• ই-পেপার

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ

সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ে স্কুল-কলেজকে জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ে স্কুল-কলেজকে জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত এবং নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ লক্ষ্যে সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজের প্রধানদের দুই দিনের মধ্যে গুগল ফর্মে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সব স্কুল ও কলেজ প্রধানদের এ নির্দেশনা দেয় মাউশি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন সুষ্ঠুভাবে ক্লাস পরিচালনা ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেন্ট্রাল অনলাইন মনিটরিং সিস্টেম চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (সরকারি ও বেসরকারি) প্রধানদের আগামী ১৩ জুলাই বিকাল ৪টার মধ্যে গুগল ফর্মে (https://forms.gle/2jEaP9MDfmj8VD7y7) গুগল ফর্মে তথ্য প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এতে আরো ও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রদান করতে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি অতীব জরুরি।

ঢাবিতে ‘জুলাই দেখার দৃষ্টিকোণ : মত ও মতান্তর’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে ‘জুলাই দেখার দৃষ্টিকোণ : মত ও মতান্তর’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজের উদ্যোগে ‘জুলাই দেখার দৃষ্টিকোণ : মত ও মতান্তর’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

সেমিনারে দেশের বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিকরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বহুমাত্রিক দিক, এর সাফল্য, সংকট ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আলোচনা করেন।

ডেইলি ওয়াদার ম্যানেজিং এডিটর ফয়সাল মাহমুদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ফ্যাসিস্ট রেজিমের বিরুদ্ধে একটি বৈপ্লবিক সামষ্টিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ও সফল ঘটনা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থান ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের চেতনা সমুন্নত রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য।

কবি ও লেখক হাসান রোবায়েত বলেন, জুলাই আন্দোলনে ঢাকার বুদ্ধিজীবীরা কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং জাতিগত সংকট সমাধানের প্রত্যাশা হতাশায় রূপ নিয়েছে। বাংলার বহুত্ববাদী মুসলমান পরিচয়কে রাষ্ট্র সমানভাবে ধারণ করতে না পারায়ও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সম্পাদক ও গবেষক ফয়সাল আহমেদ তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলেন, ‘ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান’ বলার মাধ্যমে একটি ক্ষমতাকেন্দ্রিক তুলনা তৈরি হয়েছে। উত্তর-ঔপনিবেশিক তাত্ত্বিক গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাকের বরাতে তিনি বলেন, জুলাইয়ের কর্তাসত্তা নিয়ে বিতর্কের মূল সংকট প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে নিহিত।

লেখক ও চিন্তক মওলবি আশরাফ জুলাই আন্দোলনকে ‘বিপ্লব’ ও ‘গণঅভ্যুত্থানে’র মাঝামাঝি একটি রূপান্তরকালীন অবস্থান হিসেবে ব্যাখ্যা করে বিগত সরকারকে জুলুম ও নৈতিক বিপর্যয়ের শাসনকাল বলে অভিহিত করেন।

আলোচনায় আরো অংশ নেন গবেষক ফজলুল হক তুহিন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী এহসান ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

বক্তারা জুলাইয়ের মূল আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ২০ বছর পূর্তি উদযাপন

উৎসবমুখর পরিবেশ আর স্মৃতিরোমন্থনের মধ্য দিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ (জেএমসি) বিভাগ উদযাপন করল প্রতিষ্ঠার ২০ বছর। এ উপলক্ষে ‘আমাদের বছর কুড়ি’ নামে বিশেষ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সাভারের বিরুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিভাগের ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। ‘বিশের বাঁশিতে সুদিন আসবে’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জেএমসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী দুই দশকের অর্জন, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের স্বপ্নকে উদযাপন করতে একত্রিত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান বলেন, ‘একটি অ্যাকাডেমিক বিভাগের আসল সার্থকতা ফুটে ওঠে তার শিক্ষার্থীদের সাফল্যে। গত ২০ বছরে জেএমসি কেবল দক্ষ সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকর্মী তৈরি করেনি, সমাজকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দায়িত্বশীল নাগরিকও উপহার দিয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, ‘সাফল্যের কোনো নির্দিষ্ট ছক নেই। আমাদের সাবেক শিক্ষার্থীরা আজ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন, যা বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। এই যোগাযোগকে আরো জোরদার করতে এবং কর্মসংস্থানের পথ সহজ করতে আমরা  ‘অ্যালামনাই ৩৬০’ নামক একটি আধুনিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম চালু করছি, যা পুরো ডিআইইউ পরিবারকে এক সুতোয় বাঁধবে।’

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, বর্তমান বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন, অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ড. আব্দুল কাবিল খান, জেএমসি অ্যালুমনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রতীম সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সাকিব মৃধা।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে কেক কাটার মাধ্যমে বিভাগের ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাচের অ্যালামনাইরা তাদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বিভাগের স্মৃতিচারণ করেন।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ড. কাবিল খান বলেন, ‘জেএমসি বিভাগের ২০ বছর পূর্তি আমাদের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। বিগত দুই দশক ধরে শুধু গ্র্যাজুয়েট তৈরি করিনি, বরং দেশের গণমাধ্যম ও যোগাযোগ খাতে দক্ষ, সৃজনশীল ও নেতৃত্বদানে সক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলেছি। এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এক সুতোয় গাঁথতে চাই, যা ভবিষ্যতে বিভাগকে আরো সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন বলেন, ‘যাত্রার শুরুতে এটি ছিল অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে গড়ে ওঠা একটি ছোট্ট বিভাগ। মাত্র ২০ বছরের পথচলায় আজ আমরা এক হাজারেরও বেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীর এক বৃহৎ পরিবার। আমাদের লক্ষ্য, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা সাংবাদিকতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা।’

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যসহ জেএমসি বিভাগের শিক্ষক ও প্রায় ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবকের অক্লান্ত পরিশ্রমে এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার এক বছর পর ২০০৬ সালে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ’ রাখা হয়। গত দুই দশকে বিভাগটি সাংবাদিকতা, টেলিভিশন, করপোরেট কমিউনিকেশন, জনসংযোগ, ডিজিটাল মিডিয়া এবং সৃজনশীল শিল্পে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ১৩৩টি পাঠ্যবইয়ের পরিমার্জনসহ দুই শ্রেণিতে চার নতুন বই যুক্ত হচ্ছে। ইতিহাস, বাংলা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়সহ বিভিন্ন বইয়ে নতুন বিষয় সংযোজন ও পুরোনো অংশ পুনর্বিন্যাসের কাজ চলছে।

শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চারটি বই। আইসিটি বইয়ে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন অধ্যায় সংযোজন হচ্ছে। নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি প্রবন্ধ সংযোজন হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতা’ অধ্যায়ে বর্তমান চার নেতার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদান যুক্ত হচ্ছে বলে সমকাল এক প্রতিবেদনে জানায়।

এনসিটিবি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ শেষ পর্যায়ে। মাধ্যমিকের মোট পাঠ্যবই ৯৯টি। এর মধ্যে ৯৭টি পরিমার্জন করা হয়েছে। প্রাথমিকের পাঠ্যবই ১৬০ জন বিষয় বিশেষজ্ঞ এবং মাধ্যমিকের বইয়ের ক্ষেত্রে ২৫০ জন পরিমার্জন কাজে যুক্ত ছিলেন।  

সূত্র জানায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৩০ কোটি ৮৩ লাখের বেশি পাঠ্যবই মুদ্রণ করা হবে। এরমধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য আট কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ২১ কোটি ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৩৩২ কপি বই ছাপানো হবে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে বই ছাপার কাজ শুরু হয়ে নভেম্বরের মাঝামাঝি শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৩৩টির পরিমার্জন ও ইনডিজাইন সম্পন্ন হয়েছে। চারটি বই নতুন সংযোজন হওয়ায় সেগুলোর বিষয়বস্তু ও কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।’ 

তিনি বলেন, ‘চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক, সম্পাদক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ বই প্রস্তুতের কাজে যুক্ত রয়েছেন। প্রতিটি বই একাধিক ধাপে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা নির্ভুল, মানসম্মত ও সময়োপযোগী বই হাতে পাক। সময়মতো শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।