• ই-পেপার

বিসিএস পরীক্ষা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড আসন্ন আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে গ্রহণের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার (৮ জুন) মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. ফারুক আহম্মেদের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

এতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার হলসহ কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষ, অফিসকক্ষ এবং বিশেষ করে যে কক্ষে প্রশ্নপত্র খোলা হবে, সেই কক্ষটিকে অবশ্যই সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, যেসব কেন্দ্রে এখনো সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়নি, তাদের আগামী ২০ জুনের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বোর্ডের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সিসিটিভি ক্যামেরার প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এন্ট্রি ও সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ জন্য কেন্দ্র প্রধানদের বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.ebmeb.gov.bd) প্রবেশ করে Alim >>>> eCIS >>>> 2026 সিলেক্ট করতে হবে। এরপর ‘Continue’ বাটনে ক্লিক করে সেন্টার কোড ও নির্ধারিত পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ‘বিভিন্ন এন্ট্রি’ অপশন থেকে ‘কেন্দ্রের তথ্য’ সিলেক্ট করে সিসিটিভি সংক্রান্ত তথ্যগুলো সেভ করতে বলা হয়েছে। 

একই সঙ্গে পরীক্ষা সংক্রান্ত কড়াকড়ি আরো বাড়াতে ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রেজারি থেকে যে সব শিক্ষক, ট্যাগ অফিসার বা কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পত্রে তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর বোর্ডের নির্ধারিত ই-মেইলে ([email protected]) পাঠাতে হবে।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরীক্ষার সব ভিডিও ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষকে সেই ফুটেজ সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন। 

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্স কোর্স থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় তুলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত কর্মকর্তা নূরুল আফসার দীপু এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বা বিষয় বাতিলের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষা সংস্কার এবং শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে অনার্স শিক্ষা বন্ধ করার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি।

নূরুল আফসার দীপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এ গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সরকারের আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কার এবং কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে ওই সংস্কার পরিকল্পনার কোথাও অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস বা দর্শন বিষয় বাতিলের কোনো ঘোষণা বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। 

শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বাড়ছে, জুলাই থেকে কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বাড়ছে, জুলাই থেকে কার্যকর

শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া জুলাই থেকেই ১৫ শতাংশ হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাড়ে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। আগামী জুলাই থেকে দ্বিতীয় ধাপে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে তা ১৫ শতাংশ করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, 'সরকারের পূর্বের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ বছরের জুলাই থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পাবেন।'

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন জুলাই থেকেই শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে বাজেট শাখা থেকে চিঠি জারির কথা। 

গত বছরের ২১ অক্টোবর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করতে সম্মতি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।

ওইদিন মন্ত্রণালয়ের জারি করা সম্মতিপত্রে বলা হয়, সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা নিম্নোক্ত শর্তাদি পরিপালন সাপেক্ষে ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ হতে মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) এবং ১ জুলাই ২০২৬ তারিখ হতে উক্ত ৭.৫ শতাংশের অতিরিক্ত আরো ৭.৫ শতাংশ অর্থাৎ মূল বেতনের সর্বমোট ১৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) নির্ধারণ করা হলো।

শিক্ষাকাঠামোয় আসছে পরিবর্তন

বাতিল হচ্ছে বাংলাসহ ৬ বিষয়ের অনার্স কোর্স, প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ে গুরুত্ব

অনলাইন ডেস্ক
বাতিল হচ্ছে বাংলাসহ ৬ বিষয়ের অনার্স কোর্স, প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ে গুরুত্ব

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী বাতিল করা হচ্ছে বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ প্রায় ৬ বিষয়ের অনার্স কোর্স। এসব বিষয় অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। একই সঙ্গে আইটি ও কারিগরির বিষয় বাড়ানো হচ্ছে। শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সংযোগ বাড়াতে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতাভিত্তিক বিষয়। এছাড়া কলেজ পর্যায়েই চালু হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ক্যারিয়ার সেন্টার এবং শেখানো হবে সাতটি বিদেশি ভাষা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। সবার মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী দেশে সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশনা দেন শিক্ষামন্ত্রীকে। পরে একাধিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে  শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি হবে। ইত্তেফাকের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।  

শিক্ষাবিদরা বলেন, কর্মের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারছে না দেশের প্রচলিত শিক্ষা। এজন্য দিন দিন শিক্ষিত ও তরুণ বেকারের চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার আশঙ্কাজনক। দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারত্বের হার গত ১৩ বছরে আট গুণ বেড়েছে। দেশে ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থানই অপ্রাতিষ্ঠানিক।

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি ও এইচএসসির বিষয় সংখ্যা এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এরই মধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 
এনসিটিবি সূত্র জানায়, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করতে ২৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসিতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লেগে যায়। এ দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘ পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীরাও অসহনীয় মানসিক চাপে ভোগে। এই জটলা ও চাপ কাটানোই সরকারের নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

সরকার ২০২৮ সাল থেকে যে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত করার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরমধ্যে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি নিয়ে দুটি বিষয় পড়তে হবে চতুর্থ শ্রেণি থেকে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যুক্ত হবে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’। এছাড়া নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজি ছাড়াও তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে কোনো একটি বিষয়ের সঙ্গে ‘বড় অধ্যায়’ যুক্ত হতে পারে।

সোমবার (৮ জুন) বিকালে সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসে নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমত বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে, বাস্তব সম্মতভাবে এটাকে আমরা রিভাইজ করে এই ২০২৭ সালে দিচ্ছি। আর টোটাল চেইঞ্জ যেটা আশা করছেন, সেটা আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৮ সালে গিয়ে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন, এখন নয়। কারিকুলাম খুব সুন্দর হচ্ছে এবং চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।’

এরআগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন নতুন শিক্ষাক্রমে চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘১৬ বছরের সব সমস্যা হয়তো এক দিনে এক বছরে সমাধান করা যাবে না। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব। এখানে কারিকুলামের ভেতরে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন, পরিমার্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় আমরা যুক্ত করছি।’