• ই-পেপার

মোল্লাহাটে বাস খাদে পড়ে আহত ৫০

বিয়ের ৩ দিন পর সড়কে প্রাণ গেল যুবকের

নোয়াখালী প্রতিনিধি
বিয়ের ৩ দিন পর সড়কে প্রাণ গেল যুবকের
মো. আল-আমিন

নোয়াখালীর সেনবাগে বিয়ের আনন্দ শেষ না হতেই সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আল-আমিন (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সেনবাগ–সোনাইমুড়ী সড়কের কুটিরবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আল-আমিন উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ছাতারপাইয়া পশ্চিম-দক্ষিণপাড়া গ্রামের রশিদ বেপারীবাড়ির আব্বাস ক্বারির ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, আল-আমিন বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ছাতারপাইয়া বাজারে নিজেদের ওষুধের দোকানের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। গত সোমবার পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বৃহস্পতিবার রাতে মোটরসাইকেলে  সোনাইমুড়ী থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুটিরবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত মুরগিবাহী অটোরিকশার সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্যাসসংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তি চরমে

অনলাইন ডেস্ক
গ্যাসসংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তি চরমে
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীজুড়ে তীব্র সিএনজি সংকট দেখা দিয়েছে। এই ত্রুটির ফলে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে। 

ফলে ঢাকার সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে,  ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস মিলছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক, গণপরিবহন খাতের কর্মী ও যাত্রীরা। সংকটের প্রভাব পড়েছে চালকদের আয়-রোজগারেও।

রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, গ্যাস সংগ্রহের জন্য দিন-রাত দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছেন চালকরা। অনেক পাম্পে রাত থেকেই গাড়ির লাইন শুরু হচ্ছে।

একাধিক সিএনজিচালিত গাড়ির চালক জানান, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দিনের বড় একটি সময় পাম্পেই কাটছে, যা তাদের স্বাভাবিক আয় ব্যাহত করছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকেরা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড-শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক চালক বলছেন, সময়মতো গ্যাস না পাওয়ায় তারা যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না। এতে দৈনিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

কিছু চালক অভিযোগ করেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাদের দাবি, অতীতেও জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে সংকট দেখিয়ে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে তাদের আশঙ্কা।

অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিকরাও। তারা দ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করে সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ফেরত পাঠাল বিজিবি

অনলাইন ডেস্ক
কুষ্টিয়া সীমান্তে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ফেরত পাঠাল বিজিবি
সংগৃহীত ছবি

কুষ্টিয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আটজনকে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের ফেরত পাঠিয়েছে। 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, আজ ভোর ৫টার দিকে বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধীনস্থ জয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১৫২/১-এস সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চর মেঘনা ক্যাম্পের সদস্যরা আটজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নদীপথে সাঁতার কেটে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন।

বিজিবির টহলদল বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করে এবং ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়। পরে বিজিবির অবস্থানের মুখে তারা নদীপথেই ভারতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১২ জুন ভোরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় স্থানীয় ও টহলরত বিজিবির সদস্যরা টের পেয়ে তাদের পুনরায় ভারত সীমান্তে ফেরত পাঠান।

জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদরাসার সুপারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুপারের নাম সাইদুর রহমান। 

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, মাদরাসার সুপার সাইদুর রহমান জাল সনদে কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদরাসায় একজন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে জনস্বার্থে কুড়িগ্রাম আদালতে মামলা করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। 

সিআইডি তদন্ত শেষ প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত সাইদুর রহমানকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করেন। সাইদুর রহমান আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন আদালত। ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে পুলিশ মাদরাসা সুপার সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ‘আদালতে দায়ের করা মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, সাইদুর রহমান এর আগেও একবার নিয়োগ জালিয়াতির মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সাইদুর রহমান তার অপকর্ম ধামাচাপা দিতে নিজেকে ‘দৈনিক শিরোমণি’ নামক পত্রিকার সাংবাদিক দাবি করতেন।