• ই-পেপার

চাহিদা হ্রাস ও উৎপাদন বৃদ্ধিই কারণ বলছেন সংশ্লিষ্টরা

অতিরিক্ত সরবরাহে কয়েক মাস ধরে ডিমের দাম কম

ইউআইইউতে কর্মক্ষমতায় জলবায়ুর প্রভাব নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউআইইউতে কর্মক্ষমতায় জলবায়ুর প্রভাব নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের (এসওবিই) উদ্যোগে নেক্সাস সেমিনার সিরিজের দ্বিতীয় সেমিনার হিসেবে ‘দ্যা ডাবল বার্ডেন অব ক্লাইমেট চেঞ্জ: হাউ হিট স্ট্রেস অ্যান্ড এয়ার পলিউশন স্ট্রেটিফাই দ্যা ওয়ার্কফোর্স” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টায় ইউআইইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়| এই দীর্ঘমেয়াদী সেমিনার সিরিজটি ব্যবসা, অর্থনীতি, সমাজ এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি কার্যকর ও টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে|

সেমিনারে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’র (এডিবি) সিনিয়র ইকোনমিস্ট ড. মিনহাজ মাহমুদ “দ্যা ডাবল বার্ডেন অব ক্লাইমেট চেঞ্জ: হাউ হিট স্ট্রেস এ্যান্ড এয়ার পুলুশন স্ট্রেটিফাই দ্যা ওয়ার্কফোর্স” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন| তাঁর বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমবর্ধমান তাপজনিত চাপ (Heat Stress) এবং বায়ু দূষণ একসঙ্গে একটি ‘দ্বৈত বোঝা’ (Double Burden) সৃষ্টি করছে, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কর্মশক্তির উৎপাদনশীলতা, শ্রমবাজার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে|

এশিয়ার কয়েকটি দেশের তথ্য-উপাত্তভিত্তিক গবেষণার আলোকে তিনি বলেন, জলবায়ুজনিত ঝুঁকি সমাজের সব শ্রেণির মানুষের ওপর সমানভাবে প্রভাব ফেলে না, বরং ঘরের বাহিরে কর্মরত শ্রমিক, নারী, প্রবীণ জনগোষ্ঠী এবং ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ নগরাঞ্চলের বাসিন্দারা এসব ঝুঁকির কারণে তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন| তিনি আরো উল্লেখ করেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও বায়ু দূষণের সম্মিলিত প্রভাব কেবল জনস্বাস্থ্য নয়, শ্রমবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতাকে আরও প্রকট করে তুলছে|

ড. মাহমুদ জোর দিয়ে বলেন, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে জলবায়ু-সহনশীল কর্মশক্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই| বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) মর্যাদা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি|

সেমিনারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বে জলবায়ু পরিবর্তনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি প্রাণবন্ত প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়| এতে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’র (এডিবি) ইকোনমিক্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইমপ্যাক্ট বিভাগের প্রিন্সিপাল ইকোনমিস্ট ড. নাজমুল চৌধুরী এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল বায়েস| আলোচনায় প্যানেলিস্টরা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শ্রমবাজার, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং টেকসই ব্যবসায়িক চর্চার ওপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী উপস্থাপন করেন| তাঁরা বলেন, পরিবর্তিত জলবায়ু বাস্তবতায় জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিটি স্তরে জলবায়ু সহনশীলতাকে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি| পাশাপাশি প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন জোরদার করা, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, উদীয়মান পরিবেশগত ও কর্মশক্তি-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারী নীতি প্রনয়ন এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন|

প্যানেলিস্টরা আরও উল্লেখ করেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব মোকাবেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকার, ইন্ডাস্ট্রি এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বিত ও টেকসই সহযোগিতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি| তাঁদের মতে, এই বহুপক্ষীয় অংশীদারিত্বই ভবিষ্যতের জলবায়ু-সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে|

নেক্সাস সেমিনার সিরিজের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর, জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অর্থবহ একাডেমিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে|  তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার, ইন্ডাস্ট্রি ও নীতিনির্ধারণী মহল এবং শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নেক্সাস সেমিনার সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে|

সেমিনারটিতে বক্তব্য রাখেন ইউআইইউ’র বিবিএ প্রোগ্রামের ডিরেক্টর প্রফেসর ড. সালমা করিম এবং একটি প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়| উক্ত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালায়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন কর্পোরেট সেক্টরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|
 

বাংলাদেশে এআই-সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশে এআই-সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

‘বাংলাদেশে এআই-সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান’ শীর্ষক গবেষণা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবনের মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করা হয়। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) এবং স্পৃহা ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ গবেষণা পরিচালনা করছে।

গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমর্থিত প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তির কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিচালনাগত সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা হবে। গবেষণাটি স্পৃহা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত গবেষণা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খুবই বাস্তবসম্মত পদক্ষেপে আগানো হচ্ছে। এমন একটা সময়ে যখন সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোর কথা বলছে যা আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও বক্তব্যে বারবার তুলে ধরি; প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ নজর রেখে এই খাতকে আধুনিকায়নে এই গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ।

তিনি আরো বলেন, ‘এটি একটি আদর্শ উদ্যোগ—সরকার, একাডেমিয়া এবং এনজিও সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা একটি অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী বছর গবেষণার ফলাফল আলোচনা অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণের জন্য অপেক্ষায় থাকব।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইউবিএটি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব। তিনি বলেন, ‘আপনি এআই-কে পছন্দ করুন বা অপছন্দ করুন, একে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। নতুন প্রজন্ম প্রযুক্তি ব্যবহারে অধিক অভ্যস্ত হওয়ায় এর নেতৃত্ব ও বাস্তবায়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমি আনন্দিত যে আইইউবিএটি-এর জনস্বাস্থ্য বিভাগের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা এই গবেষণায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে এবং বর্তমান প্রকল্প সমাপ্ত হওয়ার পরও তারা এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে।’

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. এনামুল হক। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণায় সরকার, একাডেমিয়া, স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় এআই সম্ভাব্যভাবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে প্রমাণভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করা যায়।

গবেষণা প্রকল্পের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের টিম লিডার অধ্যাপক এস. কে. নাজমুল হুদা, চেয়ারম্যান, জনস্বাস্থ্য বিভাগ, আইইউবিএটি। তিনি গবেষণার লক্ষ্য, কর্মপরিকল্পনা এবং বাংলাদেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় এআই সংযুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

স্পৃহা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ড. মাইকেল চালভে, চেয়ারম্যান, স্পৃহা বোর্ড; বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা মূলত একটি মানবকেন্দ্রিক কার্যক্রম। এআই মানুষকে আরো সময়, উন্নত তথ্য, কার্যকর সম্পৃক্ততা এবং সেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ করে দিতে পারে।” 

তিনি আরো বলেন, ‘সহমর্মিতা স্পৃহা ফাউন্ডেশনের অন্যতম মূল মূল্যবোধ, যা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য মানবকেন্দ্রিক ও ব্যাখ্যাযোগ্য এআই প্রযুক্তি তৈরিতে তাদের পথনির্দেশ করে । স্পৃহা ফাউন্ডেশনের ড. ইশতিয়াক জাহিদ এবং তাহসিন ইফনুর সাঈদ যৌথভাবে একটি কারিগরি উপস্থাপনা প্রদান করেন, যেখানে স্বাস্থ্যখাতে এআই বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। উপস্থাপনা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।’

অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বাংলাদেশে এআই-সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নের সুযোগ, চ্যালেঞ্জ, নৈতিকতা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যৎ নীতিগত আলোচনা, কৌশলগত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং এআই-সমর্থিত স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির দায়িত্বশীল গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের জনগণের জন্য আরো সহজলভ্য, কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার সেমিস্টার ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. মো. হাসান কাউসার।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি পরিবারে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের ন্যায়বোধ, সততা, মানবিক মূল্যবোধ এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজেদের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মো. হাসান কাউসার শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবন একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।’

অতিথির বক্তব্যে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাজীপুরের ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ-আল-মাসুম নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশের আহ্বান জানান। 

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিবেদিত যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর আব্দুর রব, নবীন শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা, স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান, আইন অনুষদের ডিন এ বি এম ইমদাদুল হক খান এবং লাইফ সাইন্স অনুষদের অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের কনভেনর ও আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অভিভাবক এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থী সহায়তা সেবা, বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তানিন ফার্নিচারের হাফ ইয়ারলি বিজনেস কনফারেন্স ও ই-কমার্স ওয়েবসাইট উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
তানিন ফার্নিচারের হাফ ইয়ারলি বিজনেস কনফারেন্স ও ই-কমার্স ওয়েবসাইট উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি রাজধানীর একটি স্বনামধন্য রেস্টুরেন্টে তানিন ফার্নিচারের হাফ ইয়ারলি বিজনেস কনফারেন্স ও ই-কমার্স ওয়েবসাইট উদ্বোধন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তানিন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফা খালেদ আনসারী, চিফ অপারেটিং অফিসার হাসান শাহরিয়া, প্রতিষ্ঠানের সকল সেলস চ্যানেল প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফা খালেদ আনসারী তাঁর বক্তব্যে বলেন, দক্ষ নেতৃত্ব, সুশাসন, তানিন ফার্নিচারের মানসম্পন্ন ও নান্দনিক পণ্যের নিশ্চয়তা, গ্রাহকের চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকার, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে তানিন ফার্নিচার ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের নতুন মাইলফলক অর্জন করে চলেছে।

অন্যদিকে, চিফ অপারেটিং অফিসার হাসান শাহরিয়া বলেন, কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, তরুণ নেতৃত্ব ও ডিজিটাল উদ্ভাবনই টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি।

তিনি আরো জানান, তানিন ফার্নিচারের নতুন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকরা এখন ঘরে বসেই সহজে পছন্দের ফার্নিচার নির্বাচন ও ক্রয় করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে নতুন ই-কমার্স ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় এবং সেলস ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা ও মৌসুমী ফল প্রদান করা হয়।