• ই-পেপার

হামের উপসর্গে আরো ৪ প্রাণহানি

ডেঙ্গুতে আরো একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৭৩

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গুতে আরো একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৭৩
সংগৃহীত ছবি

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত রোগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩০৬ জন। 

রবিবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে এই সময়ে ঢাকা বিভাগেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী (১৬৫ জন) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৩ জনসহ বরিশাল বিভাগে ৭৫, খুলনা বিভাগে ৬৬, রংপুর বিভাগে ৪২, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৬ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৩৪ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে (১৮ জন)। এ ছাড়া উল্লেখিত সময়ে ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪, খুলনা বিভাগে ৪, বরিশাল বিভাগে ২ এবং রাজশাহী বিভাগে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৭৭৩

অনলাইন ডেস্ক
হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৭৭৩
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৭৩টি শিশু। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৮৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৪টি শিশু মারা গেছে।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৭৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৬৯৯। এই সময়ে ৬৪৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৪৯৮টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ৭১০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৩১৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৯ হাজার ২৪৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৫২৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

এনআইসিআরএইচ পরিচালক

টিকার মাধ্যমে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব

বাসস
টিকার মাধ্যমে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব
সংগৃহীত ছবি

 জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন বলেছেন, সব ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও জরায়ুমুখের ক্যান্সারের মতো কিছু ক্যান্সার, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।

তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও জনসচেতনতার অভাবে অনেক পরিবার সন্তানদের টিকা দিচ্ছে না। একইভাবে সময়মতো হেপাটাইটিস-বি টিকা নিশ্চিত করা গেলে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

রাজধানীর মহাখালীতে এনআইসিআরএইচ-এ তার কার্যালয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের ক্যান্সার প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার নানা দিক তুলে ধরেন।

ডা. সুমন বলেন, ক্যান্সার মোকাবেলায় নতুন হাসপাতাল, আধুনিক যন্ত্রপাতি বা ওষুধের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জনসচেতনতা তৈরি, প্রতিরোধমূলক টিকাদান এবং জাতীয় স্ক্রিনিং কর্মসূচি।

তিনি বলেন, দেশে বায়ুদূষণ, খাদ্যে ভেজাল ও পরিবেশগত নানা ঝুঁকির কারণে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে সময়মতো টিকাদান, স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতা নিশ্চিত করা গেলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ক্যান্সার প্রতিরোধ করা এবং প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা সম্ভব।

এনআইসিআরএইচ পরিচালক বলেন, সার্ভিক্যাল ক্যান্সার প্রতিরোধে স্কুলগামী মেয়েদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হলেও সচেতনতার অভাবে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ শতাংশ কভারেজ অর্জিত হয়েছে। সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের লজিস্টিক সহায়তা দিলেও মানুষ সচেতন না হলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা প্রকৃতপক্ষে কঠিন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বড় দুর্বলতা হলো জাতীয় ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচির অভাব। উন্নত দেশগুলোতে ব্রেস্ট, কোলনসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা হয়। কিন্তু দেশে অধিকাংশ রোগী হাসপাতালে আসেন রোগের অগ্রসর পর্যায়ে। ফলে চিকিৎসার সফলতার হারও কমে যায়।

তার মতে, ক্যান্সার মোকাবেলায় প্রাথমিক প্রতিরোধের পাশাপাশি ‘আর্লি ডায়াগনোসিস’ বা দ্রুত রোগ শনাক্তকরণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা কম হলেও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ঘাটতি বলে উল্লেখ করেন ডা. সুমন। 

তিনি বলেন, ক্যান্সার চিকিৎসা এখন প্রযুক্তিনির্ভর। তাই চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও কারিকুলামে আরও যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

হাসপাতালের সেবার উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে দুটি রেডিওথেরাপি মেশিন দিয়ে তিন শিফটে রাত ১২টা পর্যন্ত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কেমোথেরাপিতেও সন্ধ্যাকালীন শিফট চালু করা হয়েছে। ফলে একই জনবল দিয়ে আগের তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জন রোগী রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি সেবা পাচ্ছেন।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন অচল থাকা একটি ইকো মেশিন ও একটি অ্যানেসথেসিয়া মেশিনও চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ডা. সুমন বলেন, বর্তমানে হাসপাতালের প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ রোগীদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের অতিরিক্ত ৩০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দে প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করা সম্ভব হওয়ায় এটি নিশ্চিত করা গেছে।

তবে রেডিওথেরাপির সংকট এখনো বড় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেই বর্তমানে সাড়ে ৬ হাজার রোগী চিকিৎসার অপেক্ষায় রয়েছেন। একজন রোগীর রেডিওথেরাপি সম্পন্ন করতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগে। ফলে প্রতিনিয়ত নতুন রোগী যুক্ত হওয়ায় অপেক্ষমাণ রোগীর সংখ্যা দ্রুত কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, এ সংকট নিরসনে সাভারের ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিক্যাল ফিজিকসের (আইএনএমপি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর ফলে রোগীরা সেখানেও চিকিৎসা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসকরাও সেখানে গিয়ে সেবা দেবেন।

তিনি আরো বলেন, সরকারের অর্থায়নে নতুন একটি রেডিওথেরাপি মেশিন কেনা হয়েছে, যা আগামী ছয় মাসের মধ্যে চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ক্যান্সার চিকিৎসা সম্প্রসারণে এটিও সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এনআইসিআরএইচ পরিচালক বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে আট বিভাগীয় শহরে ক্যান্সার, কার্ডিওলজি ও ডায়ালিসিস সেবা নিয়ে সমন্বিত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি শেষ হলে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে দুটি করে রেডিওথেরাপি মেশিন, কেমোথেরাপি সেন্টার এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবা চালু হবে। অধিকাংশ স্থানে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে। বর্তমানে যন্ত্রপাতি সংগ্রহের কাজ চলছে।

তিনি জানান, জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের ৫০০ শয্যাকে ১ হাজার ২০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রস্তাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নের আগেই বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে শয্যাসংখ্যা ৭০০-তে উন্নীত করার পৃথক প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরিচালন ব্যয় বরাদ্দ পেলে অতিরিক্ত ভবন বা জনবল ছাড়াই আরো ২০০ শয্যা চালু করা সম্ভব হবে বলে।

ক্যান্সার রোগীদের সরকারি সহায়তার বিষয়ে ডা. সুমন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১ হাজার ৭০০ রোগীর আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বরাদ্দের কোনো অর্থ ফেরত যায়নি।

সচেতনতাকেই ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসা, টিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু জনগণ সচেতন না হলে ক্যান্সারের ক্রমবর্ধমান চাপ কমানো কঠিন হবে।

একই সঙ্গে খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা এসব করছেন তারাও একই সমাজের মানুষ। শেষ পর্যন্ত তারাও এসব রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত নন।

ডা. মোস্তফা আজিজ সুমনের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ, জাতীয় ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালু, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা এবং অবকাঠামো সম্প্রসারণের সমন্বিত উদ্যোগই দেশে ক্যান্সারের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবেলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

হাম ও উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৭৮০ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
হাম ও উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৭৮০ জনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৭৮০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত শিশুর হাম উপসর্গ ছিল। এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৮৫ শিশুর। একই সঙ্গে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮০ শিশু মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৪০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে, এ নিয়ে মোট হাম আক্রান্ত ১৪ হাজার ২৪৪। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৭৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ১১ জন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৮ হাজার ৬০০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৯৫ হাজার ৩১ জন।