮ বছর আগের জুলাইয়ে ফেরা যাক। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলে পিছিয়ে ব্রাজিল। 

কাজানে ম্যাচের শেষ দিকে নেইমার জুনিয়র নিলেন বাঁকানো এক শট। বলটা ডান দিকের কোণ দিয়ে বেলজিয়ামের জালে প্রায় ঢুকেই যাচ্ছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্য দক্ষতায় সুপারম্যানের মতো লাফিয়ে উঠে তা ঠেকিয়ে দিলেন থিবো কোর্তোয়া।

ব্যস, ব্রাজিলের সমতায় ফেরার সম্ভাবনা সেখানেই শেষ। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল বেলজিয়াম।

Save
২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এভাবেই নেইমারকে গোলবঞ্চিত করেন কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

৮ বছর পর আরেক জুলাইয়ে হয়তো আবারো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে পারত বেলজিয়াম। লস অ্যাঞ্জেলেসে এবার হয়তো স্পেনের বিপক্ষে ‘সুপার হিরো’ বনে যেতে পারতেন কোর্তোয়া।

লামিনে ইয়ামালকে একাধিকবার হতাশ করার পর প্রায় ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে নেওয়া মিকেল ওইয়ারজাবালের শট রুখে আরেকটি বীরত্বগাথা জন্ম দেওয়ার অপেক্ষাতেই ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা গোলকিপার। 

কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে পারলে তো! আচমকা ঊরুর চোটে পড়ে মাঠে লুটিয়ে পড়লেন কোর্তোয়া। কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর উঠে দাঁড়ালে ধারণা করা হচ্ছিল, খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন।

কিন্তু পারলেন না। ৭২ মিনিটে চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন কোর্তোয়া। ৮ বছর আগে যার কারণে নেইমারের ব্রাজিলকে কাঁদতে হয়েছিল, আজ সেই মানুষটার দুচোখ বেয়ে জল পড়ল। জার্সি তুলে দুহাত দিয়ে মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করেও কান্না আড়াল করতে পারলেন না!

কোর্তোয়া হয়তো তখনই বুঝে নিয়েছেন, ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের ১৮ মিনিট বাকি থাকতে তার মাঠ ছাড়ার পর দলকেও এই বিশ্বকাপের মোহ ছাড়তে হবে। 

হলোও তা-ই। যাকে থিবো কোর্তোয়ার যোগ্য উত্তরসূরি ভাবা হচ্ছে, সেই সেনে লামেন্স কোর্তোয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বদলি নামলেও তার রেখে যাওয়া কাজটুকু করতে পারলেন না। বরং করলেন এক বড় ভুল।

পাউ কুবারসির নিচু শট ঝাঁপিয়ে আটকালেও বল হাতে রাখতে পারলেন না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলকিপার লামেন্স। ছুটে এসে সেই বল জালে পাঠালেন স্পেনের ‘সুপার সাব’ মিকেল মেরিনো। লামেন্সের ভুলের চড়া মাশুল দিয়ে বিদায় নিতে হলো বেলজিয়ামকে। অথবা একটু ঘুরিয়ে বলতে পারেন, কোর্তোয়ার চোটে কপাল পুড়ল বেলজিয়ামের। 

2 GK
থিবো কোর্তোয়ার বদলি নেমেছিলেন সেনে লামেন্স। ছবি: ফিফা

দ্য অ্যাথলেটিকও বলছে সেই কথা। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থিবো কোর্তোয়ার চোট স্পেনের বিপক্ষে বেলজিয়ামের হারে সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রিয়াল মাদ্রিদের অভিজ্ঞ এই গোলকিপার একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন। 

ঊরুর চোটে পড়ার পর কোর্তোয়া শুধু গোলকিক নিতে পারছিলেন না। বাকি কাজগুলো স্বাভাবিকভাবে করতে পারছিলেন। তাই খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। 

কিন্তু বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া কোর্তোয়াকে আর খেলাতে চাননি। ম্যাচ শেষে তিনি বললেন, ‘এটা শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল। এমন ম্যাচে ভালো খেলতে হলে পুরোপুরি মনোযোগী থাকতে হয় এবং শতভাগ ফিট থাকতে হয়। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ১০০ শতাংশ ফিট নয়—এমন কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে রাখব না। আজ কোর্তোয়ার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।’

গার্সিয়া আরো বলেন, ‘বিশ্বকাপজুড়ে কোর্তোয়া দুর্দান্ত খেলেছে। কিন্তু আমরা চাইনি তার চোট আরো গুরুতর হয়ে উঠুক। তাই তাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে।’

কোচের যুক্তি এক অর্থে হয়তো ঠিক, আবার আরেক অর্থে পুরোপুরি ঠিক নয়। দেশের প্রতি নিবেদন দেখিয়ে যে মানুষটা খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, তাকে আর ১৮ মিনিট কিংবা পুরো ম্যাচ খেলতে দিলে কী এমন হতো!

cry
চোটে পড়ার পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন কোর্তোয়া। ছবি: ফিফা

এবারের আসরে বিশ্বস্ত হাত দুটি দিয়ে মোট ১০টি সেভ করেছেন কোর্তোয়া। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার ২১তম ম্যাচ। গোলকিপারদের মধ্যে বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি ম্যাচে খেলেছেন শুধু একজন—জার্মানির মানুয়েল নয়্যার; ২৩টি।

কোর্তোয়ার বয়স ৩৪ পেরিয়েছে। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৩৮ বছর। ৪০ বছর বয়সেও কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া যে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছেন, তা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে কোর্তোয়া পরের বিশ্বকাপ খেলতেই পারেন। নয়্যারকে ছাড়িয়ে তিনিই হয়ে যেতে পারেন বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা গোলকিপার। 

তবে তার আগে ভেঙে পড়া কোর্তোয়ার মনটা যে আবারো জোড়া লাগাতে হবে!