একমাত্র টেস্টের পর এবার ওয়ানডে সিরিজও হারল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ধসে আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৩ রানে হেরেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। এতে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতল জিম্বাবুয়ে।
সিরিজ বাঁচাতে হলে আজ জিততেই হতো বাংলাদেশ। জয়ের দারুণ সম্ভাবনাও তৈরি করেছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ধসে নিজেদের হার নিশ্চিত করল বাংলাদেশের ব্যাটাররা। হারারেতে ২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও মাঝে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশ দলীয় ৩৮ রানে ২ উইকেট হারালে তৃতীয় উইকেটে ৮৪ রানের জুটি গড়েন তানজিদ-হৃদয়। তাতে সহজ জয়ই দেখছিল বাংলাদেশ। ৫৭ রানে ওপেনার তানজিদ আউট হওয়ার পরেও ম্যাচটা হাতেই ছিল।
কেননা ফিরতি উইকেটে নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। তবে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রানের ইনিংস খেলে হৃদয় বিদায় নিতেই ব্যাটিং ধসে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে।
এরপরেও অবশ্য ম্যাচ জেতার সুযোগ ছিল। কেননা ১৮ বলে ১৭ রান এখনকার সময় খুব বেশি কিছু না। হাতে মাত্র ২ উইকেট থাকলেও ক্রিজে তখন ছিলেন অধিনায়ক মিরাজ। কিন্তু শেষটা করতে পারলেন না তিনি। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হলেন ২৭ রানে। বাংলাদেশ শেষ ৫ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ২৭ রানে। এতে ২৩৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা।
এতে ৪ বছর পর ওয়ানডে সিরিজ জিতল জিম্বাবুয়ে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জয়ের ভিত গড়ে দেন আজ সেঞ্চুরিয়ান বেন কারান। তার অপরাজিত ১১১ রানের ইনিংসের সৌজন্যে ২৪৭ রানের সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। ৯ চারে সাজানো ইনিংসটির জন্য পরে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন বাঁহাতি ওপেনার। আড়াই শ ছুঁই ছুঁই স্কোরে শেষ দিকে দুর্দান্ত অবদান রেখেছেন ব্র্যাড ইভান্সও। ৩৮ বলে ৫৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। ১৫২.৬৩ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ৫ ছক্কা ও ২ চারে।
তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডে আগামী ১১ জুলাই, হারারেতেই।






