• ই-পেপার

পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

নেলসন ম্যান্ডেলা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান

চাটখিল ও সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
নেলসন ম্যান্ডেলা অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান
সাংবাদিক হাবিবুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য নেলসন ম্যান্ডেলা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নোয়াখালীর চাটখিল প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকার বিজয়নগর থ্রি স্টার হোটেলের সভাকক্ষে নেলসন ম্যান্ডেলার ৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভা ও গুণীজন সংবর্ধনা সভায় এই পুরস্কার দেওয়া হয়। সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের পক্ষে পুরস্কার নেন তার বড় ছেলে সাংবাদিক মো. আরিফুর রহমান।

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি ড. এ টি মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী। 

সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বিচারপতি সিকদার মকবুল হক। এ ছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক বিচারপতি পীরজাদা শহীদুল হারুন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব রোকন উদ-দৌলা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, সাংবাদিক মো. হাবিবুর রহমান সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান ও সমাজ সেবায় অবদান রাখায় গত ৫ বছরে ১৪টি জাতীয় ও ৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি ১৯৮০ সাল থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ২০০৪ সালে জাতীয় গণমাধ্যম পিরাবি কর্তৃক সাংবাদিকতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন তিনি। 

সালিশে ২০ জুতা পেটার ঘটনায় মামলা দায়ের

পাবনা প্রতিনিধি
সালিশে ২০ জুতা পেটার ঘটনায় মামলা দায়ের
সংগৃহীত ছবি

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সালিশি বৈঠকে এক ব্যক্তিকে জুতা পেটার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. মহব্বৎ আলী খাঁর স্ত্রী মোছা. রোজিনা খাতুন সাঁথিয়া থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পরে মামলাটি রুজ করা হয়।

‎এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মো. এরশাদ আলীর প্রতিবন্ধী বোনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

‎মামলার বাদীর অভিযোগ, সালিশে তার স্বামী মহব্বৎ আলী খাঁকে প্রকাশ্যে ২০টি জুতার আঘাত করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। তিনি উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও সালিশকারীরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি। এক পর্যায়ে সালিশস্থল ত্যাগ করতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়।

‎অভিযোগে আরো বলা হয়, সালিশকারীদের নির্দেশে দুই ব্যক্তি মহব্বৎ আলী খাঁকে প্রকাশ্যে ২০টি জুতার আঘাত করেন। পরে তিনি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

‎মামলায় গৌরিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মাষ্টার,  সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক, বর্তমান ইউপি সদস্য আরশেদ আলী ও সালিশকারীদেরসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরো ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

‎এদিকে একই ঘটনায় ওই প্রতিবন্ধী কিশোরীর ভাই মো. এরশাদ আলী বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত মহব্বৎ আলী খাঁর বিরুদ্ধে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মামলার আসামিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত মহব্বত খাঁ কাঠাল কাটার অজুহাতে ভুক্তভোগীর বাড়ি থেকে একটি কাচি নিয়ে যান। পরে বাড়িতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী একা থাকার সুযোগে তিনি ঘরে প্রবেশ করে তাকে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এর পর এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে সালিশের মাধ্যমে ২০টি জুতা পেটা করা হয়।


 

টেকনাফে চাকরির প্রলোভনে ৪ জনকে অপহরণ, মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ২

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
টেকনাফে চাকরির প্রলোভনে ৪ জনকে অপহরণ, মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চারজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মূল হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

রবিবার (১৯ জুলাই) কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-অধিনায়ক মেজর এস এম মারুফ এ তথ্য জানান।

মেজর এস এম মারুফ বলেন, গত ২৬ জুন সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চারজনকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহিন পাহাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের আটকে রাখা হয়। পরে অপহৃত চারজনের পরিবারের কাছে প্রত্যেকের জন্য ৫ লাখ করে মোট ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীদের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতনও চালানো হয়।

ঘটনার তথ্য পেয়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩০ জুন র‍্যাব-১৫-এর সিপিসি-১, টেকনাফের একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাহাড়ে আটকে রাখা চার ভুক্তভোগীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

পরে এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টা ২০ মিনিটে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি ও মূলহোতা মো. রাসেল (২৮) এবং তার সহযোগী আরমানকে (২১) একটি অটোরিকশাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাসেল টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার বাসিন্দা। আরমান একই ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মেজর এস এম মারুফ জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে র‍্যাবের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

জিহাদ হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
জিহাদ হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ
সংগৃহীত ছবি

কিশোর মো. জিহাদ (১৬) হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন স্থানীয়রা। এতে কিছু সময়ের জন্য যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

রবিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

আন্দোলনকারীরা জনান, হত্যাকাণ্ডের ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও এখেনো পর্যন্ত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এতে নিহত জিহাদের বাবা আজগর আলী, ভাই জিসান, নাছির খন্দকার, জনি খন্দকার, রনি খন্দকার, বিএনপি নেতা রসুন আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মনজুর, জীবন মিয়া ও জয়নাল মিয়া প্রমুখ আন্দোলনে অংশ নেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম, সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে আসামিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা।