• ই-পেপার

আশা ইউনিভার্সিটিতে ২ দিনব্যাপী স্কিল ট্রেনিং অনুষ্ঠিত

স্কুলে পিরিয়ড নিয়ে আর নয় দুশ্চিন্তা, সোফি বাংলাদেশের ‘মনের কথা’য় থাকছে পরামর্শ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্কুলে পিরিয়ড নিয়ে আর নয় দুশ্চিন্তা, সোফি বাংলাদেশের ‘মনের কথা’য় থাকছে পরামর্শ
সংগৃহীত ছবি

নারীর মাসিক নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সংকোচ দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের একমাত্র ও প্রথম পিরিয়ড নিয়ে সোফি নিবেদিত টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘মনের কথা’ নিয়ে এসেছে দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্বের ইতিবাচক সাড়ার ধারাবাহিকতায় স্কুলপড়ুয়া কিশোরীদের জন্য এবারের আয়োজন।

স্কুলে হঠাৎ পিরিয়ড শুরু হলে কী করবেন, যদি লিক হয়ে যায় তাহলে কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন, কীভাবে একটি ছোট্ট পিরিয়ড কিট প্রস্তুত রাখবেন কিংবা দৈনন্দিন জীবনে কোন সহজ অভ্যাসগুলো পিরিয়ডের সময় স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে, এসব বিষয় নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে সাজানো হয়েছে এ পর্ব।

অনুষ্ঠানটিতে সহজ ভাষায় মাসিক চক্র সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরে, যাতে কিশোরী ও নারীরা নিজেদের শরীরকে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারেন এবং ভুল ধারণা ও অপ্রয়োজনীয় ভয় কাটিয়ে উঠতে পারেন।

মনের কথা-এর অন্যতম আকর্ষণ হলো এর লাইভ কল-ইন পর্ব, যেখানে দর্শকরা সরাসরি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে তাদের প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবেন। বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের কাছেও যেসব বিষয় বলতে সংকোচ বোধ করেন, সেসব মনের কথাও নির্দ্বিধায় শেয়ার করার আহ্বান জানানো হচ্ছে, কারণ খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমেই তৈরি হয় সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাস।

সোফি নিবেদিত মনের কথা প্রতি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় জিটিভিতে প্রচারিত হয়। পিরিয়ড নিয়ে নীরবতা ভেঙে সঠিক তথ্য, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দেশের নারী ও কিশোরীদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতেই অনুষ্ঠানটির এই ধারাবাহিক উদ্যোগ।

ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক
সংগৃহীত ছবি

দেশের ব্যাংকিং খাতে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তির বছরে রিটেইল ডিপোজিটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে ব্যাংকটি। ৩০ জুন পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ডিপোজিটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।

গত চার বছরে ব্যাংকটির রিটেইল ডিপোজিট প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। ২০২২ সালের জুনে ব্যাংকটির রিটেইল খাতে আমানত ছিল ১৭ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা, যা চার বছরের ব্যবধানে বেড়ে ৫০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত এক বছরে এটি বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। দেশব্যাপী ব্র্যাক ব্যাংকের বিস্তৃত ব্রাঞ্চ ও সাব-ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক এ সাফল্যে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে। এছাড়াও ব্যাংকটির রিটেইল সেলস ও এজেন্ট ব্যাংকিং চ্যানেলও আমানত বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের এমন লক্ষণীয় মাইলফলক অর্জন সম্পর্কে ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তির বছরে রিটেইল ডিপোজিটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমাদের এ অর্জন ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং আরও বেশি মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। গ্রাহকদের আস্থা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত আমাদের সহকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টাই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি।” 

শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক, আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, উদ্ভাবনী প্রোডাক্ট ও সার্ভিস এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম শীর্ষ রিটেইল ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ব্যাংকটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণ, গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গবেষণা, উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় ইউএপি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক সই

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গবেষণা, উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় ইউএপি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক সই
সংগৃহীত ছবি

গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) সুরক্ষা জোরদারের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইউএপির উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ইউএপিতে একটি টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (টিআইএসসি) প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত এ কেন্দ্র গবেষকদের উদ্ভাবন কার্যক্রমে সহায়তা, বৈশ্বিক পেটেন্ট তথ্যভান্ডারে প্রবেশাধিকার এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে ডিপিডিটির মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গবেষক ও উদ্ভাবকদের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা এবং ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে সহযোগিতা দিতে ইউএপিতে ডিপিডিটির একটি সহায়তা কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় অধিদপ্তর আগ্রহী। তিনি বলেন, টিআইএসসি প্রতিষ্ঠিত হলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে এবং গবেষকেরা আন্তর্জাতিক পেটেন্ট তথ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

ইউএপির আধুনিক ফার্মেসি গবেষণাগার এবং শিল্পখাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকর সহযোগিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, উদ্ভাবন, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মেধাস্বত্ব সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইউএপি'র স্কুল অব ফার্মেসির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট সুরক্ষা সহজতর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা ইউএপিকে নিজস্ব মেধাস্বত্ব নীতিমালা (আইপি পলিসি) প্রণয়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো শক্তিশালী মেধাস্বত্ব কাঠামোর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ সমঝোতা স্মারক সেমিনার, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

ইউএপির স্কুল অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাইনের ডিন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ এম. আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমঝোতা চুক্তির (এমওএ) মাধ্যমে গবেষণা, প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং গবেষণাগার ব্যবহারে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইউএপির স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকী খলিলী বলেন, এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে গবেষকেরা পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা অর্জন করবেন এবং তাঁদের উদ্ভাবন কার্যকরভাবে সুরক্ষিত করতে পারবেন।

সমাপনী বক্তব্যে ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া ইউএপিতে ডিপিডিটির সহায়তা কার্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং ডিপিডিটি'র উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মো. হাবিবুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ইউএপি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির (এমওএ) প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) আওতায় গবেষণাগার ও গবেষণা সুবিধা বিনিময় কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব দেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউএপির রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএপির ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ, ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইআরআইডি) পরিচালক অধ্যাপক ড. তানভীর ফেরদৌস সাঈদ, ফার্মেসি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জেবুন নাহার, ডিপিডিটি'র উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মো. হাবিবুর রহমান, ইউএপি'র ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শিহাব উদ্দিন আহমদ এবং আইআরআইডির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

এর আগে ডিপিডিটি'র মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মো. হাবিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে পেটেন্ট ও মেধাস্বত্ব বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন।

নেপালে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্প

আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্পে সম্মাননা পেলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্পে সম্মাননা পেলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য
সংগৃহীত ছবি

আঞ্চলিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে নেপালে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্প-২০২৬। ৭ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত কাঠমান্ডু ও পোখরায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দেড় শতাধিক তরুণ জলবায়ু কর্মী, গবেষক, শিক্ষার্থী ও পরিবেশ আন্দোলনের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরিফ নাফে আস সাবের। তার সঙ্গে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার।

গত সোমবার সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুর ওয়ালনাট বিস্ট্রোতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেপাল সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্প-২০২৬-এ অংশগ্রহণের জন্য স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরিফ নাফে আস সাবেরকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। নেপালের কৃষি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী গীতা চৌধুরী তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।

আয়োজকদের মতে, এই আন্তর্জাতিক ক্যাম্পের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা, তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং গবেষণা, নীতিনির্ধারণ ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হবে।