• ই-পেপার

১৯ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

ঢাকা মেডিক্যালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা মেডিক্যালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টায় ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। এ ছাড়া আলোচনাসভায় অংশ নেবেন। 

প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে ঘিরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

দূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থা সহনীয়

অনলাইন ডেস্ক
দূষণের শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার অবস্থা সহনীয়

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলায় দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। দূষণের শীর্ষে আজ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর কিনশাসা, যার বায়ুমান স্কোর ১৭৪। অর্থাৎ এখান সেখানকার বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর। অন্যদিকে, ঢাকা রয়েছে তালিকার ১৬ নম্বরে, যেখানে তালিকায় মোট ১২৫টি দেশ রয়েছে। বাংলাদেশের বায়ুমান স্কোর ৮৬। যা মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা যায়।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

সে হিসেবে কিনশাসার দূষণ স্কোর ১৭৪ অর্থাৎ এখানকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। ঢাকার দূষণ স্কোর ৮৬ অর্থাৎ এখানকার বাতাস মাঝারি বা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

চট্টগ্রাম-পার্বত্য অঞ্চলের বন্যা মোকাবেলার দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী অমিত, প্রজ্ঞাপন জারি

বাসস
চট্টগ্রাম-পার্বত্য অঞ্চলের বন্যা মোকাবেলার দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী অমিত, প্রজ্ঞাপন জারি

চট্টগ্রাম ও পার্বত্য তিন জেলায় সাম্প্রতিক বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বন্যাকবলিত এলাকায় সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় ও তদারকি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিমন্ত্রীকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বের আওতায় তিনি বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে মজুত ত্রাণসামগ্রী এবং চলমান উদ্ধার কার্যক্রম মূল্যায়ন করবেন। 

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও পরামর্শ প্রদান করবেন।

এ ছাড়া বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রণয়ন, ত্রাণসামগ্রীর পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তদারকি এবং বন্যা পরিস্থিতি ও গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে নিয়মিত সরকারকে অবহিত করার দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা দেবে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবারের মতো ৯০টি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। এরই ধারবাহিকতায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বছর বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এ বছর বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও প্রাইভেট চ্যানেলগুলো বিশেষ কর্মসূচি সম্প্রচার এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।

১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে গুরুত্ব প্রদান ও জরুরি মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।