• ই-পেপার

নেপালে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্প

আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্পে সম্মাননা পেলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য

গবেষণা, উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় ইউএপি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক সই

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গবেষণা, উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় ইউএপি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক সই
সংগৃহীত ছবি

গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) সুরক্ষা জোরদারের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইউএপির উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ইউএপিতে একটি টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (টিআইএসসি) প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত এ কেন্দ্র গবেষকদের উদ্ভাবন কার্যক্রমে সহায়তা, বৈশ্বিক পেটেন্ট তথ্যভান্ডারে প্রবেশাধিকার এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে ডিপিডিটির মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গবেষক ও উদ্ভাবকদের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা এবং ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে সহযোগিতা দিতে ইউএপিতে ডিপিডিটির একটি সহায়তা কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় অধিদপ্তর আগ্রহী। তিনি বলেন, টিআইএসসি প্রতিষ্ঠিত হলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে এবং গবেষকেরা আন্তর্জাতিক পেটেন্ট তথ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

ইউএপির আধুনিক ফার্মেসি গবেষণাগার এবং শিল্পখাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকর সহযোগিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, উদ্ভাবন, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মেধাস্বত্ব সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইউএপি'র স্কুল অব ফার্মেসির ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট সুরক্ষা সহজতর হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা ইউএপিকে নিজস্ব মেধাস্বত্ব নীতিমালা (আইপি পলিসি) প্রণয়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো শক্তিশালী মেধাস্বত্ব কাঠামোর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ সমঝোতা স্মারক সেমিনার, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

ইউএপির স্কুল অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাইনের ডিন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ এম. আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমঝোতা চুক্তির (এমওএ) মাধ্যমে গবেষণা, প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং গবেষণাগার ব্যবহারে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইউএপির স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকী খলিলী বলেন, এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে গবেষকেরা পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা অর্জন করবেন এবং তাঁদের উদ্ভাবন কার্যকরভাবে সুরক্ষিত করতে পারবেন।

সমাপনী বক্তব্যে ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া ইউএপিতে ডিপিডিটির সহায়তা কার্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং ডিপিডিটি'র উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মো. হাবিবুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ইউএপি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির (এমওএ) প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) আওতায় গবেষণাগার ও গবেষণা সুবিধা বিনিময় কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব দেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউএপির রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএপির ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ, ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইআরআইডি) পরিচালক অধ্যাপক ড. তানভীর ফেরদৌস সাঈদ, ফার্মেসি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জেবুন নাহার, ডিপিডিটি'র উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মো. হাবিবুর রহমান, ইউএপি'র ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শিহাব উদ্দিন আহমদ এবং আইআরআইডির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

এর আগে ডিপিডিটি'র মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) মো. হাবিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে পেটেন্ট ও মেধাস্বত্ব বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন।

১৫০৪ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগে শেল্‌টেক্‌ গ্রুপ

কৃষি, রিয়েল এস্টেট, বস্ত্র ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সম্প্রসারণ লক্ষ্য ৪৫ হাজার কর্মসংস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫০৪ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগে শেল্‌টেক্‌ গ্রুপ
সংগৃহীত ছবি

দেশের কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, রিয়েল এস্টেট, বস্ত্র, উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মোট ১ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান শেল্‌টেক্‌ গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৪৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যার বড় অংশই চুক্তিভিত্তিক কৃষিকাজের মাধ্যমে গড়ে উঠবে।

১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শেল্‌টেক্‌ গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে দেশের রিয়েল এস্টেট, নির্মাণ খাত,প্রিমিয়াম ওয়াল ও ফ্লোর টাইলস, বৈদ্যুতিক পোল, কৃষি, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাত, হসপিটালিটি সেক্টর এবং বিভিন্ন সেবাখাতে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। গুণগত মান, সময়মতো প্রকল্প হস্তান্তর, করপোরেট সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

গ্রুপটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই বিনিয়োগ দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনিয়োগের একটি বড় অংশ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। পাশাপাশি যৌথ উদ্যোগ, ব্যাংক ঋণ এবং বৈদেশিক অর্থায়নের মাধ্যমে বাকি প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

শেল্‌টেক্‌ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা এবং দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করছে।

তিনি বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন, রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কৃষি ও রপ্তানিতে বড় উদ্যোগ

কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে গ্রুপটির স্পেনীয় যৌথ উদ্যোগ 
স্পেন বাংলাদেশ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড-এ ইতিমধ্যে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। দিনাজপুরের পার্বতীপুরে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সেখান থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানিও চলছে।

এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার কৃষককে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হলে প্রকল্পটি থেকে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪০ কোটি টাকার রপ্তানি আয় অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রিয়েল এস্টেটে নতুন সম্প্রসারণ

রিয়েল এস্টেট খাতে বনশ্রী এলাকায় শেল্‌টেক্‌ লিগ্যাসি প্লাজা নামে ১৭ তলা আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণে ৫৭৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। প্রায় দুই লাখ বর্গফুট বাণিজ্যিক স্পেস নিয়ে নির্মিতব্য এই ভবনটি আন্তর্জাতিক মানের LEED সনদপ্রাপ্ত গ্রিন বিল্ডিং হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় যৌথ উদ্যোগে ২৬৫ কোটি টাকা বিনিয়োগে ২১টি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে।

উৎপাদন ও বস্ত্র শিল্পে সক্ষমতা বৃদ্ধি

সিলেটে দেশের একমাত্র অ্যাব্রেসিভ পেপার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাইন্ডটেক লিমিটেড-এ ৮৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

অন্যদিকে, বস্ত্র খাতে ব্লেন্ডেড সুতার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড প্রায় ১৭৯ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে এই সম্প্রসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ

কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শেল্‌টেক্‌ গ্রুপ তাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ১০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটির টেকসই উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হবে।

বর্তমানে শেল্‌টেক্‌ গ্রুপের বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। নতুন প্রকল্পগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে ২০৩০ সালের মধ্যে এই টার্নওভার ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

শেল্‌টেক্‌ গ্রুপের এই বহুমুখী বিনিয়োগ পরিকল্পনা শুধু শিল্প খাতেই নয়, কৃষি, রপ্তানি, কর্মসংস্থান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক অবদান রাখার পাশাপাশি এই বিনিয়োগ দেশের শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের পথকে আরো শক্তিশালী করবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

দারাজে ৭.৭ সুপার সেভিংস সেল : বিশাল ছাড়, জ্যাকপট পুরস্কার ও কেনাকাটার দারুণ সুযোগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দারাজে ৭.৭ সুপার সেভিংস সেল : বিশাল ছাড়, জ্যাকপট পুরস্কার ও কেনাকাটার দারুণ সুযোগ
সংগৃহীত ছবি

দেশের অন্যতম বৃহৎ অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ নিয়ে আসছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘৭.৭ সুপার সেভিংস সেল’। এই ক্যাম্পেইনে দেশজুড়ে গ্রাহকদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় মূল্য ছাড়, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আর বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নেওয়ার সুযোগ। ৬ জুলাই থেকে রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে ১৭ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্পেইন। এ সময়জুড়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন মৌসুমের অন্যতম সেরা সব অফার।

বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে সাজানো এই মেগাক্যাম্পেইনে থাকছে প্রিপেমেন্ট ভাউচারে সর্বোচ্চ ১৫% পর্যন্ত ছাড়, মেগা ডিল ও ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড়, পাশাপাশি হট ডিলসে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়। এ ছাড়া সাইটজুড়ে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট, নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি এবং সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ছাড়ের বিশেষ ডিসকাউন্ট ভাউচার থাকায় ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং লাইফস্টাইলসহ সব ক্যাটাগরিতে কেনাকাটা হবে আরো সহজ ও সাশ্রয়ী।

ক্যাম্পেইনের উত্তেজনা আরো বাড়াতে দারাজ নিয়ে এসেছে ‘৭.৭ সুপার সেভিংস সেল জ্যাকপট’। এ আয়োজনের মাধ্যমে গ্রাহকরা জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় প্রিমিয়াম হোম অ্যাপ্লায়েন্স। ক্যাম্পেইন চলাকালে ডেটল পণ্যে ন্যূনতম ২৯৯ টাকা কেনাকাটার শর্ত পূরণ করে সর্বোচ্চ সংখ্যক সফল অর্ডার সম্পন্ন করা পাঁচজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী নির্বাচিত হবেন।

পুরস্কার হিসেবে থাকছে মিডিয়া ১ টন নন-ইনভার্টার এসি, হায়ার ৩২ ইঞ্চি বেজেল-লেস গুগল টিভি, ওয়ালটন রিচার্জেবল সিলিং ফ্যান, ফিলিপস এনএ১১০ এয়ার ফ্রায়ার এবং ফিলিপস এইচএল৭৫৭৭ মিক্সার গ্রাইন্ডার।

গ্রাহকদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও আকর্ষণীয় করতে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী দিনে থাকছে ‘ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার’, যেখানে মাত্র ৬ ঘণ্টার জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডে মিলবে এক্সক্লুসিভ মূল্যছাড়। পরবর্তী নির্ধারিত দিনগুলোতে (৭, ৮, ১০, ১৫ এবং ১৭ জুলাই) চলবে ৭ ঘণ্টাব্যাপী ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার, যাতে গ্রাহকরা তাদের পছন্দের ব্র্যান্ডের পণ্য বিশেষ ছাড়ে কেনার সুযোগ পান। পাশাপাশি পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে থাকছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডভিত্তিক বিশেষ আয়োজন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ৯ জুলাই থাকছে এক্সক্লুসিভ ট্র্যাকশন ডিল।

এদিন গ্রাহকরা মাত্র ৭৭ টাকা ও ৭৭৭ টাকায় নির্বাচিত জনপ্রিয় পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। সীমিত সময় ও সীমিত স্টকের এই অফার গ্রাহকদের জন্য ক্যাম্পেইনের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮ জুলাই ভিশন ব্র্যান্ড ডে, ৯ জুলাই ইউনিলিভার ব্র্যান্ড ডে, ১০ জুলাই রিয়েলমি ব্র্যান্ড ডে, ১২ জুলাই রেকিট সুপার ব্র্যান্ড ডে, ১৩ জুলাই ভিট ব্র্যান্ড ডে, ১৪ জুলাই টপ টেক জোন ব্র্যান্ড ডে, ১৫ জুলাই ম্যারিকো ব্র্যান্ড ডে এবং ১৬ জুলাই ওরাইমো ব্র্যান্ড ডে। এছাড়াও প্রতি কর্মদিবসে ক্যাটাগরি- ভিত্তিক বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে, যেখানে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাছাইকৃত অফার উপভোগ করতে পারবেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করতে দারাজ তার ‘এভরিডে লো প্রাইস’ (ইডিএলপি) বা দারাজ চয়েস চ্যানেলকে আরও শক্তিশালী করেছে। এই চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রাহকরা ৩টি পণ্য কিনলে ফ্রি ডেলিভারি এবং ৫টি পণ্য কিনলে ১টি ফ্রি গিফটের পাশাপাশি ফ্রি ডেলিভারি-এর মতো বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় আরও বেশি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হবে।

এবারের ৭.৭ সুপার সেভিংস সেল আরো উপভোগ্য করে তুলেছে দারাজের একাধিক শীর্ষস্থানীয় পার্টনার। ডেটল এবং ইউনিলিভার দারাজের এক্সক্লুসিভ প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। প্যারাস্যুট ন্যাচারালে এবং হিমালয়া থাকছে গোল্ড পার্টনার হিসেবে। এছাড়া সেসা এবং গোদরেজ সিলভার পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহণ করছে, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন।

পেমেন্ট পার্টনারদের মাধ্যমে কেনাকাটায় থাকছে আরও আকর্ষণীয় সাশ্রয়ের সুযোগ। দারাজ–ইস্টার্ন ব্যাংক কো-ব্র্যান্ড ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডধারীরা সর্বোচ্চ ১৫% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া সিটি ব্যাংক পিএলসি., ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি., মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি., প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি.-এর কার্ডধারীরা সংগ্রহযোগ্য ভাউচারের মাধ্যমে ১২% পর্যন্ত আকর্ষণীয় ছাড় উপভোগ করতে
পারবেন। পাশাপাশি ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি.-এর ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য দারাজ চয়েস চ্যানেলে থাকছে বিশেষ অফার, যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আরও সাশ্রয়ী মূল্যে কেনা যাবে।

এছাড়াও বিকাশ ব্যবহারকারীরা নির্বাচিত হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনাকাটায় তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে ইবিএল জিপ (EBL ZIP)-এর মাধ্যমে টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনার এবং নির্বাচিত হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনাকাটায় সর্বোচ্চ ৬ মাসের ০% সুদে ইএমআই-এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধাও থাকছে। ফলে পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে প্রতিটি কেনাকাটা হবে আরও সাশ্রয়ী ও লাভজনক।

৭.৭ সুপার সেভিংস সেল উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশের সকল গ্রাহককে এই উৎসবমুখর শপিং ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। গ্রাহকরা দারাজ অ্যাপ বা ক্যাম্পেইন পেজ ভিজিট করে প্রতিদিনের ডিল, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আকর্ষণীয় পুরস্কারের সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন। রিয়েল-টাইম আপডে ও সর্বশেষ ক্যাম্পেইনের খবর পেতে চোখ রাখুন দারাজ বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোতে।

এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ

অনলাইন ডেস্ক
এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ
সংগৃহীত ছবি

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স (এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স) প্রোগ্রাম চালু করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)। অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং অনুষদের অধীনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ জুন আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সাশ্রয়ী ব্যয়ে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাদের দেশের প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কর্মবাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

১৫২ ক্রেডিটের এ প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও সাইবার সিকিউরিটিসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হবে। পাশাপাশি থাকবে গবেষণা, ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা ও শিল্প-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়েভারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫ টি অনুষদের অধীনে ৮টি বিভাগ চালু রয়েছে। এরমধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ও মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ)। ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (এএমএম)। আর ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিজ এন্ড সোস্যাল সায়েন্সেসের অধীনে বিএ (অনার্স) ইন ইংলিশ, এমএ ইন ইংলিশ লিটেরেচার এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ও ব্যাচেলর অব ল' (এলএলবি অনার্স)। রয়েছে মাস্টার অব পাবলিক হেলথ। এছাড়া বিস্তাররিত তথ্য আইএসইউ এর ওয়েবসাইটে (www.isu.ac.bd) পাওয়া যাবে।