• ই-পেপার

রাবিতে ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়রের হাতাহাতি

নির্দেশনা না মেনে বৃত্তির ফল প্রকাশ, জড়িতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্দেশনা না মেনে বৃত্তির ফল প্রকাশ, জড়িতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফল নিরাপত্তা প্রটোকল না মেনে আংশিক প্রকাশ করায় এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সচিব ফেরদৌসী। 

অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার (৯ম গ্রেড) মো. মেহতাব কায়েস।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল গত ৪ জুলাই ২০২৬ প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তুতকৃত ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোড করার নিমিত্ত প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য মো. মেহতাব কায়েস, সহকারী মেইনটেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের পূর্বে তা ওয়েব পোর্টালে আপলোড না করার জন্য তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু ৯ জুলাই ২০২৬ সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকসমূহে আপলোড করা হয়।

নিরাপত্তা প্রটোকল না মেনে আংশিক ফলাফল প্রকাশের অভিযোগ তুলে চিঠিতে আরো বলা হয়, লিংকসমূহ থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীগণ ফলাফল ডাউনলোড করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে। এ বিষয়ে পরিচালক (আইএমডি) কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, লাইভ সার্ভারে লিংক তৈরি এবং আপলোড করার ক্ষেত্রে যে ধরণের নিরাপত্তা প্রটোকল মেনে চলা উচিত ছিল তা অনুসরণ করা হয়নি।

অভিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহতাব কায়েস প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৯ম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা হওয়ায় তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি প্রমা, সম্পাদক সেমন্তী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি প্রমা, সম্পাদক সেমন্তী
প্রমা রাহা ও সেমন্তী রোদসী। ছবি : সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের ২০২৬-২৭ কার্যকরী পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ‘জলসিঁড়ি’র প্রমা রাহা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ‘সুস্বর’-এর সেমন্তী রোদসী নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার রাতে জোটের কার্যালয়ে জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে ভোটের মাধ্যমে ১০ সদস্যের নতুন কার্যকরী পর্ষদ গঠন করা হয়।

নবনির্বাচিত কমিটির সহসভাপতি হয়েছেন জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদের সানজিদা আফরিন ও জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের কনক কুমার পোদ্দার। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশনের দুর্বার আদি।

এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন চারণের তানজিল আহাম্মেদ, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীরনগর ডিবেটিং সোসাইটির সানজিদা নূর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ধ্বনির মো. আঙ্গুর মিয়া। কার্যকরী সদস্য হয়েছেন আরফির চ চ মং রাখাইন এবং জাহাঙ্গীরনগর সিনে সোসাইটির সাকিবা ইফরানা।

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সেমন্তী রোদসী বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্ন থেকে প্রাঙ্গণের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নিপীড়নবিরোধী চেতনাকে ধারণ করে যে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে, তার সমন্বিত রূপ জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট। বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও জোট শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। নতুন নেতৃত্ব হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক চর্চা আরো গতিশীল করার পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতির মাধ্যমে নানা সংকট মোকাবেলায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিল্পী, লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক জোট। ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই জোটে বর্তমানে নয়টি সদস্য সংগঠন ও দুটি পর্যবেক্ষণাধীন সংগঠন রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

দেশব্যাপী শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে মডেল টিচিং পদ্ধতি তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে পাঠদান যুগোপযোগী ও আনন্দময় করতে হলে বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক, চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আমরা পিছিয়ে যাব। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শিক্ষা খাতে অন্যতম প্রধান স্টেকহোল্ডার হওয়ায় আমাদেরকেই এই ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।’ 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সিনেট হলে ‘ডেভেলপমেন্ট অব আউটকাম-বেইসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আধুনিক ও কর্মনির্ভর কারিকুলামের কথা উল্লেখ করে প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা অপরিহার্য। আউটকাম বেজড এডুকেশন বা ওবিই কারিকুলাম প্রবর্তনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা ও সৃজনশীলতা অর্জনে সহায়তা করতে সক্ষম হবো।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি শিক্ষাক্রম তৈরি করা যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখবে এবং শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলবে। ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষকদের ভূমিকা হবে মুখ্য। তাঁদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি (আইকিউএসি)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল বক্তা হিসেবে আলোচনা উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর)-এর প্রফেসর ড. এস এম হাফিজুর রহমান। কর্মশালায় বক্তা ও অতিথিবৃন্দ আধুনিক ও যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আউটকাম-বেসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম প্রণয়ন ও এর কার্যকারিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান এবং কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

একাডেমিক স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখে গবেষণায় অর্থায়ন বৃদ্ধির আশ্বাস ইউজিসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
একাডেমিক স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখে গবেষণায় অর্থায়ন বৃদ্ধির আশ্বাস ইউজিসির

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গবেষণা বাজেট বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হলেও দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ থাকবে। এমনটাই বলেছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইউজিসি অডিটোরিয়ামে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গবেষণা বাজেট বাস্তবায়ন বিষয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু, কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি গবেষণা বাজেট ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করবে ইউজিসি।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব কোডের পরিবর্তে ইউজিসির কোডে গবেষণা বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার ফলে কিছু প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের স্বায়ত্তশাসনের চর্চা বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গবেষণা বাজেট একটি নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ইউজিসি সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে, তবে এ কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণা খাতে ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপখাতে ব্যয় করা হবে। অর্থবছরের শুরুতেই স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণার জন্য প্রস্তাব আহ্বান করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গবেষণা প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে ইউজিসিতে পাঠাবে। পরবর্তীতে জাতীয় অগ্রাধিকার ও গবেষণার গুণগত মান বিবেচনা করে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, নতুন অর্থবছরের শুরু থেকেই গবেষণা বাজেট বাস্তবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা চাহিদা দ্রুত সংগ্রহ করা হবে এবং প্রস্তাব পাওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে গবেষণা কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়।

তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ইউজিসির মাধ্যমে গবেষণা বাজেট বাস্তবায়ন হলেও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাদ্দ কমবে না। বরং আগের বছরের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আরো বেশি অর্থ পাওয়ার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে দেশের আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও গবেষণা বরাদ্দের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাবে এবং কোনো বৈষম্য সৃষ্টি হবে না।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ জানান, গত অর্থবছরে গবেষণা খাতে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায় ৭৯৩ কোটি টাকা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায় ৫৬ কোটি টাকা পেয়েছে। ফলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত—এমন ধারণা সঠিক নয়।

তিনি বলেন, গবেষণায় বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশে একটি সমন্বিত গবেষণা ইকোসিস্টেম এবং জাতীয় গবেষণা রিপোজিটরি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণার তথ্য সংরক্ষণ, আদান-প্রদান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরো জানান, ইউজিসির বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন এবং ইমপ্রুভিং কম্পিউটার অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং টারশিয়ারি এডুকেশন প্রকল্পের আওতায়ও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন করা হচ্ছে।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দেশের ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, তাদের মনোনীত প্রতিনিধি এবং ইউজিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গবেষণা অর্থায়নে আরো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত হবে এবং দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে গবেষণার পরিবেশ আরো শক্তিশালী হবে।