• ই-পেপার

বাড়ছে রিক্রুটিং এজেন্সি, বাড়ছে অভিযোগও

এশিয়া কাপ হকি চ্যাম্পিয়নে ফেডারেশন প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

অনলাইন ডেস্ক
এশিয়া কাপ হকি চ্যাম্পিয়নে ফেডারেশন প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
ছবি : আইএসপিআর

ওমানের মাসকটে অনুষ্ঠিত উইমেন্স জুনিয়র এএইচএফ কাপ ২০২৬-এর ফাইনালে কাজাখস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ নারী জুনিয়র হকি দল।

টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ নারী জুনিয়র হকি দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

রবিবার (১৯ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত নৈপুণ্য, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়ে শিরোপা জিতে নেয় বাংলাদেশের জুনিয়র মেয়েরা।

এই সাফল্য দেশের নারী হকির অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। তিনি মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন এবং ঐতিহাসিক এই সাফল্যের জন্য দলকে অভিনন্দন জানান।

আইএসপিআর আরো জানায়, দেশের হকির উন্নয়ন ও খেলোয়াড়দের বিকাশে ফেডারেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিমান বাহিনী প্রধানও এ বিষয়ে নিয়মিত দিকনির্দেশনা ও উৎসাহ দিয়ে আসছেন।

টুর্নামেন্টজুড়ে ওমানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে নারী জুনিয়র হকি দলকে প্রাণবন্ত সমর্থন জানান। তাদের এই দেশপ্রেম ও আন্তরিক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে ওমান সফরকালে বিমান বাহিনী প্রধান আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট, হকি ওমানের প্রেসিডেন্ট, এশিয়ান হকি ফেডারেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আন্তর্জাতিক হকি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশের হকির উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ নারী জুনিয়র হকি দলের এই অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
শাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘বিগত ১৭ বছরের প্রশাসনিক রাজনৈতিকীকরণের ধারা থেকে বেরিয়ে জনপ্রশাসনকে জনগণের প্রকৃত সেবকে রূপান্তর করতে হবে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি।’

রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি মিলনায়তনে ৪ দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা এ সমাজের সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত একটি অংশ। তাই নিজেদের শাসক মনে না করে জনগণের সেবক হিসেবে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মশালা বা উচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, যদি না তা জনগণের প্রকৃত কল্যাণে আসে।’

দেশে সঠিক নীতি প্রণয়নের স্বার্থে পরিসংখ্যান ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিগত রেজিমের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশের সব পরিসংখ্যান ধ্বংস করা হয়েছে। আদমশুমারি, কৃষি উৎপাদন কিংবা পার ক্যাপিটা ইনকাম (মাথাপিছু আয়)—সবখানেই ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। সঠিক নীতি প্রণয়নের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় বা সংস্থায় রূপান্তরিত করা দরকার।’

দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে কৃষি ও রেমিট্যান্স খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখনো কৃষি ও কৃষকদের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে। তাই আমাদের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর ভিত্তি করে অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি বা কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার জন্য ভোকেশনাল ট্রেনিং বা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

২০২৭ সালের মধ্যে ১০ উড়োজাহাজ লিজ নিচ্ছে বিমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৭ সালের মধ্যে ১০ উড়োজাহাজ লিজ নিচ্ছে বিমান
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২০২৭ সালের মধ্যে লিজের (ভাড়া) মাধ্যমে বহরে সর্বোচ্চ ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। নতুন কেনা বোয়িং উড়োজাহাজ ২০৩১ সালের আগে হাতে না পাওয়ায় আন্তর্জাতিক রুটে সক্ষমতা বাড়াতে এ সাময়িক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিমানের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজের বহর বেড়ে ২৯টিতে উন্নীত হবে। এতে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘চলতি বছরের মধ্যেই সর্বোচ্চ ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো এবং নতুন গন্তব্যে সেবা চালু করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে চারটি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজন অনুযায়ী এ সংখ্যা বাড়তে পারে। পুরো লিজ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হবে। এ জন্য ইতিমধ্যে প্রায় ৪০টি আবেদন জমা পড়েছে।’

২০৩১ পর্যন্ত সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল

বিমানের এই লিজ কর্মসূচি ১৪টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওই চুক্তির আওতায় উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নির্মাতাদের কাছ থেকে স্বল্প সময়ে নতুন উড়োজাহাজ পাওয়া কঠিন হওয়ায় মধ্যবর্তী সময়ের জন্য লিজই এখন সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প।’

তিনটি ড্রিমলাইনার লিজের উদ্যোগ

এরই মধ্যে ছয় বছরের জন্য ‘ড্রাই লিজে’ (শুধু উড়োজাহাজ ভাড়া) তিনটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিমান। গত ১৫ জুলাই এ বিষয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি উড়োজাহাজ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরবরাহ সম্ভব হলেও তা বিবেচনা করা হবে। দরপত্র বা প্রস্তাব জমার শেষ সময় আগামী ৯ আগস্ট। ড্রাই লিজের নিয়ম অনুযায়ী, উড়োজাহাজের ক্রু, রক্ষণাবেক্ষণ ও বীমার দায়িত্ব বিমানের নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই থাকবে।

ভবিষ্যতে যুক্ত হতে পারে এয়ারবাস

বর্তমানে বিমানের বহরে রয়েছে ১৯টি উড়োজাহাজ। এর মধ্যে রয়েছে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর, ছয়টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার (চারটি ৭৮৭-৮ ও দুটি ৭৮৭-৯), চারটি বোয়িং ৭৩৭ এবং পাঁচটি ড্যাশ-৮ কিউ৪০০।

আমেরিকান কম্পানি বোয়িংয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ইউরোপীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বোয়িং ও এয়ারবাস—দুই ধরনের উড়োজাহাজই প্রয়োজন।’

বিমানের পাশাপাশি বাংলাদেশের বেসরকারি এয়ারলাইনগুলোর বহরও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ২০২৭ সাল থেকে লিজের মাধ্যমে ২১টি বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ ছাড়া এয়ার অ্যাস্ট্রা ও নভোএয়ারও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলোর আগ্রাসী সম্প্রসারণের মুখে আন্তর্জাতিক যাত্রীবাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে বিমানের এই উদ্যোগ সময়োপযোগী। ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে নতুন বোয়িং বহর হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বিমান তার বাজার ধরে রাখতে পারবে এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক রুটে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাবে।

হেফাজতের সমাবেশে হামলায় ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য মিলেছে : চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক
হেফাজতের সমাবেশে হামলায় ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য মিলেছে : চিফ প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্তে ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, খসড়া তালিকায় ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় ইতিমধ্যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হেফাজতের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রিপোর্টের খসড়া সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা চাই কোনো আসামি যাতে বাদ না যায় এবং নির্দোষ কেউ যেন আসামি না হয়। আশা করি, ২১ জুলাই নির্ধারিত সময়েই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হবে।’

ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা বলে আসছি নিহতের তথ্য অনেক মিসিং রয়েছে। যেহেতু তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলার শহীদদের লাশ গুম করার অপচেষ্টা হয়েছে, সেহেতু এই তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের কোনো তথ্য নেই। অথেন্টিকভাবে যাদের তথ্য আমাদের কাছে সংরক্ষিত ছিল, নিহত ৬১ জনের তথ্য তাদেরই।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদ ছাড়াও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহারসহ দলটির একটি প্রতিনিধিদলও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রবিবার সকালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনটি হাতে পায় প্রসিকিউশন। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজসহ ৪১ জনকে এতে আসামি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, বেসরকারি টেলিভিশনটির সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর। সেই সঙ্গে তৎকালীন পুলিশ ও র‌্যাব প্রধানসহ ডিএমপি কমিশনারকেও এতে আসামি করা হয়েছে।