• ই-পেপার

থাইল্যান্ডে নতুন প্রজাতির ডাইনোসর শনাক্ত, ঘাড়ের দৈর্ঘ্য ক্রিকেট মাঠের সমান

তেলের বাজারে অস্থিরতা, পাকিস্তানে বাড়তে পারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
তেলের বাজারে অস্থিরতা, পাকিস্তানে বাড়তে পারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম
ছবি : রয়টার্স

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকায় পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজ জানিয়েছে, পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ১৩ রুপি এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম ১৪ রুপি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন জ্বালানি মূল্য নির্ধারণের পর প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে পারেন। এর আগে ২৮ জুন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও পাকিস্তান সরকার পেট্রোল ও হাই-স্পিড ডিজেলের ওপর পেট্রোলিয়াম শুল্ক বাড়িয়েছিল। তবে সে সময় খুচরা জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়।

পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হাই-স্পিড ডিজেলের ওপর শুল্ক লিটারপ্রতি ৬.৫৭ রুপি বাড়িয়ে ৭৯.৫৪ রুপি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রোলের ওপর শুল্ক ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৬৬.৬৪ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকলে পাকিস্তানে জ্বালানির দাম আরো বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পরিবহন ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। পাকিস্তানে কেরোসিন তেলের ওপর পেট্রোলিয়াম শুল্ক লিটারপ্রতি ২০.৩৬ রুপি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও সেই সুবিধা সাধারণ ভোক্তাদের কাছে পুরোপুরি পৌঁছায়নি।

সরকার আগামী সপ্তাহের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর শুল্ক কাঠামোতে এই পরিবর্তন আনা হয়। তবে কেরোসিন তেলের দামে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে সরকার। দেশটির তেল ও গ্যাস নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (ওজিআরএ) কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৬.৮৫ রুপি কমিয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, কেরোসিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ২৩৩.৯০ রুপি থেকে কমে ২২৭.০৫ রুপিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেট্রোলিয়াম শুল্ক বৃদ্ধি শুধু পেট্রোল ও হাই-স্পিড ডিজেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে। কেরোসিন তেলের ওপর শুল্কে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোক্তাদের পেট্রোল ও ডিজেলের জন্য আগের মতোই খুচরা মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তবে পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর শুল্ক বাড়ানোয় এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।
 

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই : বাঘের গালিবাফ

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই : বাঘের গালিবাফ
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি : রয়টার্স

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ভঙ্গ করলে তেহরান নিজেদের রক্ষায় পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে জবাব দেবে।

শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার গণপরামর্শক পরিষদের স্পিকার আহমদ মুজানির সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে প্রকাশিত এক বার্তায় গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের কোনো আস্থা নেই। তিনি আরো দাবি করেন, সাম্প্রতিক শান্তি আলোচনা চলাকালে তিনি এই অবস্থানের কথা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকেও জানিয়েছিলেন।

গালিবাফ বলেন, ‘আলোচনার সময় আমি যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টকে স্পষ্টভাবে বলেছি, আমরা আপনাদের ওপর কোনো আস্থা রাখি না। আমার মতে, শুধু সেই দেশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে, যে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকে। আমরা কখনোই আমাদের দেশের প্রতিরক্ষার প্রস্তুতি বন্ধ করিনি। যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো সমঝোতা ভঙ্গ করে, তাহলে আমরা পূর্ণমাত্রার প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত। আমরা দৃঢ়ভাবে তাদের মোকাবেলা করব এবং ইরানি জনগণের অধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ নেব।’

এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের মতে, দুই দেশের মধ্যে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি এখন শেষ হয়ে গেছে।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান আমাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে চেয়েছে। আমরা এতে সম্মত হয়েছি। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধবিরতি শেষ।’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের মধ্যেই কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানে পৌঁছেছেন। তাদের লক্ষ্য হলো, সাম্প্রতিক উত্তেজনা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা আবার শুরু করার পথ তৈরি করা।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই সফরটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতিনিধিদলের বৈঠকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং দুই দেশের সম্ভাব্য নতুন আলোচনা শুরুর উপায় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
 

আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত : ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত : ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, গত মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি আর কার্যকর নেই। 

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ইরান আলোচনা চালিয়ে যেতে চেয়েছে। আমরা এতে রাজি হয়েছি। তবে আমরা তাদের জানিয়ে দিয়েছি যে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে।’

এক সপ্তাহের সংঘাতের পর শুক্রবার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল। এর আগে কাতার ও সৌদি আরবের তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে দায়ী করে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। পরে ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা করে। শুক্রবার নতুন কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে দাবি জানিয়েছে, তারা যেন প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের ওপর আর কোনো হামলা করবে না এবং সব নৌপথ বাধাহীনভাবে উন্মুক্ত থাকবে।

তবে ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয় ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার অনুরোধ করেনি। বরং কাতারের একজন মধ্যস্থতাকারীকে তেহরানে স্বাগত জানাতে সম্মত হয়েছে।

রয়টার্সের একটি সূত্র জানায়, শুক্রবার কাতারের প্রতিনিধিরা ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ বিষয়ে আলোচনা করতে ওমান সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ও বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দেশটির ছয়টি শহরে অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ১১৫ জন আহত হয়েছেন। তবে সংঘাতের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে। অন্যদিকে ইরানও সতর্ক করে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে তেহরান তার জবাব দেবে। পাঁচ মাস ধরে চলা এই সংঘাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মাঝ আকাশে উড়োজাহাজের জানালা ভেঙে বের হয়ে গেল যাত্রীর মাথা

অনলাইন ডেস্ক
মাঝ আকাশে উড়োজাহাজের জানালা ভেঙে বের হয়ে গেল যাত্রীর মাথা
ছবি : রয়টার্স

গ্রিসের থেসালোনিকি থেকে জার্মানির মেমিঙ্গেনগামী রায়ানএয়ারের একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান শুক্রবার উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিপদের মুখে পড়ে। বিমানটির একটি জানালা খুলে গেলে এক যাত্রী আংশিকভাবে জানালার বাইরে চলে যান বলে বিমানবন্দরের দুটি সূত্র জানিয়েছে। ঘটনার পর বিমানটি জরুরি ভিত্তিতে থেসালোনিকি বিমানবন্দরে ফিরে এসে নিরাপদে অবতরণ করে।

সার্বিয়ান গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানের অন্য যাত্রীরা দ্রুত তাকে ধরে ভেতরে টেনে আনেন। একজন যাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে উদ্ধার করার আগে তার মাথা ও কাঁধ বিমানের বাইরে চলে গিয়েছিল।

রায়ানএয়ার জানিয়েছে, আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় যাত্রীর আসনের পাশের একটি জানালা খুলে যাওয়ার কারণে বিমানটি ফিরে আসতে বাধ্য হয়। তবে জানালাটি কিভাবে খুলে গেল, তা এখনো জানা যায়নি।

জানালা দিয়ে আংশিকভাবে মাথা বাইরে বেরিয়ে যাওয়া সার্বিয়ার  ওই যাত্রীকে থেসালোনিকির এহেপা ইউনিভার্সিটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সার্বিয়ান কনস্যুলেট জানিয়েছে, তিনি আহত হলেও তার জীবন ঝুঁকিতে নেই। চিকিৎসকেরা তার আঘাতের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখছেন।

মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, বিমানটি ছিল বোয়িং ৭৩৭ এনজি মডেলের, যা বর্তমান ৭৩৭ ম্যাক্স সিরিজের আগের সংস্করণ।

এদিকে বোয়িং জানিয়েছে, তারা ঘটনাটির তদন্তে সহযোগিতা করছে। প্রতিষ্ঠানটি আরো বলেছে, তারা রায়ানএয়ারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য এবং বিমান ও ইঞ্জিনের নির্মাতা সম্পর্কে জানতে চেয়ে পাঠানো ইমেইলের জবাবে রায়ানএয়ার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

তবে এক বিবৃতিতে রায়ানএয়ার জানায়, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং সব যাত্রীকে টার্মিনালে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গ্রিসের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের পরপরই ইঞ্জিনের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি জানালায় আঘাত করে। এতে জানালাটি ভেঙে যায় এবং কেবিনের ভেতরের চাপ কমে যায়। ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত বিমানবন্দরের দুটি সূত্রও রয়টার্সকে একই তথ্য দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত বোয়িং ৭৩৭ বিমানের ইঞ্জিনে গুরুতর ত্রুটি দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি ফ্যান ব্লেড অনুপস্থিত ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনা সাধারণত ইঞ্জিনের ভেতরের কোনো অংশ ভেঙে বাইরের আবরণ ভেদ করে বেরিয়ে এলে ঘটে, যা আশপাশে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে দিতে পারে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং সেবা ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে মেমিঙ্গেনগামী বোয়িং ৭৩৭ এনজি বিমানটিকে থেসালোনিকি বিমানবন্দরে ফিরে আসতে দেখা গেছে।

ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য ও একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, একই বিমানটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সারায়েভোগামী একটি ফ্লাইটেও উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর থেসালোনিকিতে ফিরে এসেছিল। তবে সে সময় কেন বিমানটি ফিরে এসেছিল, তা স্পষ্ট নয়।

মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) নিশ্চিত করেছে, শুক্রবারের ফ্লাইটে একটি জানালা ভেঙে গিয়েছিল। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এ ঘটনার তদন্তে সহায়তা করতে প্রস্তুত।

এদিকে সার্বিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে বিমানের ভেতরের অংশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জানালাটি দেখা গেছে। রায়ানএয়ারের সব বোয়িং ৭৩৭ এনজি বিমানে সিএফএম ইন্টারন্যাশনালের তৈরি সিএফএম৫৬ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। তবে ইঞ্জিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।